<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029</id><updated>2011-08-01T16:39:29.945-07:00</updated><category term='ইন্টারনেট'/><category term='ওয়েব গাইড'/><category term='জব'/><category term='ঘরে বসেই উপার্জন'/><category term='ল্যাপটপ'/><category term='ওয়াই-ম্যাক্স'/><category term='তথ্যপ্রযুক্তি'/><category term='টেকনোলজি'/><category term='উইন্ডোজ'/><category term='বিজ্ঞান প্রজন্ন'/><category term='হার্ডওয়্যার'/><category term='রোবট'/><category term='ই-কমার্স'/><category term='লিনাক্স'/><category term='প্রযুক্তির খবর'/><category term='সিকিউরিটি/হ্যাকিং'/><category term='মোবাইল প্রযুক্তি'/><category term='ওয়েব ডিজাইন'/><category term='টিপস এন্ড ট্রিকস'/><category term='মাল্টিমিডিয়া'/><category term='প্রযুক্তির শব্দ'/><category term='ইলেকট্রনিক্স'/><category term='প্রযুক্তি ইতিহাস'/><category term='কম্পিউটার গেমস'/><category term='প্রতিবেদন'/><category term='ক্যারিয়ার'/><category term='নেটওয়ার্কিং'/><category term='সফটওয়্যার'/><category term='নিউজ'/><title type='text'>কম্পিউটার পাতা</title><subtitle type='html'>Computer, Computerbd, Windows, Internet,</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://computerbd.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default?start-index=101&amp;max-results=100'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>531</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-5212444902775031030</id><published>2010-09-22T23:22:00.000-07:00</published><updated>2010-09-22T23:34:00.525-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তির খবর'/><title type='text'>ঈদের কিছু নাটক ২০১০</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;এবারের ঈদে বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত কয়েকটি নাটক নিয়ে লিখেছেন জাহীদ রেজা নূর, শওকত হোসেন, সাইদুজ্জামান রওশন, কবির বকুল, পল্লব মোহাইমেন, ফিরোজ জামান চৌধুরী, সিমু নাসের ও ইকবাল হোসাইন চৌধুরী&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কক্ষপথে মন&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঈদের অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে একটি চ্যানেলে জনপ্রিয় একজন অভিনেতার  সাক্ষাৎকার দেখছিলাম। তাঁর বেশ কয়েকটি নাটক এই কদিনে প্রচারিত হয়েছে।  শুনলাম, তিনি বলছেন, আজকালকার নাটকের কারিগরি মানের অনেক উন্নতি হলেও  গল্পের অবস্থা বেশ খারাপ। প্রায় সব নাটকের গল্পই এক রকম মনে হয়। এ কথাটা  মাথায় রেখে দেখতে বসেছিলাম আলভী আহমদের নাটক কক্ষপথে মন। প্রচারিত হয়েছিল  দেশ টিভিতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নাটকের শুরুটাই বলে দিল, এটা ঠিক গতানুগতিক গল্প নয়। সরাসরি গল্পে না ঢুুকে  নাটকের চরিত্রগুলো, তাদের মানসিকতা এবং গল্পটা যেখানে আবর্তিত হচ্ছে,  সেখানকার পরিবেশের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। নিম্নবিত্তরা থাকে  এলাকাটিতে। সেখানেই সাময়িক সময়ের জন্য বাধ্য হয়ে থাকতে আসেন দীপা ও কায়সার  দম্পতি। সুন্দরী দীপা (তিশা) সবার মনোযোগ কেড়ে নেন। রেডিও-টেলিভিশন মেকানিক  সেলিম (শহীদুজ্জামান সেলিম) কিংবা বাড়িওয়ালা মিঠু ভাই দীপার মনোযোগ পেতে  প্রতিযোগিতায় নামেন। দীপার স্বামী বাজারে যান না, এমনকি দোকান থেকে সিগারেট  আনতেও অনীহা। অন্যদিকে ‘গা বাঁচিয়ে কীভাবে ছেলেদের নাচাতে হয়’ তা ভালোই  জানেন দীপা। পরনারীর প্রতি আকর্ষণ টের পেয়ে দুজনকেই ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার  করেন দীপা। সামান্য একটু ছোঁয়া কিংবা খানিকটা ইঙ্গিতেই কাজ হয়ে যায়। ফলে  দীপার বাজার করে দেওয়া কিংবা মাথায় করে নষ্ট টেলিভিশন দোকানে নিয়ে যেতে  দেখা যায় তাদের। মেকানিক সেলিম কত দূর এগোনো যাবে, কল্পনা করেন আর ছেলের  পাশে ঘুমন্ত স্ত্রীকে জাগাতে চেষ্টা করেন। দীপা যখন চায়ের পাতা আনতে বলেন,  রাজি হয়ে যান সেলিম, কিন্তু দীপার স্বামীর সিগারেট আনতে বললে অপমানবোধ কাজ  করেন। দ্রুতই সেলিম বুঝে ফেলেন, দীপার এই কাজে সমর্থন আছে স্বামীর।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এই হচ্ছে কক্ষপথে মন-এর গল্প। মোটেই গতানুগতিক গল্পের নাটক বলা যাবে না। এর  বাইরে এসে কেউ কেউ যে সাহস ও পরিপক্বতা দেখাচ্ছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া  গেল নাটকটি দেখে। সমাজে অনেক কিছু ঘটলেও সেসব যেন নাটক-সিনেমায় উচ্চারণ করা  নিষেধ। সেদিক থেকে এই নাটক অনেকটাই সাহসী। তিশাও এ ধরনের একটি চরিত্রে  অভিনয় করতে সাহস দেখিয়েছেন এবং যতটা সম্ভব নারীলোভী পরপুরুষকে ব্যবহার করার  ছলাকলাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন। ক্যামেরাও সাহসের সঙ্গে তিশাকে অনুসরণ করেছে।  ভালো লেগেছে শহীদুজ্জামান সেলিমের অভিনয়। গতানুগতিকতার বাইরে ব্যতিক্রমী এ  নাটকটি দেখতে খানিকটা অস্বস্তি লাগে। এই অস্বস্তি নাটকের গল্পের জন্য নয়,  বরং আমাদের সমাজে এ রকম ঘটছে, এটা উপলব্ধি করে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রঙিন শাড়ি&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শাড়ি কাপুড়...। ঢাকাই শাড়ি, সুতি শাড়ি, জামদানি শাড়ি ফেরি করে ফেরে রাহেন  মোল্লা। মা-বাবা নেই, এতিম। সচ্ছল গেরস্ত গ্রাম-সম্পর্কের চাচা-চাচিই তার  মা-বাবার অভাব যেন পূরণ করে দেন। শাড়ি ফেরি করতে করতেই অন্য গ্রামের এক  মেয়ের সঙ্গে চোখাচোখি। মেয়েটিরও মা-বাবা নেই। মামার বাড়িতে বড় হয়েছে।  মামা-মামি মেয়েটির পাত্র হিসেবে বেছে নেন রেহান মোল্লাকে। রঙিন শাড়ি পরে  মেয়েটি বউ হয়ে আসে। চাচার বাড়ি গরু ‘বুদি’ সরল মেয়েটির যত্নআত্তি হয়।  স্বামী-স্ত্রীর দারুণ মিল। রেহান আর শাড়ি ফেরি করে বিক্রি করবে না, একদিন  তার নিজের দোকান হবে, এমন স্বপ্ন দেখায় মেয়েটি। রেহানের পরিবারে নতুন অতিথি  আসার আভাস মেলে। অন্তঃসত্ত্বা হাসিখুশি মেয়েটি পুকুরঘাটে স্বামীর সঙ্গে  মজা করতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যায়। স্বপ্নভঙ্গের শুরুটা এখানে। অপরদিকে বুদিও  অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বুদি সুস্থ হয়ে উঠলেও মেয়েটি ভুগে ভুগে মারা যায়। তবে  মেয়েটির স্বপ্ন পূরণ হতে দেখা যায়, রেহানের নিজের দোকান হয়। কিন্তু  দিনশেষে নিজের ঘরে এসে রেহান মোল্লার নিঃসঙ্গতা বাড়তেই থাকে। শুধু রঙিন  স্মৃতিগুলোই যেন রেহানের সম্বল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শাহনেওয়াজ কাকলীর রঙিন শাড়ি নাটকটিতে স্বপ্ন, স্বপ্নভঙ্গ আর বেঁচে থাকার  বাস্তবতা উঠে আসে এমন করেই। চ্যানেল আইতে প্রচারিত এ নাটকের মূল গল্প শেখ  জহিরুল হকের। কম বয়সী একটি মেয়ের রঙিন স্বপ্ন নাটকে ডানা মেলে রঙবেরঙের  শাড়িতে। দৃশ্যায়নে এ ব্যাপারটা ভালোভাবেই বোঝা গেছে। অভিনয় করেছেন প্রাণ,  অপর্ণা, শহীদুল আলম সাচ্চু, মোমেনা চৌধুরীসহ অনেকেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মায়া এবং মৃত্যুর গল্প&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রথমে দর্শনধারী, তারপর গুণবিচারি—এ রকমই একটা দৃষ্টিকোণ থেকে নাটকটি  দেখা। দর্শন বিচারে প্রথমেই আসে কারিগরি দিক। লোকেশন নির্বাচন, ক্যামেরা,  আলো—অমিতাভ রেজার প্রায় সব নাটকেই এ বিষয়গুলোতে মুনশিয়ানার ছাপ পাওয়া যায়।  এবার ঈদের তৃতীয় দিন রাতে এনটিভিতে প্রচারিত মায়া এবং মৃত্যুর গল্প এর  ব্যতিক্রম নয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মায়া এবং মৃত্যুর গল্প নাটকটি চমৎকার নির্মাণের জন্য নাট্যকার এবং পরিচালক অমিতাভ রেজাকে একটা ‘ধন্যবাদ’ দিয়ে এ নাটকের আলোচনায় যাই। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নিতুকে না পেয়ে আত্মহত্যা করে শোভন। পুত্র হারানোর শোকে পাথর শোভনের মা।  তবুও নিতুর প্রতি স্নেহ-ভালোবাসার কমতি নেই তাঁর। ছোট ছেলে ছোটনকে দিয়ে  নিতুর জন্য পায়েস রান্না করে পাঠান তিনি।স্বামীর সঙ্গে ঢাকা চলে যাচ্ছে নিতু। যাওয়ার পথে সে দেখা করতে আসে শোভনের  মায়ের সঙ্গে। এ বাড়িতে তাঁর ছেলের বউ হয়ে যে আসবে, তার জন্য শোভনের মা খুব  যত্ন করে কিছু অলংকার রেখেছিলেন। সেই অলংকার তিনি তুলে দেন নিতুর হাতে—এ  রকম ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় মায়া এবং মৃত্যুর গল্প।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আগে ধন্যবাদের কাজটি শেষ করি। এ তালিকায় প্রথমেই রাখতে হচ্ছে জয়াকে; নিতুর  চরিত্রে তাঁর সাবলীল অভিনয়ের জন্য। দাগ কেটেছে আরেকজনের অভিনয়; ছোটন  চরিত্রে কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়। অভিনয়ে প্রতিভার ছাপ রেখেছেন। আর মায়ের  ভূমিকায় নার্গিস আক্তার আর শোভন চরিত্রে চঞ্চল চৌধুরী যথাযথ। আর  চিত্রগ্রাহক রাশেদ জামানের জন্য রইল বিশেষ ধন্যবাদ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তবে নাটকটি দেখতে গিয়ে যে সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়েছিল, এর একটি হলো  শব্দ প্রক্ষেপণ। এ সমস্যার কারণে কখনো কখনো সংলাপ বুঝতে কিছুটা অসুবিধা  হয়েছিল। আর গল্প বলার ক্ষেত্রেও অমিতাভ রেজার এগিয়ে যাওয়ার পথটা সরল ছিল  না। মনে হয়েছে, তিনি যেন ইচ্ছে করেই দর্শকদের একটা ধাঁধার মধ্যে রেখে আরও  গভীরে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বিজ্ঞাপনচিত্রের উৎপাতে টিভি নাটকের  দর্শকের কি এত গভীরে ঢোকার জো আছে? যদিও দর্শক সহজভাবে বলাটাই বেশি পছন্দ  করে। তার পরও গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে অমিতাভ রেজার মায়া এবং মৃত্যুর  গল্প অনেকটাই কামিয়াব।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নকশীকাঁথা&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নকশীকাঁথা নাটকের কাহিনি নতুন কিছু নয়, এ ধরনের নাটক আগেও দেখেছি আমরা।  গরিব পরিবার, অভাবের সংসার, কিছুটা সচ্ছলতার সন্ধানে স্বামীর গৃহত্যাগ,  অপেক্ষায় থাকা স্ত্রী, ভালো লাগার মানুষের আবির্ভাব ইত্যাদি ঘটনা, যা  ধাবমান সময়ের যেকোনো বিন্দুতেই সত্য। মানুষের ব্যাখ্যাহীন মনোজগতের বয়ানই  এই নাটক। পুরোনো, তবু নতুন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মাতিয়া বানু শুকুর গল্প বলার মুনশিয়ানাই নাটকটি নিয়ে লিখতে বসার কারণ।  সাধারণ কাহিনির নাটকটির প্রতি দর্শকের আগ্রহ সৃষ্টি করেছেন কিছু অসাধারণ  দৃশ্য তৈরি করেই। স্বামী, স্ত্রী, প্রেমিকপুরুষ, বেদেনি—এসব মূল চরিত্রের  পাশাপাশি গ্রামের কাঁথা সেলাই করা মেয়েটিকে কাহিনিতে স্থান দিয়ে নাট্যকার  আসলে এই আগ্রহ তৈরি করার কাজটি এগিয়ে দিয়েছেন। নির্দেশক তা গুছিয়ে বলতে  পেরেছেন। আমি তো বলব, দুই বাচ্চার মা, গ্রামের অসহায় এই মেয়েটির কথাস্রোতেই  গ্রামীণ জীবনের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় উঠে এসেছে নাটকে, মানুষের জীবন যে  সরলরৈখিক নয়, নানা টানাপোড়েনে তা বহুমুখী হয়ে ওঠে, তারই বাস্তব চিত্রণ দেখা  গেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মানুষকে সাদা-কালোয় ভাগ করে ফেলার একটা প্রবণতা আছে আমাদের। যাকে পছন্দ  করি, তার সবকিছুতেই থাকে সাদার ছাপ। অপছন্দের মানুষটি অন্ধকারের  প্রতিমূর্তি। মানবজীবনকে এ রকম সরলীকরণ করা যে ঠিক নয়, সে কথা আমাদের মনেও  থাকে না। একই মানুষ ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে ভিন্ন রকম আচরণ করে, এটা তো আমরা  জীবনাচরণ থেকেই দেখতে পাই। সে কারণেই নকশীকাঁথা নাটকের স্বাগতা, সজল কিংবা  কূটনি বুড়ির মতো কথা বলা মেয়েটির শরীরে আমরা ভালো-মন্দের লেবাস লাগিয়ে দিতে  পারি না। নীতিবোধ, ঔচিত্যবোধকে ধারণ করেই জীবন এগিয়ে চলবে, এ রকম সহজ  সমাধানেরও তাই প্রয়োজন পড়ে না। নাট্যকার বা নির্দেশকের চেষ্টাও ছিল না  কাউকে মহীয়ান করা কিংবা কারও শরীরে কালিমালেপনের। তাই স্বাভাবিক গতিতেই  এগিয়েছে কাহিনি। বিষয় বোঝানোর জন্য অযথা সংলাপ কিংবা আরোপিত দৃশ্যের  ‘আবির্ভাব’ ঘটেনি কখনো। এই জায়গায়ই বাহবা পেতে পারেন মাতিয়া বানু শুকু।  স্বাগতা নামের মেয়েটির অভিনয়ে পরিপক্বতার আভাস আছে। সজলকেও যথেষ্ট উচ্ছল  মনে হয়েছে। চরিত্রের দাবি মিটিয়েছেন দুজনই। স্বাগতার স্বামী কাহিনিতে ছিলেন  অল্পক্ষণ, কিন্তু তাতেই স্বাভাবিক অভিনয়ে মন ভরিয়েছেন দর্শকের। কূটনামিতে  দক্ষ মেয়েটি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যেভাবে নিজেকে পরিবর্তন করে নিচ্ছিল,  তাতে সত্যিই চরিত্রটির প্রতি এবং সেই চরিত্রে অভিনয় করা মানুষটির প্রতি  আগ্রহ জন্মে। শুকু যে ডিটেইল এড়িয়ে যান না, তা বোঝা যায় মেয়েটির স্বামীর  সঙ্গে ফিরে আসা বাচ্চা ছেলেটি যখন তার ছোট ভাইটিকে জড়িয়ে ধরে। কত দিন পর  দেখা হলো দুই ভাইয়ের!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বেদেনির বিষয়টি আরেকটু ভালোভাবে আসতে পারত নাটকে। বেদেনি সজলের বিষয়টিকে  বরং পুরো নাটকের মধ্যে দুর্বল বলা যায়। আরেকটি কথা, স্বাগতার মনের ভেতরের  ঝড়টি যদি আরও ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়া যেত দর্শকদের, তাহলে আরও নিবিষ্টমনে,  আরও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে দর্শক ঢুকে যেতে পারত কাহিনির ভেতর। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নাটকটি ঈদে প্রচারিত হয়েছিল বৈশাখী টিভিতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঝগড়ালি&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এটিএন বাংলায় শুরু হলো নাটক ঝগড়ালী। তাও আবার দুই ঝগড়ালি নারীর গল্প।  এমনিতেই আমরা ঝগড়া দেখতে অভ্যস্ত। আর দুই নারীর ঝগড়ায়ও আমরা এখন আর কোনো  আপত্তি করি না। সুতরাং বেশ আয়েশ করেই বসলাম ঝগড়া দেখতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মামুনুর রশীদের এ নাটকটি হাস্যরসাত্মক। ‘স্যাটায়ার’ ও ‘এনটারটেইনমেন্ট’  দুটোই আছে। সালেহা ও আফরোজার গল্প। তাঁরা পেশাদার ঝগড়ালি। অর্থের বিনিময়ে  কারও পক্ষে ঝগড়া করে আসেন। আর এভাবেই তাঁরা জড়িয়ে পড়েন গ্রামের নানা ঘটনার  সঙ্গে। পেশায় প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও সালেহা ও আফরোজার মধ্যে বেজায় সদ্ভাব।  ফলে কঠিন কাজে ‘সিনিয়র’ সালেহার শরণাপন্ন হন আফরোজা। আর এভাবেই অবৈধ দখল  করা স্কুলের জমি দখলমুক্ত করার কাজ পান দুজন। সবশেষে সব সমস্যার সমাধান করে  দেন এ দুজন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হাসিঠাট্টার মাধ্যমে একটি বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মামুনুর রশীদ।  অশান্তির অন্য পিঠে যে শান্তি থাকে, সেটি বলতে চেয়েছেন নানা ঘটনার মধ্য  দিয়ে। তবে অবৈধ দখলদার, যিনি কিনা স্কুলের এই জমি দখল করতে গিয়ে চারটা খুনও  করেছেন, তিনি বা দলের লোক দুই নারীর ঝগড়ার মুখে পালিয়ে যাবেন, সেটি ঠিক  বিশ্বাসযোগ্য হয় না। তবে ঘটনার চেয়ে মামুনুর রশীদ সম্ভবত বক্তব্যকেই  প্রাধান্য দিয়েছেন। এ কারণে নাটক হিসেবে মেনে নেওয়া যায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বলতেই হবে, নাটকটির বড় প্রাণ সব পাত্রপাত্রীর অভিনয়। সালেহা চরিত্রে ডলি  জহুর ও আফরোজা চরিত্রে সম্ভবত শাহনাজ খুশী দারুণ অভিনয় করেছেন। ব্যাপ্তি কম  হলেও দখলদারের চরিত্রে এ টি এম শামসুজ্জামানের অভিনয়ও ছিল অনবদ্য। অন্যরাও  যথেষ্ট ভালো অভিনয় করেছেন। সব মিলিয়ে নাটকটি উপভোগ্য।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মেঘ ভাঙা রোদ&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্বল্প চরিত্রে বড় বেদনার গল্প নিয়ে নাটক মেঘ ভাঙা রোদ। ঈদে এটিএন বাংলায়  প্রচারিত এ নাটকের রচয়িতা মানস পাল। এটি পরিচালনা করেছেন সাইদুল আনাম  টুটুল। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রাবেয়া (সাবেরী আলম) কিশোর বয়সে নিক্ষিপ্ত হন যৌনপল্লিতে। একসময় তাঁর গর্ভে  আসে মিলি (নাদিয়া)। রাবেয়া যৌনকর্মী হলেও তিনি চান তাঁর সন্তান সভ্য সমাজে  আলোর মুখ দেখুক। যৌনপল্লির পাশের দোকানি জুম্মন (জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়)।  রাবেয়া তাঁর কোলে তুলে দেন মিলিকে। পালক বাবার ঘরে বড় হতে থাকেন মিলি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মেঘ ভাঙা রোদ-এ সাংবাদিকের ভূমিকায় দেখতে পাই মীর সাব্বিরকে। শুরুতেই পরিচয়  পাই যৌনকর্মীদের ওপর প্রতিবেদনের জন্য তিনি পুরস্কৃত হন। সাংবাদিকের দেখা  পাই একটি পুকুরপাড়ে কদলীগাছের তলায়। তিনি তাঁর পুরস্কারের মডেল পরিয়ে  দিচ্ছেন মিলির গলায়। অর্থাৎ পরস্পরের মধ্যে প্রেম আছে। না সাংবাদিক মীর  সাব্বির, না নায়িকা নাদিয়া—তাঁরা কেউই জানেন না, সাবেরী আলম তাঁদের হবু  শাশুড়ি ও গর্ভধারিণী। যৌনকর্মী রাবেয়ার সাক্ষাৎকার সাংবাদিক সাব্বিরের  প্রতিবেদনের মূল বিষয়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তবে পালক বাবা চান, সত্য উন্মোচিত হোক। মায়ের সঙ্গে মিলির দেখা হোক। পরিচয়  হোক। আমরা দেখি পার্কে এসে পালক বাবা ও রাবেয়ার সাক্ষাৎ, মিলির ভরণ-পোষণ ও  পড়ালেখার টাকা পালক বাবার হাতে রাবেয়াকে তুলে দিতে। এটা মিলির অজানা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সত্য প্রকাশ হয়। মিলি জানতে পারেন, কে তাঁর মা। মা একজন যৌনকর্মী। তাঁর  মাথায় তো পুরো আকাশই ভেঙে পড়ার কথা। কিন্তু না। আকাশের নিচে ঘরের ছাদ ছিল  যে! পুরো আকাশটা পড়ল না। মানে, মিলির অভিনয়ে ভেঙে পড়ার সেই যন্ত্রণা আমাদের  চোখে পড়ে না। কিন্তু যতটুকু ভেঙে পড়েছিল, তা থেকে উদ্ধারের জন্য বাবা  জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় মেয়ের কাছে রাবেয়ার করুণ কাহিনি তুলে ধরেন। তাতেই কাফি।  নাটকে কত সহজ! যৌনকর্মী মাকে মেয়ে মেনে নেবেন না। সাব্বিরও যৌনকর্মী  শাশুড়িকে মেনে নেবেন না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানতেই হয়। নাটকে যা লেখা আছে।  সাবেরী আলম ও জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় অত্যন্ত দরদ দিয়ে চরিত্র দুটি ফুটিয়ে  তোলার চেষ্টা করেছেন। তুলনায় অভিনয়-দক্ষতায় নাদিয়া ও সাব্বির অনেকখানি  পিছিয়ে। মানস পালের কাহিনিটা মনে থাকার মতো। তবে কুশীলবদের অভিনয়-দক্ষতা  মোটেই ভালো নয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;লিটল অ্যাঞ্জেল আই অ্যাম ডায়িং&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;রূপকথার শেষ লাইনে এমনটা প্রায়ই থাকতে দেখা যায়, ‘...অতঃপর তারা  সুখে-শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিল।’ কিন্তু বাস্তব জীবন তো এমন নয়ই, ইদানীং  নাট্যকার ও পরিচালকের কারসাজিতে নাটকের পাত্রপাত্রীদের জীবনও অত্যন্ত  দুঃখময় হয়ে উঠছে। প্রেম, বিয়ে, বিরহ, মান-অভিমান, সাংসারিক জটিলতা, পরকীয়া  আর শেষে নায়কের দুরারোগ্য ক্যানসারে মৃত্যুর কারণে বড় পর্দার পাশাপাশি ছোট  পর্দার জীবনটাও আজকাল বড্ড কঠিন। এ নাটকেও তেমনই এক কঠিন জীবনের গল্প  ফেঁদেছেন নির্মাতা। যে গল্প আমাদের সবার জানা, তবু এই জানা গল্পটাই বারবার  শুনতে ইচ্ছে করে কথকগুণে। আর এ ক্ষেত্রে ওয়াহিদ তারেক বেশ ভালো কথক। তিনিই  এই নাটকের নির্মাতা। তাঁর সুন্দর নির্মাণগুণেই পুরোনো গল্প আবারও শুনতে  (পড়ুন দেখতে) বসে নাটকের পাত্রপাত্রীর দুঃখটা অনুভূত হয়েছে হূদয়ে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এটা এমনই এক গল্প, যে গল্পে জীবনটা এক ম্যাজিক। তবু এই ম্যাজিকময় জীবনে  নিজের সন্তানকে খুশি করতে নতুন নতুন ম্যাজিক শিখতে হয় বাবাকে। তারপর সে  অপেক্ষা করে। সপ্তাহের একদিন মেয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলে সেই ম্যাজিকের  গৃহপ্রদর্শনী। হ্যাঁ, সপ্তাহের এক দিনই। কারণ ওই এক দিন মেয়েকে কাছে পায়  সে। মা মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ি, তারপর নিজের ভাড়াবাড়িতে ওঠার পর বাবার গৃহে  অনেকটা বেড়াতেই আসে মেয়ে। সে বেড়ানো যতই দিন যায়, ততই আনন্দময় হয়ে ওঠে।  প্রথম প্রথম বাবাকে খুব একটা পছন্দ না হলেও ম্যাজিকের কারণে মামুখী থেকে  ধীরে ধীরে বাবামুখী হয়ে ওঠে মেয়ে। বাবার প্রতি ভালোবাসা বাড়তে থাকার সঙ্গে  সমানুপাতিক হারে বাড়তে থাকে গলার ক্যানসারে বাবার দ্রুত মৃত্যুর দিকে এগোতে  থাকা। অতঃপর নানা ঘটন-অঘনের মধ্য দিয়ে যখন মা সিদ্ধান্ত নেন, সাংসারিক কলহ  মিটিয়ে মেয়েকে নিয়ে নিজ গৃহেই ফিরে আসবে, তখন বোঝা যায় এই পরিচালক  ‘সুখে-শান্তিতে’ বিশ্বাসী নন। অতএব, জটিলতা একটা হবেই। যেমন ভাবা তেমন কাজ,   মা-মেয়ে ঘরে এসে দেখে বাবা চলে গেছে অন্য এক জগতে। দুঃখটা এখানে নয়,  অন্যখানে। যখন             দেখা যায়, ক্যানসারের কারণে বাকশক্তি হারিয়ে  ফোনের এপাশে বসে আছেন বাবা, অন্যপাশে মা-মেয়ে। তারা জানেও না ওপাশের ওই  ভালোবাসার মানুষটির কী হয়েছে। চমৎকার এক করুণ আবহ নাটকজুড়ে। সাধারণ একটা  গল্পের পরিবেশনায় চমৎকার মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন পরিচালক। এর সঙ্গে যুক্ত  হয়েছে মৌটুসী বিশ্বাসের দুর্দান্ত অভিনয়। বাবা চরিত্রে আলিফও ভালো করেছেন।  তবে মাঝেমধ্যেই তাঁর একটু অবাবা হয়ে ওঠাকে ক্ষমা করে দেওয়া যায় শেষের দিকে  তাঁর কিছু দুর্দান্ত এক্সপ্রেশনের কারণে। ঈদে নাটকটি প্রচারিত হয়েছিল দেশ  টিভি চ্যানেলে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঈদের টিকিট&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কে না জানে, ঈদের আগে বাড়ি ফেরার বাস বা ট্রেনের টিকিট জোগাড় করা কী ঝক্কির  ব্যাপার। সদ্য প্রেমে পড়া কোনো আর্টিস্ট ছেলে যদি তার ভালো লাগা মানুষটিকে  টিকিট জোগাড় করে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে, তাহলে তা হয়ে ওঠে বাঁচা-মরার লড়াই!  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (চারুকলা) হয়ে বাসের টিকেট জোগাড় করতে পারবে  না, এ কি হতে পারে? কিন্তু হায়! আর্টিস্ট ছেলেটা জানে না, গাবতলীতে কত ধানে  কত চাল হয়। ঈদের মাসে বাস টার্মিনালে কতোটা অসহায় হতে হয় মানুষকে, তা সে  বুঝতে পারল বাস টার্মিনালে যাওয়ার পরই কেবল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কালোবাজারে টিকেট সংগ্রহ, ছিনতাইকারীর কবলে পড়া, পুলিশের সঙ্গে  কথোপকথন-বিড়ম্বনা সব মিলিয়ে কাহিনি যত এগিয়ে যেতে থাকে, ততোই দর্শকের মনে  প্রশ্ন জাগে, ওরা এবার ঈদে বাড়ি যেতে পারবে তো? শেষ পর্যন্ত অঙ্কনবিদ্যাই  সব মুশকিল আসান করে দেয়। যাত্রার দিনেও থাকে তাজ্জব হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আনিসুল হকের লেখা, সকাল আহমেদের পরিচালনায় বিটিভিতে প্রচারিত ঈদের টিকিট  নাটকটিতে হাসির খোরাক যেমন আছে, তেমনি আমাদের মাঝে ছড়িয়ে থাকা সমস্যাগুলোও  রয়েছে। তিশার অভিনয় ছিল সাবলীল। আনন্দ কিংবা শংকার প্রকাশে তা বোঝা গেছে  বেশি করে। মাহফুজ আহমেদ ভালো, তবে কখনো কখনো তাঁর অভিনয় অতি অভিনয়ের দিকে  গেছে। পুলিশ, ছিনতাইকারী কিংবা টিকেটের কালোবাজারির ভূমিকায় যারা অভিনয়  করেছেন, তারা চরিত্রের দাবি মিটিয়েছেন। নাটকটি ছিল ভাঁড়ামী-বর্জিত।  &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অরুপার জন্য&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এ নাটকে কেবলই ফ্লাশব্যাকের খেলা। জীবন ও ক্যামেরার। নাগরিকজীবনের টানাপোড়েন ফ্রেম থেকে ফ্রেমে ছড়িয়ে পড়ে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অরুপার জন্য নাটকটির কাহিনি অতি পুরোনো—প্রধান দুই চরিত্র গরিবের ছেলে আর  বড়লোকের মেয়ে। হাজার বছর ধরে চলে আসা পুরোনো কাসুন্দি। কিন্তু এই অতি  সাধারণ গল্পটিই অনন্য হয়ে ওঠে মেজবাউর রহমান সুমনের বুদ্ধির ছোঁয়ায় আর  নেহাল কোরাইশীর অসাধারণ চিত্রগ্রহণে। সব মিলিয়ে এটি ‘উৎকৃষ্ট পণ্যের’ চেয়ে  ‘উৎকৃষ্ট শিল্প’ হয়ে ওঠে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রেমিকার বিয়ে হয়েছে অন্য কোথাও। আজ রাতেই সে যাচ্ছে দেশের বাইরে। ১০  মিনিটের জন্য দেখা করার ইচ্ছায় আকুল অভি (ইন্তেখাব দিনার)। শেষ পর্যন্ত  অভির অনুরোধে রাজি হয় অরুপা (কান্তা মাসউদ)। ফ্লাশব্যাকের খেলায় দুলতে  দুলতে দুজনের দেখা হয়। কথাও হয় অল্পস্বল্প। অরুপা ‘টুকটাক’ জিনিসের একটি  গিফট প্যাকেট ধরিয়ে দেয় অভির হাতে। শেষ উপহার হিসেবে অভি নিয়ে এসেছিল  অল্পমূল্যের একটিমাত্র ফুল, যা আর অরুপাকে দেওয়া হয়ে ওঠে না, লুকিয়ে ফেলে।  এবার বিদায়। ফিরে যেতে পা বাড়ায় দুজনই। ফিরে তাকায়। দৃষ্টি-বিনিময়। আচমকা  দুর্ঘটনা (সম্ভবত গাড়িচাপা পড়ে অভি)। রক্তাক্ত হাতের ক্লোজ শট। জনতার  হট্টগোল। একটি পরিত্যক্ত ফুলে এসে ক্যামেরা ফ্রিজ হয়। নাটকের শেষ ফ্রেম। এক  গভীর শূন্যতা এসে দর্শকহূদয়ে দোলা দেয়। দর্শক হিসেবে আমার মায়া হয় অরুপার  জন্য, অভির জন্য। আসলে মায়া হয় নিজের জন্যও। মনে হয়, মানুষ তো কেবলই ভুল  মানুষ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পড়ে থাকা ছিন্ন ফুলটিই হয়ে যায় দুজনের সম্পর্কের প্রতীক। একটি সম্পর্ক এবং  একটি জীবনের সমাপন। অভির মৃত্যু হলো কি না, তা অবশ্য জানা যায় না। অথবা  জানার প্রয়োজন হয় না। ছোটগল্প হয়েই থাকে সে রহস্য। দর্শকহূদয়ে বিশাল এক  হাহাকার সৃষ্টি করে নাটকটিই শেষ হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অরুপা চরিত্রে কান্তা মাসউদ এবং অভি চরিত্রে ইন্তেখাব দিনার সাবলীল ও  প্রাণবন্ত অভিনয় করেছেন। কাহিনি, চিত্রনাট্য, সম্পাদনা ও পরিচালনা—চারটি  কাজই নিখুঁতভাবে করেছেন মেজবাউর রহমান সুমন। তাঁকে অভিবাদন। নাটকটি  প্রচারিত হয়েছে এনটিভিতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;জিনের বাদশা সরফরাজ&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ছিলেন বাদশা। বনে গেলেন ‘হুকুমের গোলাম’। ষড়যন্ত্রকারীদের পাল্লায়  পড়ে  প্রদীপের ভেতর বন্দী হয়ে আছেন জিনের বাদশা সরফরাজ। মানসম্মান যাকে বলে,  একদম ধুলোয় গড়াগড়ি। প্রদীপের মালিকের হুকুম তামিল না করে কোনো উপায় নেই  সরফরাজের। বড়সড় ভজকটটা বাধল তখনই, যখন প্রদীপ গিয়ে পড়ল তিন দুষ্ট লোকের  হাতে। প্রদীপে ঘষা দিয়ে সরফরাজকে হাজির করেই তাদের পয়লা আদেশ—বাংলাদেশ  ব্যাংকের ভল্ট থেকে সব টাকা এনে দেওয়া চাই। কিন্তু সরফরাজ হাজার হলেও বাদশা  মানুষ। এমন মহা অন্যায় তিনি করেন কী করে?  মহা কেলেংকারি! স্রেফ ভাগ্যের  জোরে সে যাত্রা তিন বদমাশের কাছ থেকে প্রদীপটা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান  সরফরাজ। পাকেচক্রে সেই প্রদীপ গিয়ে পড়ল ছোট্ট মিতু আর তার সঙ্গীদের হাতে।  এদিকে তিন পাঁজির পা ঝাড়া কিন্তু প্রদীপের আশা ছাড়েনি। সরফরাজকে বাগে আনার  জন্য ভয়ংকর সব ফন্দি আঁটতে থাকে তারা। এরপর কীভাবে সরফরাজ মুক্তি পেলেন  প্রদীপের অভিশাপ থেকে—এই নিয়ে নাটকের বাকি কাহিনি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;টেলিভিশনে এই এক ঈদে নাটকের সংখ্যা গুনে শেষ করা মুশকিল। কিন্তু এত সবের  ফাঁকে বাচ্চাদের মুগ্ধ করার মতো অনুষ্ঠান কই? ‘শিশুতোষ’ অনুষ্ঠান আর  শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান যে এক নয়, সেটা আমাদের অনেক চ্যানেলকর্তাদের  কাছেই সম্ভবত অদ্যাবধি পরিষ্কার নয়। নয়া জামা-ফ্রক গায়ে, জড়সড় হয়ে দাঁড়িয়ে,  এপাশ-ওপাশ দুলে দুলে একটা গান। শিশুদের আনন্দ দেওয়ার আয়োজন বলতে কেবল এই?  বড়রা শিশুদের বোকা ভাবতে পারেন। কিন্তু আদতে তো তা নয়। নয় বলেই হয়তো  ভিনদেশি হ্যারি পটার, লর্ড অব দ্য রিংস কিংবা শ্রেক বলতে বাচ্চারা অজ্ঞান।  মুহম্মদ জাফর ইকবালের রচনা এবং মোরশেদুল ইসলামের পরিচালনায় এনটিভিতে  প্রচারিত জিনের বাদশা সরফরাজ সেদিক থেকে আলাদা। সেই পুরোনো প্রদীপের কাহিনি  ঘিরে হলেও গল্পটা বেজায় অভিনব। যথেষ্ট উত্তেজনা আছে। আছে মজার উপাদানও।  তিন শিশু অভিনেতাকেই মনে হয়েছে সম্ভাবনাময় আর চটপটে। জিনের বাদশার বেশে  আহমেদ রুবেল বেশ মানিয়ে গেছেন। তবে সেরা অভিনয়টা করেছেন ফককু আর বদি  চরিত্রের দুই অভিনেতা। বিশেষ করে মাথায় মোরগঝুঁটি বাঁধা অভিনেতা দুর্দান্ত।  নাটকের শেষের একটা মজার দৃশ্য দিয়ে শেষ করি। অপকর্মের শাস্তিস্বরূপ তিন  বজ্জাতকে গাছের মগডালে ঝুলিয়ে রেখে গেছেন জিনের বাদশা সরফরাজ। এই অতীব  বিচিত্র ঘটনা দেখতে মহা উৎসাহে জড়ো হয়েছে আমজনতা। দারুণ!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অনাকাঙ্ক্ষিত&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমি ‘মেসেজ’সম্পন্ন ছবি তৈরিতে আগ্রহী নই।...চলচ্চিত্র আসলে এর চেয়েও অনেক  বেশি কিছু— অ্যাপিচাটপং ভিরাসেথাকুল (কান চলচ্চিত্র উৎসবে স্বর্ণ পামজয়ী  থাই পরিচালক) সদাচরণ আর পরোপকারিতার কোনো বিকল্প নেই। এই মহান উপদেশবাণী মাথায় রেখেই এক  অর্থে পুরো নাটক। এটিএন বাংলায় প্রচারিত মাসুম রেজার লেখা সৈয়দ আওলাদের  তৈরি নাটক অনাকাঙ্ক্ষিত।  নাট্যকারের (তৌকীর আহমেদ) মুখেই গল্পটা শুনিয়ে  ‘নাটকের মধ্যে নাটক’-এর মতো করে শুরুটা অভিনব করার চেষ্টা আছে বটে। কিন্তু  সেই চেষ্টা মোটেও মনে দাগ কাটে না পুরো ব্যাপারটা ‘অভিনয় অভিনয়’ খেলা মনে  হওয়ার কারণে। নাটকের তিন অভিনেতার (আবুল হায়াত, তৌকীর আহমেদ, তারিন) তিনজনই  অভিনয় করেছেন দ্বৈত ভূমিকায়। ছোট করে গল্পটা বলি—&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্ত্রী (তারিন) অসুস্থ। চিকিৎসক অস্ত্রোপচার করার পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে  টাকা-পয়সার জোগাড়যন্তর নেই কোনো। সব মিলিয়ে মন-মেজাজ খুব খারাপ স্বামীর  (তৌকীর)। এর মধ্যে শুরু হয়েছে পাশের বাড়ির প্রবীণ ভদ্রলোকের উৎপাত। দুটো  কাঁচামরিচ কিংবা সিগারেট ধার করার মতো নানা অছিলায় খানিক পরপরই দোরঘণ্টি  বাজিয়ে চলেছেন তিনি। স্বামী বেচারা বিরক্তির একশেষ। কিন্তু স্ত্রীর  সুপরামর্শে হাসিমুখে এই অত্যাচার মেনে নেন স্বামী। শেষ পর্যন্ত এই চূড়ান্ত  ভদ্র ব্যবহারেরই দারুণ একটা পুরস্কার মেলে। লটারিতে ৩০ লাখ টাকা পুরস্কার  জেতেন প্রবীণ ভদ্রলোক। সেখান থেকে এক লাখ টাকা তিনি সামান্য ‘সিগারেট’-এর  প্রতিদান হিসেবে তুলে দেন স্বামীর হাতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বহু পুরোনো সেই ঈশপের গল্পের ঢঙে শেষতক একটি বিশেষ মর্ম বা উপদেশবাণী তুলে  ধরতে পারাটাই কি টিভি নাটক বা চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সার্থকতা? মনে হয় না।  সবচেয়ে নবীনতম শিল্পমাধ্যম হিসেবে পরিচিত চলচ্চিত্র এর মধ্যে এগিয়ে গেছে  অনেক দূর। পথনাটক বা মঞ্চনাটক থেকে টিভি বা চলচ্চিত্রের ফারাকটাও তাই এখন  বেজায় বড়। কেবল ‘মেসেজ’সম্পন্ন টিভিনাটক তৈরি করে আত্মতুষ্টিতে ভোগার দিনও  তাই সম্ভবত ফুরোতে চলল। নাটকটা তার পরও অনেকের ভালো লাগতেই পারে। আবুল  হায়াত পরিচালকের চরিত্রে মানানসই না হলেও পাশের বাসার প্রবীণ ভদ্রলোক  হিসেবে তাঁর জায়গা থেকে সফল। আর ‘মেসেজ’সম্পন্ন নাটকের ভক্ত যাঁরা, তাঁরা  হয়তো এই নাটক ‘মিস’ করতে চাইবেন না কিছুতেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ব্রেকিং নিউজ&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর প্রতিটি সরাসরি অনুষ্ঠানে সাধারণত বিভিন্ন  সাংস্কৃতিক, সামাজিক ব্যক্তিত্বকে হাজির করা হয়। তবে এ ধরনের অনুষ্ঠানে  দর্শকের সরাসরি ফোনে অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থারও অবতারণা হয়। ঈদে আরটিভিতে  প্রচারিত ইফতেখার আহমেদ ফাহমির রচনা ও পরিচালনায় ব্রেকিং নিউজ নাটকটি দেখতে  বসে মনে হলো, এটি সেই ভাবনারই অংশ। যদিও হিন্দি নায়ক ছবির (অনিল কাপুর,  অমরেশ পুরী, রানি মুখার্জি অভিনীত) প্রেক্ষাপটও অনেকটাই এ রকম। ওই ছবিতে  অনিল কাপুর একজন টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক। তিনি একটি সরাসরি অনুষ্ঠানে  ভারতের মুখ্যমন্ত্রী অমরেশ পুরীর মুখোমুখি হন। মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন  দুর্নীতির চিত্রও জনগণের সামনে তুলে ধরেন। চিন্তাভাবনার দিক থেকে হিন্দি  চলচ্চিত্র নায়ক এবং নাটক ব্রেকিং নিউজ-এ অনেকটা সাদৃশ্য থাকলেও গল্প বলার  ধরন ছিল পুরোপুরি আলাদা। তাই ফাহমিকে নকলের দায় থেকে মুক্ত করে ব্রেকিং  নিউজ-এ যাই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সমাজসেবক তোজাম্মেল হোসেন একটি টিভি চ্যানেলের সরাসরি অনুষ্ঠান  ‘তারকালাপ’-এ আসেন। সঞ্চালক বিন্দুর মুখোমুখি হন। বিভিন্ন সামাজিক  কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান থাকা সত্ত্বেও তিনি পর্দার আড়ালেই ছিলেন এত দিন।  এবারই প্রথম তিনি দর্শকের সামনে হাজির হয়েছেন। আর তাতেই যেন বিপত্তি ঘটল।  বাচ্চু নামের একজন দর্শক সরাসরি ফোন করে নাটকীয়ভাবে মোজাম্মেল হোসেনের  মুখোশ উন্মোচন করে দিলেন। বাচ্চুর মতো আরও কয়েকজন ভুক্তভোগীও ফোনে তাঁদের  অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। দর্শক জানতে পারল, সমাজসেবকের আড়ালে এই মোজাম্মেল  একজন আদম ব্যবসায়ী ও প্রতারক।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মোজাম্মেল হোসেনের চরিত্রে শহীদুজ্জামান সেলিম, সঞ্চালক বিন্দু ও বাচ্চু  চরিত্রে আ খ ম হাসান দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন। প্রযোজকের ভূমিকায় সংগীত  পরিচালক ফুয়াদকেও বেশ মানিয়ে গেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ইনডোর দৃশ্যে উতরে গেলেও আউটডোর দৃশ্যায়নে ক্যামেরার কাজ কখনো কখনো দুর্বল মনে হয়েছে। আবহসংগীত ভালো হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কাঁটা&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শহীদুল জহিরের কাঁটা গল্পটির রহস্যময়তা ছড়িয়ে ছিল পুরো নাটকে। একই নামের এ  নাটকটি তৈরি করেছেন অনিমেষ আইচ। পুরান ঢাকার একটি গলিতে (শহীদুল জহিরের  লেখায় সেটা ভজহরি সাহা স্ট্রিট বা ভূতের গলি) কিছু রহস্যময় ঘটনার বয়ান এই  নাটক। এই গলির বাসিন্দারা মনে করে, তারা একটি চক্রাবর্তের ভেতর আটকা পড়ে  গেছে। গল্পে আছে একাত্তর, আছে বাবরি মসজিদ ভাঙার ঢেউয়ে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া  সহিংসতা। আর আছে ২০১০। এই সালটির কোনো নির্দিষ্ট মানে নেই, সেটা ২০২০ হতে  পারে, হতে পারে ২০৩০ কিংবা অন্য কোনো সাল। এটা শুধু মনে করিয়ে দেওয়া, একই  ঘটনা ঘটতে পারে যেকোনো সময়ই। সচেতন না হলে বাছবিচারহীন হয়ে নৃশংসভাবে  মনুষ্য-নিধনের ব্যাপারটি মুড়ি-মুড়কি খাওয়ার মতো ব্যাপারে পরিণত হতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পুরান ঢাকার একটি গলিতে রাজাকারদের  লম্ফঝম্ফ ফুটিয়ে তুলেছেন অনিমেষ। এখানে ইমাম হিসেবে মামুনুর রশীদের  অতি-অভিনয় করার যথেষ্ট সুযোগ ছিল, কিন্তু সে লোভ সামলেছেন বলে ধন্যবাদ পেতে  পারেন তিনি। কুলসুম নামের মেয়েটি, যে কিনা এই গলির প্রথম শহীদ, তাঁর  পরিচিতি দিতে গিয়ে গল্পকার বলেছেন, ‘প্রায় স্বাধীন নারী এবং তার বয়স ছিল  চলতে-ফিরতে ছলকানোর মতো।’ অনিমেষ অবিকল সেই মেয়েটিকেই এনে হাজির করেছেন  তাঁর নাটকে। ভালো অভিনয় করেছে মেয়েটি। তবে রাজাকারদের কান ধরে দাঁড় করিয়ে  রাখার সময় মুখে চামচ রেখে সেই চামচে মার্বেল দেওয়ার (সেই মার্বেলও একালের  প্লাস্টিকের মার্বেল, মোটেই ‘গুল্লি’ খেলার মার্বেল নয়) বিষয়টিতে হাস্যরস  হয়তো আছে, কিন্তু তা বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে। রাজাকারদের নিষ্ঠুরতার  বিপরীতে তাদের নিয়ে রসিকতা কতটা যৌক্তিক, তা ভেবে দেখা উচিত মুক্তিযুদ্ধ  নিয়ে কাজ করছেন বা করবেন এমন নির্দেশকদের। এ ধরনের দৃশ্য নির্দেশকের  পরিমিতিবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পুরান ঢাকার আবহটি চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন অনিমেষ আইচ। স্বপ্নার ভূমিকায়  অভিনয় করা মেয়েটির চোখে-মুখে ফুটে ওঠা অসহায়ত্ব, আতঙ্ক প্রাণ ছুঁয়ে যায়।  শহীদুজ্জামান সেলিম ও মোশাররফ করিম তাঁদের অভিনয়ে সাবলীল। পাকিস্তানি সেনা,  রাজাকারদের দাপটে অসহায় সাধারণ মানুষের ভয়ার্ত চেহারা, স্বাধীন দেশেও  সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে উসকে দেওয়ার ভাষায়  তৃপ্ত হয় দর্শকমন। তবে বাবরি মসজিদ ভাঙার পর সুবোধ (মোশাররফ করিম) মিষ্টি  কিনে এনেছেন এবং মনের সুখে খেয়েছেন, এ রকম একটি ঘটনা গল্পে ছিল, যার কোনো  শক্তিমান কথক ছিল না, বাড়ির চাকরবাকরদের কারও মুখ থেকে শোনা এ ঘটনার রেশ  ধরে সুবোধের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া—এ বিষয়টি নাটকে থাকলে ভালো হতো বলে মনে হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;তার পরও বলতে হবে, নাটকের কোনো চরিত্রকেই হেলাফেলা করেননি নির্দেশক। ঢাকাইয়া ভাষার প্রতি বিশ্বস্ত থেকেছেন অভিনয়শিল্পীরা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;যে নাটক শেষ হলেই ভুলে যাওয়া যায়, এবার ঈদে দেশ টিভিতে প্রচারিত কাঁটা ঠিক  সে ধরনের নাটক নয়। নাটক শেষ হওয়ার পরও তার অনুরণন নিবিড়ভাবে প্রচ্ছন্ন থাকে  মনে। অনিমেষ আইচ সেই আবহ সৃষ্টি করতে পেরেছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;হারানো সুর&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ফজলুর রহমান বাবু পেশায় কুমার। আবার বাঁশের বাঁশিও তৈরি করেন। বাঁশি বাজানও  তিনি। স্ত্রী স্বাগতার সঙ্গে অম্লমধুর সম্পর্কটা বোঝা যায়। তবে সংসারের  আয়ের জন্য তেমন কিছু করেন না বাবু, তা নিয়ে ক্ষোভ স্বাগতার মনে। আবার বাবুর  বাঁশির সুর তাকে টানেও বেশ। এভাবেই এগিয়ে চলে চ্যানেল আইতে প্রচারিত  হারানো সুর নাটকটি। একদিন বাবুর এক বন্ধু আ খ ম হাসান আসে বাড়িতে। বন্ধুটিও  বাঁশি বাজায়। বাবু বাড়ি নেই, বন্ধু বাঁশি বাজাচ্ছে—স্বাগতা তার মধ্যে  দেখতে পায় কৃষ্ণের রূপ। তার কাঁধে মাথা রাখে। ভুল বুঝে হাসান স্বাগতার ওপর  জোর খাটাতে চায়। স্বাগতা দা দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় হাসানকে। বাড়ির উঠোনে চলে  আসা মা রানি সরকারকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। এরপর একদিন স্বামীকে জানায়, সে  চলে যাবে তীর্থে। বাবু বাজাতে থাকেন বাঁশি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;গিয়াসউদ্দিন সেলিমের হারানো সুর নাটকে আলো-আঁধারির চিত্রায়ণ চোখে পড়ার মতো।  চমৎকার কিছু দৃশ্যায়ন দেখা গেছে নাটকটিতে। তবে মাঝেমধ্যেই কুমার পরিবারে  বা অন্যদের প্রমিত বাংলার সংলাপ কানে লাগে। স্বাগতার রূপসজ্জাও দু-এক  জায়গায় চরিত্রের সঙ্গে মানায় না। বাঁশি দিয়ে শুরু, বাঁশি দিয়েই শেষ হয়  নাটক। বাঁশিতেই যেন বেজে ওঠে হারানো সুর।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-5212444902775031030?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5212444902775031030'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5212444902775031030'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/09/blog-post.html' title='ঈদের কিছু নাটক ২০১০'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7184601347948769581</id><published>2010-08-01T20:49:00.000-07:00</published><updated>2010-08-01T20:49:29.509-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বিজ্ঞান প্রজন্ন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='তথ্যপ্রযুক্তি'/><title type='text'>ভারতে সপ্তম প্রজন্মের সুপার কম্পিউটার তৈরি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;'অন্নপূর্ণা' নামের সপ্তম প্রজন্মের সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে ভারত। সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে এই সুপার কম্পিউটারটি তৈরি করেছে চেন্নাইয়ের দ্য ইনস্টিটিউট অব ম্যাথমেটিক্যাল সায়েন্সেস (আইএমএসসি)। ভারতের আণবিক কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে সুপার কম্পিউটারটি উদ্বোধন করেন। ১.৫ টেরাবাইট মেমোরি এবং ৩০ টেরাবাইট ধারণক্ষমতার সুপার কম্পিউটারটি আইএমএসসি'র বিভিন্ন ধরনের বায়োলজিক্যাল গবেষণার জন্য ব্যবহার করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;সৌজন্যে : &lt;a href="http://www.mediafirebd.com/"&gt;দৈনিক কালের কণ্ঠ&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7184601347948769581?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7184601347948769581'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7184601347948769581'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/08/blog-post_6676.html' title='ভারতে সপ্তম প্রজন্মের সুপার কম্পিউটার তৈরি'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-8124138932608888579</id><published>2010-08-01T20:47:00.000-07:00</published><updated>2010-08-01T20:47:33.553-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সিকিউরিটি/হ্যাকিং'/><title type='text'>হ্যাকারদের লক্ষ্য এবার স্মার্টফোন</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;কম্পিউটারের চেয়ে এবার স্মার্টফোন হ্যাকিংয়ে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে হ্যাকাররা। আর এ কারণেই সারা বিশ্বে বাড়ছে স্মার্টফোন হ্যাকিং, জানিয়েছে মোবাইল নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান লুক আউট। লুক আউটের প্রতিষ্ঠাতা জন হেরিগ জানান, হ্যাকাররা ব্যাংক ও ক্রেডিট কার্ডের তথ্যসহ ব্যক্তিগত তথ্যাদি নেওয়ার জন্যই সাইবার আক্রমণ চালায়। ব্যবহারকারীরা বর্তমানে এসব তথ্য কম্পিউটারে রাখার চেয়ে স্মার্টফোনেই বেশি রাখছে। আর এ কারণেই হ্যাকাররাও তাদের লক্ষ্য বদল করেছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়িয়ে হ্যাক করার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় বেশি প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছে হ্যাকাররা। অন্যদিকে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা হ্যাকিং সম্পর্কে তেমন সচেতন না হওয়ায় খুব সহজেই হ্যাকাররা স্মার্টফোন হ্যাক করতে পারছে। এ ছাড়া বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার ফলেও ব্যবহারকারীদের হ্যান্ডসেটের গোপন তথ্য চলে যাচ্ছে হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে। বিশ্বাসযোগ্য ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনো সাইট থেকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর বলে জানিয়েছে লুক আউট।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;সৌজন্যে : &lt;a href="http://www.mediafirebd.com/"&gt;দৈনিক কালের কণ্ঠ&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-8124138932608888579?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8124138932608888579'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8124138932608888579'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/08/blog-post_3756.html' title='হ্যাকারদের লক্ষ্য এবার স্মার্টফোন'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-8693591505339041554</id><published>2010-08-01T20:44:00.000-07:00</published><updated>2010-08-01T20:44:18.172-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিউজ'/><title type='text'>ইউটিউব ভিডিও আপলোডের সময় বাড়ল</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;ইউটিউবে ভিডিও আপলোডের সময় আরো পাঁচ মিনিট বৃদ্ধি করেছে কর্তৃপক্ষ। ফলে ব্যবহারকারীরা এখন সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সময়ের ভিডিও আপলোড করতে পারবেন। এতদিন ইউটিউব ব্যবহারকারীরা ১০ মিনিট দৈর্ঘ্যের ভিডিও আপলোড করতে পারতেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নতুন এ সুবিধা চালু করে ইউটিউবের পণ্য ব্যবস্থাপক জশুয়া সায়গল বলেন, 'অনেক দিন ধরেই ব্যবহারকারীরা ইউটিউবে দীর্ঘ ভিডিও আপলোডের সুযোগ দেয়ার দাবি করে আসছিলেন। কারিগরি কারণে আমরা এটা করতে পারিনি। কিন্তু বর্তমানে আমরা আমাদের কারিগরি সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠেছি।'&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কম্পিউটারবিজ্ঞানী জাভেদ করিম এবং তাঁর দুই বন্ধু মিলে ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব তৈরি করেছিলেন। ২০০৬ সালে ১৬৫ কোটি ডলারের বিনিময়ে এটি কিনে নেয় গুগল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;সৌজন্যে : &lt;a href="http://www.mediafirebd.com/"&gt;দৈনিক কালের কণ্ঠ&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-8693591505339041554?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8693591505339041554'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8693591505339041554'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/08/blog-post_01.html' title='ইউটিউব ভিডিও আপলোডের সময় বাড়ল'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-6605399643749962955</id><published>2010-08-01T20:29:00.000-07:00</published><updated>2010-08-01T20:30:33.130-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্যারিয়ার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তির খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিবেদন'/><title type='text'>অস্ট্রেলিয়ায় ছয় প্রোগ্রামারের সাফল্য</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া প্রাদেশিক সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সৃজনশীল সফটওয়্যার তৈরির প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী ছয়জন বাংলাদেশি প্রোগ্রামার। ‘অ্যাপ মাই স্ট্যাট’ নামের এ প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি তথ্যভান্ডারকে কাজে লাগিয়ে জনসাধারণের প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডের সহযোগী অথবা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে সহায়ক সৃজনশীল সফটওয়্যার তৈরি করা। বাংলাদেশি ছয়জন প্রোগ্রামার শহীদ, শায়লা, রুনা, কামরুল, তানভীর ও সৈকতের তৈরি ‘রিমাইন্ড এনিওয়ে (আরএডব্লিউ—র)’ নামের সফটওয়্যারটি জিতে নেয় সেরার পুরস্কার। ছয়টি মূল বিভাগের মধ্যে জনপ্রিয় (পপুলার চয়েস) বিভাগে পুরস্কার জিতেছে আরএডব্লিউ সফটওয়্যারটি। মেলবোর্নে চূড়ান্ত পর্বের অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার হিসেবে দলটি পেয়েছে ১০ হাজার ডলার পুরস্কার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;পুরস্কারজয়ী প্রোগ্রামাররা ই-মেইলে প্রথম আলোকে জানান, মোবাইল ফোনের জন্য গুগলের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডে ব্যবহার উপযোগী এ সফটওয়্যার প্রাত্যহিক নানা ধরনের কাজকে অনেক সহজ করে দেবে। নির্মাতারা সফটওয়্যারটিতে ভিক্টোরিয়া এলাকার সব স্থাপনাকে আরএডব্লিউর সার্ভারে রেখেছেন, যাতে মোবাইলের গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের (জিপিএস) মাধ্যমে তালিকা অনুযায়ী কাজের অনুসন্ধানও পাওয়া যাবে। এমন সব সুবিধা দেখে প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন সফটওয়্যারের মধ্যে সেরা নির্বাচিত হয়েছে আরএডব্লিউ সফটওয়্যারটি। ভবিষ্যতে জনপ্রিয় গুগল ক্যালেন্ডারের সঙ্গে আরএডব্লিউর সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানা যাবে&lt;/span&gt; www.premier.vic.gov.au/app-my-state &lt;span style="font-size: large;"&gt;ওয়েবসাইটে এবং সফটওয়্যারের বিস্তারিত&lt;/span&gt; www.remindanyway.com &lt;span style="font-size: large;"&gt;ঠিকানায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : &lt;a href="http://www.mediafirebd.com/"&gt;দৈনিক প্রথম আলো&lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-6605399643749962955?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6605399643749962955'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6605399643749962955'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/08/blog-post.html' title='অস্ট্রেলিয়ায় ছয় প্রোগ্রামারের সাফল্য'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-6980824358861137645</id><published>2010-07-31T01:15:00.000-07:00</published><updated>2010-07-31T01:30:48.873-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তির খবর'/><title type='text'>১০ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য প্রকাশ!</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রায় ১০ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়েছে। রন বোয়েলস নামে একজন অনলাইন নিরাপত্তা পরামর্শক এসব ছবি ও তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি এসব ব্যবহারকারীর ফেসবুক প্রোফাইল স্ক্যান করতে ও তথ্য সংগ্রহ করতে একটি বিশেষ সংকেত ব্যবহার করেছেন। তবে বোয়েলস সেসব গ্রাহকের তথ্য ও ছবি প্রকাশ করেছেন, যারা তাদের তথ্য প্রাইভেসি সেটিং ব্যবহার করে লুকিয়ে রাখেননি। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য সাধারণত অন্য কেউ দেখতে পারেন না। কেউ যদি চান তবেই অন্যরা তাঁর তথ্য ও ছবি দেখতে পারেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt; &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এখন ১০ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর বিস্তারিত তথ্য ও ছবি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফাইল আদান-প্রদান করার ওয়েবসাইট পাইরেট বেতে দেখা যাচ্ছে। এদিকে ওয়াচডগ প্রাইভেসি ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তা সিমন ডেভিস জানান, এ রকম ঘটনা ঘটতে পারে বলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আগেভাগেই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিল। কিন্তু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেও তারা প্রতিরোধমূলক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ডেভিস বলেন, ‘প্রাইভেসি সেটিংয়ের বিষয়টি অনেকেই জানেন না। অনেকে জানলেও এর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন নয়। কাজেই এভাবে গ্রাহকদের তথ্য ও ছবি ফাঁস করাটা ঠিক হয়নি। বিষয়টি গ্রাহকেরা ভালোভাবে নেবে না বলেই আমি মনে করছি। এটা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মারাত্মক লঙ্ঘন হয়েছে।’ &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;সৌজন্যে : &lt;a href="http://www.mediafirebd.com/"&gt;দৈনিক কালের কণ্ঠ&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-6980824358861137645?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6980824358861137645'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6980824358861137645'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/07/blog-post.html' title='১০ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য প্রকাশ!'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-3470001495206491735</id><published>2010-06-09T18:25:00.000-07:00</published><updated>2010-06-09T18:25:15.773-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিবেদন'/><title type='text'>বিশ্বকাপ উপলক্ষে ইয়াহুর সঙ্গে বেকহামের চুক্তি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিশ্বকাপ খেলতে না পারলেও বিশ্বকাপ ফুটবলের সংবাদ দিতে ইয়াহুর সঙ্গে চুক্তি করেছে ডেভিড বেকহাম। ইংল্যান্ড দলের এই তারকা ফুটবলার চুক্তি অনুযায়ী বিশ্বকাপ ফুটবলবিষয়ক তাঁর মতামত, চিন্তা-ভাবনা ও অনুভূতির কথা লিখবেন ইয়াহুর স্পোর্টস বিভাগের 'ডেভিড বেকহাম চ্যানেলে'। ইয়াহুর সঙ্গে ডেভিড বেকহামের চুক্তির উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইয়াহুর বিপণন বিভাগের প্রধান নির্বাহী এলিসা স্টিলা জানান, 'এ আয়োজনের মাধ্যমে বেকহামের তিনটি বিশ্বকাপ এবং ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা থেকে ইয়াহু ব্যবহারকারীদের বিশ্বকাপ ফুটবলবিষয়ক তথ্য জানাতেই আমাদের এ উদ্যোগ।' বেকহাম জানান, 'ফুটবলপ্রেমীদের সঙ্গে ইয়াহু আমাকে আমার চিন্তা-ভাবনা, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করার সুযোগ করে দিয়েছে।' বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি ইয়াহুর জন্য প্রচারণাও চালাবেন ডেভিড বেকহাম।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক কালের কণ্ঠ&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-3470001495206491735?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3470001495206491735'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3470001495206491735'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/06/blog-post_1993.html' title='বিশ্বকাপ উপলক্ষে ইয়াহুর সঙ্গে বেকহামের চুক্তি'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-8496118738119779001</id><published>2010-06-09T18:23:00.000-07:00</published><updated>2010-06-09T18:23:54.282-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মোবাইল প্রযুক্তি'/><title type='text'>ভারতে চালু হচ্ছে ইউনিক মোবাইল নম্বর</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;ভারতের প্রায় ৬১ কোটি মোবাইল গ্রাহকের দীর্ঘ দিনের দাবির মুখে চালু হচ্ছে ইউনিক মোবাইল নম্বর ব্যবহারের সুবিধা। ভারতের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি বা ট্রাইয়ের চেয়ারম্যান জে এস শর্মা এ ঘোষণা দিয়েছেন। ইউনিক মোবাইল নম্বর ব্যবহারের সুযোগ চালু হলে যেকোনো মোবাইল অপারেটরের গ্রাহক তাঁর মোবাইল নম্বর এক রেখে অন্য অপারেটরের গ্রাহক হতে পারবেন। গ্রাহক যদি মনে করেন, তিনি ওই নম্বরটি সারা জীবন ব্যবহার করবেন অর্থাৎ ইউনিক নম্বর রাখবেন সেটাও করা যাবে। নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অন্য অপারেটরের গ্রাহক হওয়ার এ সুযোগ ভারতে চালু হবে সেপ্টেম্বর মাসে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বর্তমানে ভারতে ১১টি মোবাইল ফোন অপারেটর রয়েছে। দেশটির মোট জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ মানুষ এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক কালের কণ্ঠ&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-8496118738119779001?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8496118738119779001'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8496118738119779001'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/06/blog-post_4225.html' title='ভারতে চালু হচ্ছে ইউনিক মোবাইল নম্বর'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-2889787197536467398</id><published>2010-06-09T18:18:00.000-07:00</published><updated>2010-06-09T18:18:17.107-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মোবাইল প্রযুক্তি'/><title type='text'>অ্যান্ড্রোয়েড বনাম আইফোন অপারেটিং সিস্টেম</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ইন্টারনেটে তথ্য কোঁজার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুগলের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম  অ্যান্ড্রোয়েড এবং সদ্য বাজারে আসা অ্যাপলের আইফোন অপারেটিং সিস্টেমের  (আইওএস) মধ্যে কোনটি সেরা হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। পরবর্তী  প্রজন্মের আইফোন, আইপড টাচ এবং আইপ্যাডের জন্য বিশেষভাবে তৈরি আইওএস ৪ নানা  ধরনের সুবিধাসংবলিত। অন্যদিকে অ্যান্ড্রোয়েডের সর্বশেষ সংস্করণ ২.২তেও  যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন সুবিধা। এখন চলতি বাজারে সুবিধা এবং বৈশিষ্ট্যের দিক  দিয়ে কোনটি সেরা, তাই নিয়ে চলছে আলোচনা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইয়ানকি গ্রুপের পরিচালক কার্ল হাওয়ে বলেন, অ্যান্ড্রোয়েড  ২.২ আর আইওএস ৪ একই কাজ করলেও বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে এদের রয়েছে ভিন্নতা।  দুটো অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যেই রয়েছে মুক্ত সফটওয়্যারের নানা সুবিধা,  মাল্টিটাস্কিং ও ফোল্ডার সুবিধা। তবে ভিন্নতাও কম নয় দুটির মধ্যে।  অ্যান্ড্রোয়েড সিস্টেম এইচটিএমএল৫ সুবিধা সমর্থন করলেও আইওএস তা করে না।  তবে আইওএস ৪-এ রয়েছে ফেইসটাইম বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ভিডিও চ্যাটের সুবিধা,  যা অ্যান্ড্রোয়েডে নেই। স্মার্টফোনের বাজারে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ব্ল্যাকবেরি,  যার বাজার অংশীদারিত্ব ৩৫ শতাংশ। এরপরই রয়েছে আইফোন ২৮ এবং অ্যান্ড্রোয়েড  সমর্থিত স্মার্টফোন নয় শতাংশ। আইফোন বিশ্বব্যাপী চলতি বছরে প্রায় চার কোটি  এবং আগামী বছর পাঁচ কোটি বিক্রির লক্ষ্য নিয়েছে, যেখানে অ্যান্ড্রোয়েড  চালিত ফোন চলতি বছরে এক কোটি ৩৮ লাখ এবং আগামী বছর দুই কোটি ৫০ লাখ বিক্রির  লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-2889787197536467398?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2889787197536467398'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2889787197536467398'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/06/blog-post_09.html' title='অ্যান্ড্রোয়েড বনাম আইফোন অপারেটিং সিস্টেম'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7000709129511728059</id><published>2010-06-08T22:05:00.000-07:00</published><updated>2010-06-08T22:05:11.583-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টিপস এন্ড ট্রিকস'/><title type='text'>উইন্ডোজ ভিসতা ও সেভেনের স্টার্ট মেনুতে রান</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন অপারেটিং সিস্টেমে স্টার্ট মেনুতে রান  অপশন থাকে না। উইন্ডোজ সেভেন এবং ভিসতার স্টার্ট মেনুতে রান অপশন যোগ করতে  কি-বোর্ড থেকে&lt;/span&gt; Windows key &lt;span style="font-size: large;"&gt;চেপে রেখে&lt;/span&gt; R &lt;span style="font-size: large;"&gt;চাপুন।এখন রান অপশন আসবে। এখানে&lt;/span&gt;  gpedit.msc &lt;span style="font-size: large;"&gt;লিখে ইন্টার চাপুন। এখন&lt;/span&gt; User Configuration /Administrator  Templates &lt;span style="font-size: large;"&gt;অপশনে যান।&lt;/span&gt; Start Menu and taskbar&lt;span style="font-size: large;"&gt; অপশনে ক্লিক করুন।এখন ডানে  সবার নিচে&lt;/span&gt; Add the Run command to the Start Menu &lt;span style="font-size: large;"&gt;অপশনে ডান ক্লিক করে&lt;/span&gt;  Properties-&lt;span style="font-size: large;"&gt;এ যান। এখন অপশনটি &lt;/span&gt;Enable &lt;span style="font-size: large;"&gt;করে&lt;/span&gt; Ok &lt;span style="font-size: large;"&gt; দিন। এর পর থেকে স্টার্ট  মেনুতে গেলে রান অপশন পাবেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7000709129511728059?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7000709129511728059'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7000709129511728059'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/06/blog-post_08.html' title='উইন্ডোজ ভিসতা ও সেভেনের স্টার্ট মেনুতে রান'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7672652769864705249</id><published>2010-06-08T22:00:00.001-07:00</published><updated>2010-06-08T22:06:52.338-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মোবাইল প্রযুক্তি'/><title type='text'>নতুন ডিজাইনের আইফোন</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://cdn.venturebeat.com/wp-content/uploads/2009/02/iphone4.png" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://cdn.venturebeat.com/wp-content/uploads/2009/02/iphone4.png" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;অ্যাপলের জনপ্রিয় স্পর্শকাতর মোবাইল ফোন আইফোনের নতুন মডেল উন্মুুক্ত  হয়েছে। সম্প্রতি অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী স্টিভ জবস আইফোন-৪ নামের নতুন  ডিজাইনের মোবাইল ফোনটি বাজারে আসার ঘোষণা দেন। নতুন ডিজাইনের এ আইফোনে  রয়েছে স্টেইনলেস স্টিলের বাক্স, সামনে ও পেছনে দুটি ক্যামেরা আর ডিসপ্লে  পর্দা আগের চেয়ে প্রায় শতকরা ২৪ ভাগ পাতলা। নতুন এ ফোনটি আইফোনের আগের  ডিজাইনের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে। তবে গবেষকদের মতে, আইফোনের জনপ্রিয়তা কিছুটা  কমছে; যার অন্যতম কারণ হচ্ছে, আইফোনের প্রোগ্রাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে  অ্যাপলের কঠিন নিয়ন্ত্রণ-পদ্ধতি। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সম্প্রতি অ্যাপল সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডেভেলপারস সম্মেলনে এ  নিয়ন্ত্রণের কথা জানায়। চলতি মাসের ২৪ তারিখে আইফোনের নতুন এ ডিজাইন পাওয়া  যাবে। যুক্তরাষ্ট্রে ৩২ গিগাবাইটের মডেলের দাম হবে ২৯৯ ডলার এবং ১৬  গিগাবাইটের মডেলের দাম ১৯৯ ডলার হবে বলে জানা গেছে। নতুন মডেলের আইফোনে  যুক্ত হয়েছে নানা ধরনের নতুন বৈশিষ্ট্য। স্টিভ জবস বলেন, নতুন এ আইফোনটি  সারা বিশ্বের ব্যবহারকারীদের জন্য নানা সুবিধা নিয়ে এসেছে। এ ছাড়া এই  সংস্করণে আইফোনের আইওএস নামের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যুক্ত  হয়েছে সার্চ ইঞ্জিন বিং, গুগল আর ইয়াহু ব্যবহারের সুযোগ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান  গার্টনারের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোনের বাজারে  ব্ল্যাকবেরি ও সিমবিয়ানের পাশাপাশি শতকরা ১৫ ভাগ বাজার আইফোনের দখলে। এ  ছাড়া গুগলের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রোয়েডের শতকরা ১০ ভাগ এবং  উইন্ডোজ মোবাইলের শতকরা সাত ভাগ বাজার রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7672652769864705249?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7672652769864705249'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7672652769864705249'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/06/blog-post.html' title='নতুন ডিজাইনের আইফোন'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-636163762730478416</id><published>2010-01-14T21:05:00.000-08:00</published><updated>2010-01-14T21:13:33.105-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><title type='text'>পাঠ্যবই এবার ইন্টারনেটে</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="http://www.prothom-alo.com/resize/maxDim/460x1000/img/uploads/media/2010-01-14-16-21-32-025296400-internet.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="243" src="http://www.prothom-alo.com/resize/maxDim/460x1000/img/uploads/media/2010-01-14-16-21-32-025296400-internet.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ইন্টারনেটে ডিজিটাল বইয়ের ধারণা সারা বিশ্বে বেশ জনপ্রিয় অনেক দিন থেকেই। বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকেই এমন বই পেতে পারে গ্রাহকেরা। সহজ এই সুবিধার ফলে ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে ডিজিটাল গ্রন্থাগার, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ। আমাদের দেশে ডিজিটাল বই সহজলভ্য নয়। তবে এবার খুব ভালো একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম সপ্তাহেই জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের (প্রথম থেকে নবম শ্রেণী) পাঠ্যবইগুলোকে ডিজিটাল করে ইন্টারনেটে প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো মুদ্রিত বইগুলোর মতোই ডিজিটাল সংস্করণ এখন বিনা মূল্যে ইন্টারনেটে পাওয়া যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠ্যবই&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রতিবছরের শুরুতেই নতুন বইয়ের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রচণ্ড আগ্রহ দেখা যায়। বছরের শুরুতে মুদ্রিত বই সব শিক্ষার্থীর হাতে পৌঁছে দেওয়া বেশিরভাগ সময়ই সম্ভব হয় না।আর দেশের শিক্ষার্থীরা নতুন বছরে নতুন শ্রেণীর বই পেলেও প্রবাসী বাঙালিরা এ সুবিধা সহজে পায় না।বইগুলোকে ডিজিটাল করার ফলে সেই সুবিধা এখন হাতের নাগালে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এনসিটিবির চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন এ ব্যাপারে বলেন, ‘ডিজিটাল বই হওয়ার ফলে দেশে-বিদেশে পাঠ্যবই পাওয়া এখন অনেক সহজ হবে। আগে পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাতে দেরি হতো। বিশেষ করে বিদেশে প্রবাসী শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে বেশ বেগ পেতে হতো। এখন সারা বছর ইন্টারনেটে বইগুলো থাকবে। যার যখন ইচ্ছা ইন্টারনেট থেকে বইগুলো নামিয়ে নিতে পারবে। এই পদ্ধতির ফলে অনেক ছেলেমেয়ে উপকৃত হবে।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ইন্টারনেটে ডিজিটাল বই প্রকাশ করার পরই এনসিটিবির ওয়েবসাইট ব্যবহারের হার অনেক গুণ বেড়ে গেছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, এই যে একবার ডিজিটাল বইগুলো ইন্টারনেটে রাখা হলো, এরপর শুধু নতুন সংস্করণের সময় কিছু পরিবর্তন করলেই চলবে। মূল কাজটা এবার হয়ে গেল।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রথম থেকে নবম শ্রেণীর মোট ৮৩টি বই এখন ইন্টারনেটে রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বই যুক্ত হবে। পাঠ্যবইগুলো ডিজিটাল হলেও এখন তা শুধু ইন্টারনেটে রাখা হয়েছে। সিডি আকারে এ বইগুলো প্রকাশ করার পরিকল্পনা আপাতত নেই বলে জানা গেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;যেভাবে হলো&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এবারই প্রথম প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শ্রেণীর পাঠ্যবই ইন্টারনেটে পাওয়া যাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এই ডিজিটাল বইগুলো প্রকাশ করেছে।মুদ্রিত বইকে ডিজিটাল সংস্করণে রূপান্তরের কাজটি করেছে এইচএসটিসি লিমিটেড নামের একটি দেশি প্রতিষ্ঠান। ‘২০০২ সাল থেকে আমাদের দেশে একটি ডিজিটাল গ্রন্থাগার গড়ার চিন্তা মাথায় রেখে কাজ শুরু করি। সে জন্য শুরুতে আমরা সরকারের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সব বইকে ডিজিটাল করার এই কাজটি হাতে নিই’—বললেন এইচএসটিসি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম শোয়েব চৌধুরী। প্রতিষ্ঠানটি এনসিটিবির প্রকাশিত বইয়ের হুবহু ডিজিটালসংস্করণ পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাটে (পিডিএফ) তৈরি করা হচ্ছে বলে জানালেন শোয়েব চৌধুরী।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;ডিজিটাল বই পাওয়ার উপায়&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এনসিটিবির নিজস্ব ওয়েবসাইটে রাখা ডিজিটাল বই সহজেই নামিয়ে নেওয়া যাবে। এই বই নামিয়ে নিতে www.nctb.gov.bd ঠিকানার ওয়েবসাইটে গিয়ে টেক্সটবুক উইং নির্বাচন করতে হবে। এবার ডাউনলোড উইং থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অথবা মাধ্যমিক শিক্ষা নির্বাচন করে বিভিন্ন শ্রেণী অনুযায়ী বই নামানো যাবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিটি বই আলাদাভাবে নামিয়ে নেওয়া যাবে সহজেই। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে বইয়ে ব্যবহূত ফন্ট ও পিডিএফ সুবিধাও পাওয়া যাবে এই সাইটে। সহজে ব্যবহারের জন্য এই সাইটের ডান পাশে প্রতিটি বইয়ের প্রচ্ছদসহ রয়েছে বই নামানোর লিংক। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনে এখান থেকে বই নির্বাচন করেও নামিয়ে নিতে পারবেন। বই নামানোর ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা কিংবা পরামর্শ সাইটের ফিডব্যাক অপশনে পাঠানো যাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;ডিজিটাল বই এবং প্রত্যাশা&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;প্রথমবারের মতো ডিজিটাল বইয়ের এই প্রকাশকে বিশেষভাবে দেখছে অনেক ব্যবহারকারী। বই ইন্টারনেটে রাখার পরপরই পঞ্চম শ্রেণীতে সদ্য উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী রাকিব আহমেদ নামিয়েছে নিজের সবগুলো বই। তার বাবা রাশেদ আহমেদ পিডিএফ আকারের এই বই নামিয়ে পুরো বই আকারে বাঁধিয়েও এনেছেন। ছাপানো বইয়ের বাইরে এবারই প্রথম এ ধরনের বই পেয়ে উল্লসিত রাকিব জানাল তার ভালো লাগার কথা। নতুন শ্রেণীতে অন্য রকম নতুন বই নিয়ে সারা দিন ব্যস্ত সে—জানালেন তার মা জাহানারা বেগম। ঘরে বসেই এমন সুবিধা পেয়ে খুশি তারা। ‘ইন্টারনেটে বইগুলো রাখার পর থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় তিন-চার হাজার বই নামানো হচ্ছে।’ —জানালেন শোয়েব চৌধুরী। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটটি এত বেশিবার দেখা হচ্ছে যে, অনেক সময়ই এর গতি খুব ধীর হয়ে যায়। এনসিটিবি সূত্রে জানা যায়, ওয়েবসাইটটির গতি ঠিক রাখার জন্য ব্যান্ডউইডথবাড়ানো হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;প্রয়োজন ইন্টারনেট আর প্রশিক্ষণ&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ডিজিটাল বইকে জনপ্রিয় ও কার্যকর করতে অবকাঠামোগত সুবিধা বাড়াতে হবে—অনেকেই এমনটা মনে করেন।প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের যত বেশি ইন্টারনেটের আওতায় আনা যাবে, তত বেশি বাড়বে ডিজিটাল বইয়ের ব্যবহার। সারা বিশ্বে ডিজিটাল বই ব্যবহূত হয় নানাভাবে এবং শুধু ডিজিটাল বইয়ের জন্যও রয়েছে বেশ কিছু ডিজিটাল মাধ্যম। ডিজিটাল মাধ্যমে ডিজিটাল বইয়ের এই শুরুটা বাড়ানো যায় নানাভাবে। শুধু টেক্সট বই নয়, বরং এর সঙ্গে যুক্ত করা যায় মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তি।বর্তমানে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের সিডি কিংবা ডিভিডি ব্যবহারের মাধ্যমে শিখছে শিক্ষার্থীরা। ডিজিটাল বইয়ের এই সুবিধার সঙ্গেও এ ধরনের আয়োজন যুক্ত করা সম্ভব বলেমনে করেন সংশ্লিষ্ট অনেকে। &lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;এগিয়ে যাওয়ার পথে&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ডিজিটাল মাধ্যমে ডিজিটাল বইয়ের এই সুবিধা ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে অনেকখানি। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের কাছাকাছি এই সুবিধা পৌঁছাতে প্রয়োজন ইন্টারনেট, যা সবার দ্বারে দ্বারে পৌঁছাতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-636163762730478416?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/636163762730478416'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/636163762730478416'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2010/01/blog-post.html' title='পাঠ্যবই এবার ইন্টারনেটে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7730338141162258638</id><published>2009-10-21T19:15:00.000-07:00</published><updated>2009-10-21T19:28:47.721-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ওয়াই-ম্যাক্স'/><title type='text'>চালু হলো তারহীন ইন্টারনেট ওয়াই-ম্যাক্স</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_kAab_iv6gw4/St_DHK2CyMI/AAAAAAAAADc/RIIrqzHuTKo/s1600-h/wimax_illus.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_kAab_iv6gw4/St_DHK2CyMI/AAAAAAAAADc/RIIrqzHuTKo/s400/wimax_illus.gif" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বাংলাদেশে গতকাল বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চগতির তারহীন ইন্টারনেট ওয়াইম্যাক্সের যাত্রা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকমিশনের কাছ থেকে ২০০৮ সালে ওয়াইম্যাক্স সেবা পরিচালনার জন্য লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অজের প্রথম ওয়াইম্যাক্স সেবা চালু করল।অজের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লিমিটেড (এবিএল) কিউবি (www.qubee.com.bd) নামে ওয়াইম্যাক্স সেবা দেবে। গতকাল রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে এবিএলের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা রাসেল টি আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মিরপুর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও উত্তরার আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের জন্য কিউবি সুবিধা চালু করা হয়েছে। অচিরেই কিউবি সুবিধা সারা বাংলাদেশে পাওয়া যাবে।’ কেক কেটে কিউবি চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সম্মেলনে নতুন প্রযুক্তির ওয়াইম্যাক্সের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। এ সুবিধা চালুর পাশাপাশি রাজধানীর গুলশান এলাকায় এবিএলের নিজস্ব দোকান কিউবি ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালুর ঘোষণাও দেওয়া হয়। আবাসিক ও ব্যবসায়িক সংযোগের জন্য শুরুতে দুটি প্যাকেজ চালু করা হয়েছে। প্রতি সেকেন্ডে ৫১২ কিলোবাইট (কেবিপিএস) গতির ইন্টারনেট সুবিধার জন্য প্রতি মাসে তিন হাজার ৪০০ টাকা এবং প্রতি সেকেন্ডে ১ মেগাবাইট (এমবিপিএস) গতির ইন্টারনেটের জন্য প্রতি মাসে ছয় হাজার ২০০ টাকা দিতে হবে। এই ইন্টারনেট সংযোগের জন্য গ্রাহককে সাত হাজার টাকায় একটি ওয়াইম্যাক্স মডেম কিনতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কিউবির প্রচারণার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে বুথ বসানো হয়েছে। আগামী মাসের শুরুর দিকে রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও এই ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি অচিরেই আরও কিছু অফারের মাধ্যমে খরচ কমানো হবে বলেও সম্মেলনে জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে এবিএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেরি মবস বলেন, এই ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ সত্যিকারের ইন্টারনেট সুবিধা পাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7730338141162258638?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7730338141162258638'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7730338141162258638'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_6742.html' title='চালু হলো তারহীন ইন্টারনেট ওয়াই-ম্যাক্স'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_kAab_iv6gw4/St_DHK2CyMI/AAAAAAAAADc/RIIrqzHuTKo/s72-c/wimax_illus.gif' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-1737686280120873385</id><published>2009-10-21T18:50:00.000-07:00</published><updated>2009-10-21T19:05:39.322-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিবেদন'/><title type='text'>বনভূমি সংরক্ষণে গুগলের সহায়তা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;বনভূমি সংরক্ষণ ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে শুরু হতে যাওয়া একটি আন্তর্জাতিক প্রকল্পে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুগল। কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবি গুগল আর্থ সাইটের মাধ্যমে এই প্রকল্পে সরবরাহ করা হবে। ‘গ্রুপ অন আর্থ অবজারভেশন (জিইও)’-এর উদ্যোগে শুরু হতে যাওয়া এই প্রকল্পে গুগল ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, জাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা ও বিভিন্ন দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানি, ভারত, ইতালি ও ব্রাজিল) মহাকাশ গবেষণা সংস্থাও রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt; &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবির মাধ্যমে বনভূমির পরিমাণ ও গাছপালায় কী পরিমাণ কার্বন জমা আছে, তা বিশ্লেষণ করা হবে। উদ্ভিদদেহে প্রচুর পরিমাণে কার্বন থাকে এবং নিজের খাদ্য প্রস্তুতের জন্য পরিবেশ থেকে গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। গাছ কেটে পোড়ানো বা পানিতে ভিজিয়ে পচানো হলে এতে থাকা কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনো-অক্সাইড ইত্যাদি হিসেবে অবমুক্ত হয়। নির্বিচারে বৃক্ষনিধন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের হার এক-পঞ্চমাংশ বাড়িয়ে দেয় বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে সবুজের ঘনত্ব দেখে বনভূমির পরিমাণ নির্ণয়ের পাশাপাশি ‘রাডার ইমেজ’ (এক বিশেষ ধরনের ছবি, যাতে কোনো দৃশ্যের কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের দ্বিমাত্রিক ম্যাপিং পাওয়া যায়)-এর মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট এলাকার গাছপালায় বিদ্যমান মোট কার্বনের পরিমাণ সম্বন্ধেও ধারণা করা যায়। অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ক্যামেরুন, গায়ানা, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, তাঞ্জানিয়া—এই সাতটি দেশে খুব শিগগির পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। জিইওর নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট এলাকার বাত্সরিক মোট কার্বনের পরিমাণ নির্ণয় করে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সঙ্গে এর তুলনা করা হবে। এই ধরনের উদ্যোগ প্রথম শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রেরিত ‘ল্যান্ডসেট’ উপগ্রহের পাঠানো ছবি ব্যবহার করে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt; &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বনভূমি যেকোনো দেশের ফুসফুসস্বরূপ। পরিবেশ ও বন সংরক্ষণে জিইও, গুগল ও অন্যান্য সংস্থার সম্মিলিত এই প্রচেষ্টা নিশ্চিতভাবেই মানবসভ্যতার জন্য মঙ্গলময় হবে। সবুজ ও দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে গুগলের এই এগিয়ে আসাকে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন স্বাগত জানিয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো &lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-1737686280120873385?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1737686280120873385'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1737686280120873385'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_21.html' title='বনভূমি সংরক্ষণে গুগলের সহায়তা'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-5241667475475826661</id><published>2009-10-18T19:11:00.000-07:00</published><updated>2009-10-21T19:06:37.762-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টিপস এন্ড ট্রিকস'/><title type='text'>অনলাইনে ছবিকে লেখার ফাইলে রূপান্তর</title><content type='html'>বই বা অন্য কোনো উত্স থেকে স্ক্যান করা লেখার পাতা বা লেখার স্ক্রিনশট ফাইলকে সম্পাদনাযোগ্য লেখার (টেক্সট) ফাইলে রূপান্তর করা যায় ওসিআর &lt;span style="font-size: large;"&gt;(অপটিক্যাল ক্যারেকটার রিকগনিশন) সফটওয়্যার দিয়ে। এ কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু সফটওয়্যার ছাড়াও গুগল ডক্সের মাধ্যমে ইন্টারনেটে এ ধরনের ইমেজ ফাইলকে সম্পাদনার উপযোগী টেক্সট ফাইলে রূপান্তর করে গুগল ডক্সে ব্যবহার করা যায়। এ জন্য http://googlecodesamples.com/docs/php/ocr.php সাইটে গিয়ে সাইন ইন করে Grant access বাটনে ক্লিক করুন। এবার Browse বাটনে ক্লিক করে ফাইলটি নির্বাচন করে Start OCR import বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে এটি গুগল ডক্সে সম্পাদনের উপযোগী হয়ে আসবে। এখান থেকে অনলাইনে সেভ করা বা হার্ডডিক্সে সেভ করা যাবে বিভিন্ন ফরম্যাটে। ইমেজ ফাইল হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ মেগাবাইটের এবং ২৫ মেগাপিক্সেলের .jpg, .png, বা .gif ফরম্যাটের ফাইল ব্যবহার করা যাবে। তবে কম রেজুলেশনের ফাইল আপলোড করলে টেক্সটে রূপান্তর না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ইমেজ ফাইলটির রেজুলেশন বাড়িয়ে নেওয়া ভাল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-5241667475475826661?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5241667475475826661'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5241667475475826661'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_18.html' title='অনলাইনে ছবিকে লেখার ফাইলে রূপান্তর'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7962108172259627619</id><published>2009-10-17T04:56:00.000-07:00</published><updated>2009-10-21T19:23:51.268-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মোবাইল প্রযুক্তি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>﻿চলতি পথে ডিজিটালবিনোদন</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: large;"&gt;জীবনযাপনের সবকিছুতেই এখন প্রযুক্তির ছোঁয়া। মানুষের বিনোদনেও দেখা যাচ্ছে উচ্চপ্রযুক্তির ব্যবহার। আর এ কারণে বিনোদন আরও বেশি সহজ এখন। কাজের ফাঁকেও বিনোদন হাতের মুঠোয় প্রযুক্তির কল্যাণে। রাস্তাঘাটে বের হলে ছেলেমেয়ে অনেকের কানেই ইয়ারফোন গোঁজা দেখা যায়। কেউবা শুনছে এফএম বেতারের অনুষ্ঠান, কেউবা শুনছে এমপি থ্রি; মানে ডিজিটাল ফরম্যাটের গান। আবার কেউ কেউ যানজটে আটকে থেকে নিজের ল্যাপটপে পছন্দের ভিডিওটিও দেখে নিতে পারেন। চলার পথে বিনোদনের সঙ্গী এখনকার যন্ত্রগুলো অপেক্ষা করার সময়গুলোতে একটু হলেও প্রশান্তি ছড়াবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মিঞা মোহম্মদ বাচ্চু বললেন, বিকেলে পড়ানোর জন্য ছাত্রের বাসায় যেতে আমার সময় লাগে এক ঘণ্টা। সেই সময়টাতে বিবিসির সংবাদ শুনি এফএম রেডিওর মাধ্যমে। এতে তাঁর অলস সময়ে বিবিসি সংবাদ শোনার মাধ্যমে ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে কাজে লাগে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী তামিমা সুলতানা জানান, তিনি বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যাওয়ার সময় বাসে বসে আইপডে তাঁর প্রিয় গানগুলো শোনেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চলার পথে বিনোদনের সঙ্গী অনেক ধরনের যন্ত্রপাতি থেকে বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে আপনার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আই-পড&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চলার পথের বিনোদনের সঙ্গী হিসেবে আপনি অ্যাপলের আই-পড বেছে নিতে পারেন।দুনিয়াজুড়েই আছে এর জনপ্রিয়তা। এখনকার আই-পড টাচে তো গান শোনা, ভিডিও দেখা, গেম খেলার সুযোগ আছে। আই-পডে একবার চার্জ দিয়ে কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা গান শুনতে পারবেন। বাংলাদেশের বাজারে এক থেকে শুরু করে ২ গিগাবাইট, ৪ গিগাবাইট, ৮ গিগাবাইট, ১৬ গিগাবাইটের আই-পড বেশ চলে। আই-পডের বিক্রি প্রসঙ্গে ঢাকার মেলডি মিউজিক কর্নারের স্বত্বাধিকারী মো. আবু তালেব বলেন, বর্তমানে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা আই-পড বেশি কিনছে। অ্যাপলের দুই গিগাবাইটের একটি আই-পড কিনতে আপনার খরচ হবে আট হাজার টাকা। আর চার গিগাবাইটের দাম ১৪ হাজার এবং আট গিগাবাইটের দাম ২৬ হাজার টাকা। তবে বাজারে নকল আই-পডও আছে। তাই চাই সতর্কতা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এমপিথ্রি প্লেয়ার&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চলার পথে কানে হেডফোন লাগিয়ে আপনি যদি শুধু আপনার পছন্দের গান শুনতে চান তবে আপনি কিনতে পারেন একটি এমপিথ্রি প্লেয়ার। এই যন্ত্রটি এপিথ্রি ফরম্যাটের গান শোনাবে আপনাকে।কিছু কিছু এমপিথ্রি প্লেয়ারের সঙ্গে এফএম বেতারের অনুষ্ঠান শোনার সুযোগও আছে। এর ব্যাটারির চার্জ থাকে অনেকক্ষণ। তাই দূরের যাত্রায় এমপিথ্রি প্লেয়ার বেশ কাজের। বাজারে ব্র্যান্ড এবং নন-ব্র্যান্ড (মূলত চীনে তৈরি, কোনো ব্র্যান্ডের নাম উল্লেখ থাকে না) এমপিথ্রি প্লেয়ার পওয়া যায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ক্রিয়েটিভ, মাইক্রো ল্যাব, সিএসএম, টুইনমস, অ্যাপাসার, সনি, প্যানাসনিক ইত্যাদি ব্র্যান্ডের এমপিথ্রি প্লেয়ার পাওয়া যায়। এসবের দাম শুরু হয় এক হাজার টাকার বেশি থেকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নন-ব্র্যান্ডের এমপিথ্রি প্লেয়ারে কোনো ওয়ারেন্টি থাকে না।একটি নন-ব্র্যান্ডের এক গিগাবাইটের এমপিথ্রি প্লেয়ারের দাম ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। দুই গিগাবাইটের দাম ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা। আর চার গিগাবাইটের দাম ১৭০০ থেকে ২২০০ টাকা। ঢাকা কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র দেবাশীষ মজুমদার বলেন, ‘কলেজ থেকে বাসা অনেক দূরে হওয়ায় যাত্রাপথে এটি আমার বিনোদনের সঙ্গী। এটি মজার, ফলে নিজেকে কখনো একাকী মনে হয় না।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এমপিফোর প্লেয়ার&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;গান শোনা ও দেখা যায় এমপিফোর প্লেয়ার দিয়ে। এমপিফোর প্লেয়ারে গান শোনা, ভিডিও দেখা, এফএম রেডিও শোনা যাবে আবার গেমও খেলা যাবে। সমস্যা একটাই, ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষণ থাকে না। কম দূরত্বে ভ্রমণের জন্য এমপিফোর প্লেয়ার বিনোদনের ভালো এক মাধ্যম হতে পারে। বাজারে ব্র্যান্ড এবং নন-ব্র্যান্ড উভয়ের এমপিফোর প্লেয়ার পাওয়া যায়। ক্রিয়েটিভ ব্র্যান্ডের একটি দুই গিগাবাইটের এমপিফোর প্লেয়ারের দাম সাড়ে সাত হাজার টাকা। আর চার গিগাবাইটের একটি এমপিফোর প্লেয়ারের দাম সাড়ে আট হাজার টাকা। এ ছাড়া আপনি আরও বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড ব্যবহার করে আপনার এমপিফোর প্লেয়ারের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন। বাজারে প্রচলিত এমপিফোর ব্র্যান্ডগুলো হলো-ক্রিয়েটিভ, মাইক্রোল্যাব, অ্যাপাসার, সনি, স্যামসাং, প্যানাসনিক ইত্যাদি। নন-ব্র্যান্ডের এক গিগাবাইটের এমপিফোর প্লেয়ারের দাম ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা। একটি দুই গিগাবাইটের এমপিফোর প্লেয়ারের দাম ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকা। আর একটি চার গিগাবাইটের এমপিফোর প্লেয়ারের দাম ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা। নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জুবায়ের হাসনাত বলেন, চলার পথে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে এমপিফোর প্লেয়ার অবশ্যই আকর্ষণীয়। তবে সেটি যেন হাঁটার সময় ব্যবহার না করা হয়।বসে ব্যবহার করা উচিত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এমপিফাইভ প্লেয়ার&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;চলার পথে শুধু বিনোদন নয়, যদি কোনো কিছুর ছবি তুলেও রাখতে চান তবে কিনতে হবে এমপিফাইভ প্লেয়ার। এমপিফাইভ প্লেয়ারের মাধ্যমে গান শুনতে, গান দেখতে, ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে পারবেন। তবে অনেক এমপিফাইভ প্লেয়ারে ভিডিও করার সুযোগ নেই।ভিডিও করার সুযোগসহ যন্ত্রগুলোর নাম এমপিসিক্স প্লেয়ার। ঢাকার দিদার টেলিকমের স্বত্বাধিকারী মো. হাবিব উল্লাহ বলেন, এমপিফাইভ ও এমপিসিক্স প্লেয়ারের দাম বেশি হওয়াতে এগুলোর বিক্রি কম।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এফএম রেডিও&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;শুধু এফএম রেডিও শোনার জন্য আপনি কিনে নিতে পারেন একটি এফএম রেডিও। বাজারে একটি এফএম রেডিও ১০০ থেকে ৪০০ টাকায় পাওয়া যাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মুঠোফোন তো আছেই&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;গান শোনা, ভিডিও দেখা, ছবি তোলা, এফএম রেডিও, ইন্টারনেটসহ সব সুবিধা এখনকার বেশিরভাগ মুঠোফোনেই আপনি পেতে পারেন। আর কথা বলার প্রয়োজন তো মিটবেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মেমোরি কার্ড&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;বিনোদনের যন্ত্রগুলোয় গান বা ছবির ধারণক্ষমতা বাড়াতে বাড়তি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে একটি ভালো মানের এক গিগাবাইটের মেমোরি কার্ডের দাম ৫০০ টাকা, দুই গিগাবাইট ৮০০ ও চার গিগাবাইটের দাম ১২০০ টাকা। আট গিগাবাইট মেমোরি কার্ডের দাম ২২০০ টাকা। তবে বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড আপনার যন্ত্রাংশে লাগবে কি না তা আগে জেনে নিন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ওয়ারেন্টি: বাজারে নন-ব্র্যান্ডের কোনো জিনিসেরই ওয়ারেন্টি পাবেন না। ব্র্যান্ডের কোনো জিনিসের জন্য আপনি এক থেকে তিন বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন। তবে অবশ্যই বিক্রেতার কাছ থেকে ওয়ারেন্টি কার্ড ও কার্ডে তারিখ লিখে নিন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নষ্ট হলে?&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;নষ্ট হলে আপনি আপনার পাশের ইলেকট্রনিকস দোকানে যোগাযোগ করুন। ঢাকার বিসিএস কম্পিউটার সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, মোতালিব প্লাজা, আইডিবি ভবনসহ বড় মার্কেটে এসব মেরামত করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7962108172259627619?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7962108172259627619'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7962108172259627619'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_9315.html' title='﻿চলতি পথে ডিজিটালবিনোদন'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-2549384876825937178</id><published>2009-10-17T04:55:00.000-07:00</published><updated>2009-10-17T04:56:27.648-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টেকনোলজি'/><title type='text'>জানা যাবে রেলগাড়ির অবস্থান</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;অনাকাঙ্ক্ষিত রেল দুর্ঘটনা এবং যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) তড়িত্ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের দুই শিক্ষার্থী রাজেশ মজুমদার ও জীবন চন্দ্র ভৌমিক তৈরি করেছেন কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) নির্ভর ‘ট্রেন মনিটরিং’ ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থার ফলে রেল দুর্ঘটনা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব বলেতাঁরা মনে করেন। শুধু তাই নয়, রেলগাড়ি কোথায় আছে তাও জানা যাবে সঠিকভাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ পদ্ধতি সম্পর্কে নির্মাতারা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দেশে টেলিফোনের মাধ্যমে রেলগাড়ির অবস্থান জেনে নেওয়া হয়। অনেক সময় যোগাযোগজনিত ত্রুটির কারণে বা অপারেটরের ভুল বোঝাবুঝিতে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ধরনের দুর্ঘটনার মধ্যে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষই হয় বেশি। এ পদ্ধতির মাধ্যমে সমগ্র দেশের রেলগাড়ির অবস্থান, গতি এবং স্টেশন থেকে কত দূরত্বে আছে তা মুহূর্তের মধ্যে জানা যাবে এবং মানচিত্র আকারে তা দেখাও যাবে।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গবেষকেরা আরও জানান, সম্পূর্ণ পদ্ধতিটি নিয়ন্ত্রিত হবে একটি গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) এবং একটি ওয়েব সার্ভারের মাধ্যমে। এই জিপিএস ট্রেনের ভেতর বসানো হবে।সেটি কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে সংকেত আদান-প্রদান করে রেলগাড়িটির অবস্থান, গতি ও নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে কত দূরত্বে আছে তা হিসাব করে ডেটাবেইসে পাঠাবে।কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষে প্রতিটি ট্রেনের প্রতি মুহুর্তের অবস্থান, গতি ও দূরত্ব মানচিত্রে দেখা যাবে। যেহেতু পদ্ধতিটি ইন্টারনেট-ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে, তাই খরচ কম হবে। একটি জিপিএস একটি রেলগাড়িতে বসাতে ১০ হাজার টাকা লাগবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জীবন ও রাজেশের এই গবেষণার তত্ত্বাবধানে ছিলেন চুয়েটের তড়িত্ ও ইলেকট্রনিক বিভাগের প্রভাষক নিপু কুমার দাশ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম রেলওয়ের সঙ্গে আমাদের প্রাথমিক কথা হয়েছে। তারা এ বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছে।’ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভবিষ্যতে এ দুই প্রকৌশলী বাংলাদেশের রেল যোগাযোগব্যবস্থায় প্রযুক্তিটি ব্যবহার করতে চান বলে জানিয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-2549384876825937178?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2549384876825937178'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2549384876825937178'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_7144.html' title='জানা যাবে রেলগাড়ির অবস্থান'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-3169036698509533158</id><published>2009-10-17T04:54:00.000-07:00</published><updated>2009-10-17T04:55:11.689-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ওয়েব গাইড'/><title type='text'></title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, জাহাজভাঙা শিল্পে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ বাংলাদেশ। সস্তা শ্রম আর পরিবেশ আইনের দুর্বল প্রয়োগ আমাদের এ শিল্পকে শীর্ষস্থানে যেতে সাহায্য করেছে। প্রায় ৪০ বছর আগে চট্টগ্রামের সমুদ্রসৈকতে একটি জাহাজ ভাঙার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে জাহাজভাঙা শিল্পের শুরু। বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী বিশ্বের সমুদ্রগামী জাহাজের প্রায় ৬০ ভাগ বাংলাদেশে ভাঙা হয়। প্রত্যক্ষভাবে ৩০ হাজার আর পরোক্ষভাবে প্রায় দুই লাখ মানুষের আয়-রোজগার এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। জাহাজভাঙা শিল্প থেকে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৯০০ কোটি টাকা কর পেয়ে থাকে। বাংলাদেশের নির্মাণশিল্পে প্রতিবছর যে প্রায় ৮০ লাখ টন রডের দরকার হয়, তার ৯০ শতাংশের জোগান আসে এখান থেকে। ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অরগানাইজেশনের নিয়ম অনুযায়ী একটি সমুদ্রগামী জাহাজের আয়ুষ্কাল সর্বোচ্চ ২৯ বছর। এরপর সেটি ভাঙতেই হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্পকে ঘিরে এমন আরও অনেক কৌতূহলোদ্দীপক, অজানা ও আশা-জাগানিয়া, মন-খারাপ করা তথ্য দেওয়া আছে www.shipbreak ingbd.info ওয়েবসাইটে। শুধু জাহাজভাঙা শিল্পের খবরাখবর নিয়েই এই ওয়েবসাইট। এ ওয়েবসাইটে একটি সাইটম্যাপ আছে, যেখান থেকে আপনি শুরুতেই জেনে নিতে পারেন ওয়েবসাইটে কী কী আছে। এটি তৈরির ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের সাইটম্যাপ নির্মাণের গতানুগতিক ধারা ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে, এতে নতুনত্ব থাকলেও এটি ওয়েবসাইটের ব্যবহার বাধাগ্রস্ত করেছে। একনজরে পুরো ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানার সুযোগ সীমাবদ্ধ করেছে, বরং সাইটম্যাপ নির্মাণের প্রচলিত ধারা অনুসরণ করে বর্ণানুক্রমিকভাবে বিষয় ও উপবিষয় দিয়ে এটি সাজালে ভালো হতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ওয়েবসাইট ঘুরে আসার পর আপনার মন খারাপ হতে বাধ্য। কারণ, স্কুলে পড়তে যাওয়ার বয়সী শিশুশ্রমিকের সংখ্যা জাহাজভাঙা শিল্পে মোট শ্রমিকের ১০ শতাংশের বেশি। বাবার মৃত্যু, নদীভাঙনে নিঃস্ব হওয়া আর এনজিওর ক্ষুদ্রঋণ পরিশোধে অভিভাবকের ব্যর্থতা শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ এ কাজে আসতে বাধ্য করেছে। প্রতিবছর এ শিল্পে দুই অঙ্কের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। গত বছরও ১৫ জন শ্রমিক কাজ করতে গিয়ে মারা গেছে। আর মারাত্মক ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা বছরে গড়ে তিন শতাধিক। তবে কোনো কোনো বছর একেকটি বড় দুর্ঘটনায় একসঙ্গে ৫০-৬০ জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। যেমন, ২০০০ সালে টিটি ডেনা ট্যাংকার বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ওয়েবসাইটের প্রথম পাতার ‘ফটো’ বোতাম টিপে ৪০টি ছবি পাওয়া যাবে, যেগুলোর মধ্যে শিশুশ্রমিকের কাজ করার ছবিও আছে। তবে এখানে একই ধরনের ছবির সংখ্যা বেশি। জাহাজভাঙা শিল্পকে সামগ্রিকভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য ছবির আরও কার্যকর ব্যবহার এখানে ঘটানো যেতে পারত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ওয়েবসাইটের আরেকটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, সাইটটির ভাষা ইংরেজি। এর কোনো বাংলা সংস্করণ নেই। তবে ‘রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন’ বোতাম টিপে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পাবেন, যেগুলোর মধ্যে বাংলায় লেখা প্রতিবেদনও রয়েছে। এগুলো পিডিএফ আকারে থাকায় সহজেই ডাউনলোড করে নিয়ে পড়া যেতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ রকমই একটি প্রতিবেদন হলো ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা) প্রকাশিত ‘পর্যালোচনা: বাংলাদেশের জাহাজভাঙা কার্যক্রম’। এ প্রতিবেদনের মুখবন্ধে শিক্ষাবিদ জামাল নজরুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘সচেতনতা ও সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার অভাবে জাহাজভাঙা কার্যক্রম প্রতিনিয়ত পরিবেশকে করছে মারাত্মক দূষণের শিকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার অভাবে এখানকার শ্রমিকদের অধিকার হচ্ছে চরমভাবে লঙ্ঘিত। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় শ্রমিক হতাহত হওয়া, শ্রমিকদের নিরাপত্তার অভাব, মালিকপক্ষের দায়িত্বহীনতা, শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন, সার্বিক পরিবেশদূষণ প্রভৃতি জাহাজভাঙা কার্যক্রমের নিত্যঘটনা।’ শ্রমিকের অধিকার লঙ্ঘনের বিষয় জানা যাবে ‘রাইটস ভায়োলেশন্স’ বোতাম টিপে আর ‘এনভায়রনমেন্ট পলিউশন’ বোতাম টিপে পরিবেশদূষণের বিষয়টি বোঝা যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ওয়েবসাইটের একটি ভালো দিক হলো, প্রতি মাসেই সাইটটির বেশির ভাগ পাতা হালনাগাদ করা হয়। কোনো অদ্ভুত কারণে, নাকি ভুল করে ওয়েবসাইটের ‘এক্সটারনাল লিংকস’ ও ‘কনটাক্ট আস’ বোতাম দুটি একসঙ্গে রাখা হয়েছে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-3169036698509533158?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3169036698509533158'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3169036698509533158'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/www.html' title=''/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-8894455186661963353</id><published>2009-10-17T04:50:00.000-07:00</published><updated>2009-10-17T04:53:21.858-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্যারিয়ার'/><title type='text'></title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://www.prothom-alo.com/resize/maxDim/460x1000/img/uploads/media/2009-10-15-16-20-46-063216100-morsed.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 347px; height: 300px;" src="http://www.prothom-alo.com/resize/maxDim/460x1000/img/uploads/media/2009-10-15-16-20-46-063216100-morsed.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:180%;"&gt;মো. জাবেদ মোরশেদ চৌধুরী ২০০৭ সালে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। এর পরই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পের প্রোগ্রামার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি এরাসমাস মুন্ডাস বৃত্তি নিয়ে সুইডেনে ইন্টারনেটে নিরাপত্তা ও মোবাইল কম্পিউটিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সাফল্য&lt;/span&gt;:&lt;br /&gt;মোরশেদ বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মূল কাঠামো তৈরির ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তড়িত্ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলীদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ইনস্টিটিউশন অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ার্সের (আইইইই) কয়েকটি সম্মেলনে তাঁর গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হয়েছে। তিনি নতুন ধরনের একটি এনক্রিপশন ব্যবস্থার সম্ভাবনা দেখিয়েছেন, যা বর্তমানের বিভিন্ন এনক্রিপশন পদ্ধতির চেয়ে অনেক দ্রুত। এ ছাড়া তিনি ইউনিকোডভিত্তিক বাংলা এনক্রিপশনের পদ্ধতি নিয়ে কাজ করেছেন। এতে ইন্টারনেটে বাংলা কন্টেন্টর নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত হবে। তিনি শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের কোর সদস্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা&lt;/span&gt;:&lt;br /&gt;ভবিষ্যতে ই-কমার্সের জন্য নিরাপদ প্রটোকল ও ইন্টারনেটে নিরাপদ অর্থ আদান-প্রদান নিয়ে কাজ করতে চান মোরশেদ। এ ছাড়া বাংলাদেশে মুক্ত সফটওয়্যারের উন্নয়নে তিনি কাজ করে যেতে চান। মোরশেদের বাবা মোহাম্মদ মতিউর রহমান চৌধুরী ও মা মাসুদা রহমান ব্যবসায়ী। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মোরশেদ তৃতীয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-8894455186661963353?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8894455186661963353'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8894455186661963353'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_17.html' title=''/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-1350779331841384691</id><published>2009-10-14T02:27:00.000-07:00</published><updated>2009-10-14T02:52:54.877-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>সনির নতুন থ্রি-ডি ক্যামেরা</title><content type='html'>&lt;h1 id="main_report_full_heading"&gt;সনির নতুন থ্রি-ডি ক্যামেরা&lt;/h1&gt; &lt;p&gt;&lt;img title="Sony 3D Camera" src="http://tech.bdnews24.com/images/imgAll/Sony3DCamera1010.jpg" alt="Sony3DCamera1010" /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt; &lt;/p&gt; &lt;span style="font-size:180%;"&gt;ইলেকট্রনিক জায়ান্ট সনি এবার বের করলো নতুন সিঙ্গেল লেন্স ক্যামেরা যার মাধ্যমে থ্রি-ডি ছবি তোলা সম্ভব হবে। প্রচলিত থ্রিডি ক্যামেরায় সাধারণত দুটি ভিউ ফাইন্ডারে ফটোগ্রাফার তার দুই চোখ রেখে ছবি তোলেন কিন্তু এই থ্রি-ডি ক্যামেরায় একটি ক্যামেরাতেই ছবিকে প্রতিফলক আয়নার সাহায্যে দুই ভাগে ভাগ করে দুটি সেন্সরে রেকর্ড করা হবে। এর ফলে প্রচলিত থ্রিডি ক্যামেরার চেয়ে এই ক্যামেরায় ছবি সনির ভাষায় আরো ‘স্মুদ’ হবে। খবর বিবিসির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানা গেছে, সনির এই থ্রি-ডি ক্যামেরাটি জাপানের টোকিওতে ‘সি-টেক’ ইলেকট্রনিক শোতে প্রথমবারের মত জনসমক্ষে উন্মুক্ত করা হবে। সনি জানিয়েছে, এই ক্যামেরায় তোলা থ্রি-ডি ইমেজগুলো বিশেষ ভাবে তৈরি পোলারাইজড গ্লাসে দেখা যাবে। এই বিশেষ গ্লাসটি ছাড়া থ্রি-ডি ইমেজ দেখা সম্ভব নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সনির বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বিশেষ ভাবে তৈরি এই ক্যামেরা স্পোর্টস ইভেন্টের জন্য বেশি কার্যকর। কারণ হিসেবে তারা জানায়, এই ক্যামেরায় অনেক দ্রুত ছবি তোলা যায় যা স্পোর্টস ইভেন্ট কভার করার জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাশাপাশি সনি জানিয়েছে, এই সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ফুটবল খেলা সম্পূর্ণ নতুন টেকনোলজির থ্রি-ডি ফরমেটে ধারন করবে। এই উদ্দেশ্যে পুরো ফুটবল মাঠকে কভার করতে তিনটি ক্যামেরা বসাবে তারা। এই তিনটি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিওগুলোকে একটি বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে থ্রি-ডি ভিডিও ফাইলে রূপান-র করা হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সনির জেনারেল ম্যানেজার জন স্টোন এই বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করে বলেন, এক একটি ক্যামেরা এক তৃতীয়াংশ কভার করবে। তিনটি ক্যামেরাই একই ফোকাল লেংথে সেট করা থাকবে। ফলে তিনটি ভিডিওর সমন্বয় করা সম্ভব হবে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে প্রতিটি শটের ডেপথ এবং পিক্সেল খুব দ্র"ত বিশ্লেষণ করে একটি থ্রি-ডি ভিডিও চিত্র তৈরি করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জন স্টোন আরো বলেন, তিনি এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নন, আলোচিত এই প্রযুক্তিটি এখন যে পর্যায়ে আছে তা পুরো ফুটবল ম্যাচ কভার করার সামর্থ্য অর্জন করতে পেরেছে কি না, তবে তিনি আশাবাদী যে আগামী ২০১০ সাল থেকে স্পোর্ট ইভেন্টগুলোকে লাইভ থ্রি-ডি চেহারাতেই দেখা যাবে।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-1350779331841384691?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1350779331841384691'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1350779331841384691'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_2722.html' title='সনির নতুন থ্রি-ডি ক্যামেরা'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-1761730590889193236</id><published>2009-10-14T02:13:00.000-07:00</published><updated>2009-10-14T02:15:27.643-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><title type='text'>যে কোন মূহুর্তে গ্রাহকদের নাগালে আসছে ওয়াইম্যাক্স</title><content type='html'>&lt;p&gt;&lt;img title="Wimax" src="http://tech.bdnews24.com/images/imgAll/Wimax1010.jpg" alt="Wimax1010" /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt; &lt;/p&gt; &lt;span style="font-size:180%;"&gt;অবশেষে গ্রাহকের হাতের নাগালে আসার জন্য প্রস্তুত হয়েছে বহুল প্রতিক্ষীত ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ছড়িয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশে অপারেট করার জন্য লাইসেন্সধারী দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহারে অন্যতম লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান অর্জের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড লিমিটেড ইতোমধ্যে গুলশান, বারিধারা ও বনানী এলাকায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীড়্গামূলকভাবে সেবা দিচ্ছে। অপরদিকে বাংলালায়ন ঢাকায় ওয়াইম্যাক্স সার্ভিসের ট্যারিফ প্ল্যান প্রকাশ করেছে। দুটি প্রতিষ্ঠানই জানিয়েছে, তারা এখন গ্রাহক সেবার জন্য প্রস্তুত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অর্জের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড লিমিটেডের হেড অফ মার্কেটিং রাসেল টি আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমকে জানান, ‘আমরা গুলশান বারিধারা ও বনানী এলাকা ইতোমধ্যেই আমাদের গ্রাহক সেবার আওতায় এনেছি এবং প্রায় দেড়শত গ্রাহক আমাদের সার্ভিস পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করছেন।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তিতে যে ধরনের ইন্টারনেট সেবা দেয়া সম্ভব তা বাংলাদেশের কোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আগে দেখেননি। এ প্রযুক্তি চালু হবার পর বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা আগের তুলনায় অনেক বেশি ইন্টারনেট নির্ভর হবেন’ বলেই রাসেল টি আহমেদ জানান। পাশাপাশি ২০১০ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে দ্রুতগতির এ ইন্টারনেট ও ডেটা ট্রান্সফার প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেয়ার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওয়াইম্যাক্স শব্দটির পুরো মানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ এক্সেস। এর মাধ্যমে তারবিহীনভাবে ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক তৈরি করা সম্ভব এবং এ পদ্ধতিতে প্রতি সেকেন্ডে ৩ মেগাবিট পর্যন্ত ডেটা পাঠানো যায়, যা বাংলাদেশে প্রচলিত ইন্টারনেট গতির তুলনায় কয়েকশ গুণ বেশি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) প্রথম বারের মতো বাংলাদেশে ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সংযোগ দেয়ার লক্ষে কাজ শুরু করে গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে। এই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে টেলি যোগাযোগের নিয়ন্ত্রক এ প্রতিষ্ঠান এক উন্মুক্ত দরপত্রের আহ্বান করে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই দরপত্রে অংশ নিয়ে সর্বো"চ দরদাতা হিসেবে ২১৫ কোটি টাকার বিনিময়ে ওয়াইম্যাক্স সংযোগ দেয়ার অনুমোদন পায় বাংলা লায়ন, ব্র্যাক বিডিমেইল নেটওয়ার্ক লিমিটেড এবং অর্জের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড লিমিটেড। বিটিআরসি তাদের আনুষ্ঠানিক ভাবে এই ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাকসেস সংযোগ প্রদান সংক্রান্ত লাইসেন্স দেয় ১৮ নভেম্বর ২০০৮ এ। পরে ব্র্যাক বিডিমেইল নেটওয়ার্ক লিমিটেড তার লাইসেন্সটি প্রত্যাহার করে নেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনুমোদন প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন প্রাথমিকভাবে শুধু ঢাকায় জুন মাসের মধ্যেই ওয়াইম্যাক্স সংযোগ দেয়ার কথা ঘোষণা করেছিলো। তবে সে তারিখ নানা কারণে পিছিয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলালায়নের ওয়েব সাইট (banglalion.com.bd)) সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ১২৮ কেবিপিএস (কিলোবিট পার সেকেন্ড) গতির সংযোগ দেয়ার অফার দিয়েছে। এ বিষয়ক একটি ট্যারিফ প্ল্যানও তারা প্রকাশ করেছে সাইটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অপর প্রতিষ্ঠান অর্জের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড লিমিটেডও চলতি বছরের ২১ জুলাই হোটেল ওয়েস্টিনে ওয়াইম্যাক্স বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেয়, যে খুব শীঘ্রই দ্র"তগতির ইন্টারনেট সার্ভিস ওয়াইম্যাক্স সেবা তারা দেবেন। যদিও তারা কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করেননি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সোয়া দুইশত কোটি টাকার লাইসেন্স ফি এবং নেটওয়ার্ক তৈরির খরচ বিবেচনা করে এ প্রযুক্তি ব্যবসা হিসেবে লাভজনক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে দুটি প্রতিষ্ঠানই ইতিবাচক উত্তর দিয়েছে। ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত হলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা অনেক বেশি ইন্টারনেট নির্ভর হবেন এবং সে সময় বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি গ্রাহক এই সেক্টরে যুক্ত হবেন। পাশাপাশি তখন ইন্টারনেট নির্ভর অনেক সার্ভিসও গ্রাহকসেবার জন্য উন্মুক্ত হবে বলেই জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উল্লেখ্য, বিশ্বে সবচেয়ে ধীর গতির ইন্টারনেট সার্ভিস ভোক্তা দেশগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ। বর্তমানে দেশে প্রায় ৪০ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-1761730590889193236?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1761730590889193236'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1761730590889193236'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_9616.html' title='যে কোন মূহুর্তে গ্রাহকদের নাগালে আসছে ওয়াইম্যাক্স'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-2587420905927006589</id><published>2009-10-14T02:08:00.000-07:00</published><updated>2009-10-14T02:09:21.518-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইলেকট্রনিক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টেকনোলজি'/><title type='text'>ক্লকি আপনার ঘুম ভাঙ্গিয়েই ছাড়বে</title><content type='html'>&lt;p&gt;&lt;img title="Clocky" src="http://tech.bdnews24.com/images/imgAll/Clocky1011.jpg" alt="Clocky1011" /&gt;&lt;/p&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:180%;"&gt;কোম্পানির নাম সাক ইউকে আর তাদের বানানো মহার্ঘ্য ঘড়িটির নাম ক্লকি। এটি আদতে একটি অ্যালার্ম ক্লক। বলা হচ্ছে এটি যার সঙ্গী, ঘড়ির অ্যালার্ম উপেক্ষা করে আরেক প্রস্থ ঘুমানো তার জন্য অসম্ভব ব্যপার। সাক ইউকে ওয়েবসাইটে দেয়া আছে এর বিস্তারিত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভোরে বা যে কোনো সময় ক্লকিতে যখন অ্যালার্ম বাজে তখন যদি আপনি বাটন চেপে এটি বন্ধ করে দেন তবে প্রথমেই এটি গড়িয়ে নামবে নাইটস্ট্যান্ড থেকে। এরপর তারস্বরে অ্যালার্ম বাজিয়ে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে ঘুরতে থাকবে গোটা মেঝে জুড়ে! তখন এর চিৎকার চেঁচামেচি থামানোর জন্যই আপনাকে বিছানা থেকে উঠে ছুটতে হবে এর পেছন পেছন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যাটারি চালিত এই ক্লকির দাম ধরা হয়েছে ৪০ পাউন্ড। আশা করা হচ্ছে, এই ক্রিসমাস সিজনে অনেক বাবা-মাই এটি কিনবেন ভোরবেলা কিশোর সন্তানটির আলসেমি কাটানোর জন্য।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-2587420905927006589?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2587420905927006589'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2587420905927006589'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_1336.html' title='ক্লকি আপনার ঘুম ভাঙ্গিয়েই ছাড়বে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-3378991227415308149</id><published>2009-10-14T02:06:00.000-07:00</published><updated>2009-10-14T02:07:23.625-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><title type='text'>দিনে একশো কোটি বার ব্রাউজ হয় ইউটিউব</title><content type='html'>&lt;p&gt;&lt;img title="You Tube" src="http://tech.bdnews24.com/images/imgAll/YouTube0827.jpg" alt="YouTube0827" /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt; &lt;/p&gt; &lt;span style="font-size:180%;"&gt;জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব এখন প্রতিদিন বিশ্বব্যাপী এক বিলিয়নেরও বেশি হিট পাচ্ছে। অনলাইন জায়ান্ট গুগলের ইউটিউবকে কিনে নেয়ার তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানায় ইউটিউব। খবর দি টেলিগ্রাফ এর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানা গেছে, তিন বছর পূর্তির দিবসটিকে চিহ্নিত করে রাখতে সেদিন ইউটিউবের লোগোতে পরিবর্তন আনা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ উপলক্ষে ইউটিউবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা শাদ হারলে ইউটিউবের ব্লগে লিখেছেন, ‘আজ থেকে তিন বছর আগে এই দিন আমরা গুগলের সঙ্গে যোগদানের ঘোষণা দিয়েছিলাম। তখন আমাদের উদ্দেশ্য ছিলো অনলাইন ভিডিওকে বিশ্বের সবার কাছে সহজলভ্য ও সহজে শেয়ার করার এক সুযোগ করে দেয়া।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাদ আরো বলেন, ‘আজ আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ঠিক তিন বছর পর আমরা প্রতিদিন এক বিলিয়নেরও বেশি হিট পাচ্ছি (অর্থাৎ প্রতিদিনে একশো কোটি বার এই সাইটটি ভিজিট করা হয়), যা নিঃসন্দেহে আমাদের ক্ষুদ্র সময়ের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এর জন্য আমরা আমাদের সব ব্যবহারকারী এবং ভিডিও দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এছাড়াও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইউটিউবের নানা দিকের পরিবর্তন সম্পর্কে বলতে গিয়ে হারলে লেখেন, ‘যেহেতু ব্যান্ডওয়াইডথ বেড়েছে, তাই আমরাও উঁচু মানের তথা হাই কোয়ালিটির ভিডিও সাপোর্ট করা শুরু করেছি। আমরা লক্ষ্য করেছি ইন্টারনেটে আরো দীর্ঘ সময়ের ভিডিওচিত্রের চাহিদা বেশি। তাই আমরা বিভিন্ন টেলিভিশন প্রোগ্রাম থেকে শুরু করে মুভি পর্যন্ত ইউটিউবের অন্তর্ভূক্ত করেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইউটিউব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শাদ আরো বলেন, ‘এছাড়াও আমাদের সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভিডিওচিত্র নির্মাণের পদ্ধতি ও বিষয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে লক্ষ্যণীয়ভাবে। এমনকি এখন শখের বশে ভিডিওগ্রাফি শুরু করে যে কেউ সত্যিকারের ব্যবসাও শুরু করতে পারেন।"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউব তাদের সাইটে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক হিটসম্পন্ন ভিডিওর প্রকাশকদের লাভের ভাগ দিতে শুরু করেছে। এর ফলে, ইউটিউব যাদের ভিডিওচিত্র থেকে প্রচুর টাকা উপার্জন করছে, তারাও এই অর্জিত রেভিনিউয়ের একটি অংশ পাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-3378991227415308149?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3378991227415308149'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3378991227415308149'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_7677.html' title='দিনে একশো কোটি বার ব্রাউজ হয় ইউটিউব'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-9033438992558667686</id><published>2009-10-14T02:04:00.000-07:00</published><updated>2009-10-14T02:05:36.827-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তির শব্দ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টেকনোলজি'/><title type='text'>রাতের জন্য লাইটকাপ</title><content type='html'>&lt;p&gt;&lt;img title="LitecupCup" src="http://tech.bdnews24.com/images/imgAll/LitecupCup1013.jpg" alt="LitecupCup1013" height="288" width="500" /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt; &lt;/p&gt; &lt;span style="font-size:180%;"&gt;অন্ধকারে বিছানার পাশে, টেবিলে ঢেকে রাখা গ্লাস থেকে পানি খেতে গিয়ে যারা অসাবধানে গ্লাসটিই ফেলে দিয়েছেন, দেখতে না পেয়ে; এবার তাদের জন্যই এসেছে লাইটকাপ! বিষয়টি আরো একটু পরিস্কার করেই বোধহয় বলা দরকার। লাইটকাপ হচ্ছে একইসঙ্গে একটি পানীয় পানের কাপ এবং নাইট লাইট, যেটি অন্ধকারে আপনাআপনিই জ্বলে ওঠে এবং খুবই মৃদু আলো ছড়ায়। খবর সি-নেট এর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংবাদমাধ্যমটির বরাতে আরো জানা গেছে, এ কাপের তলার আছে আলো বিষয়ক সরঞ্জামাদি। একটি গোলাকৃতি কয়েন দিয়ে এটি চালু করা হয়। এর পর থেকে এটি আলো কমে গেলেই আপনাআপনি জ্বলে ওঠে। এর ভেতরের ইলেকট্রনিক অংশটি একটি ভালভের মাধ্যমে পানি ধারক অংশ থেকে আলাদা করা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উল্লেখ্য, একের ভেতরে দুই এই নাইটলাইট এবং কাপ মিলে লাইটকাপ প্রস্তুতকারী কোম্পানিটি জানিয়েছে এটি নাকি ডিশওয়াসারেও ধোয়া যাবে। জানা গেছে, এই লাইটকাপটির দাম ধরা হয়েছে সাড়ে নয় পাউন্ড।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-9033438992558667686?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/9033438992558667686'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/9033438992558667686'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_6200.html' title='রাতের জন্য লাইটকাপ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-447636393716024566</id><published>2009-10-14T02:01:00.000-07:00</published><updated>2009-10-14T02:03:57.764-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ওয়েব ডিজাইন'/><title type='text'>টুইটারের সঙ্গে চুক্তিতে যাচ্ছে গুগল, মাইক্রোসফট</title><content type='html'>&lt;p&gt;&lt;img title="Twitter Microsoft Google" src="http://tech.bdnews24.com/images/imgAll/Twitter_Microsoft_Google.jpg" alt="Twitter_Microsoft_Google" height="435" width="500" /&gt;&lt;/p&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:180%;"&gt;জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ও তাৎক্ষণিক স্ট্যাটাস আপডেট করার সেবাদাতা ওয়েবসাইট টুইটারের উপযোগিতা যেন প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে মাইক্রোসফট ও গুগলকে আকর্ষণ করলো। বিখ্যাত এ দুই কোম্পানি নিজেদের সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফল পাতায় তাৎক্ষণিক আপডেটেড টুইট বা স্ট্যাটাসগুলো অন্তর্ভূক্ত করার জন্য নতুন এক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে। খবর দি টেলিগ্রাফের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে, এ বিষয়টি এখনো আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে বলেই জানা গেছে। আলোচনা চলছে মাইক্রোসফট ও গুগলের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ চুক্তিপত্রটি স্বাক্ষরিত হলে গুগল ও বিং (মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন) এর ব্যবহারকারীরা তাৎক্ষণিক কোনো বিষয়ের খোঁজ জানতে চাইলে তার ফলাফল সরাসরি টুইটার থেকেও আসবে। ফলে টুইটার ব্যবহারকারীদের আপডেট আরো বেশি করে সার্চ ইঞ্জিনের অন্তর্ভূক্ত হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মূলত ২০০৮ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত টুইটারের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। স্ট্যাটাস আপডেটে ১৪০ অক্ষরের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি থাকলেও এর জনপ্রিয়তা এতোটা বেশি হবার কারণ এর তাৎক্ষণিক আপডেটের সুবিধা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অতীতেও দেখা গেছে মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু কিংবা সোয়াইন ফ্লু আক্রান্ত হবার সংবাদ বিদ্যুৎবেগে টুইটারে ছড়িয়ে পড়তে। যে কোনো সংবাদ সংস্থায় প্রকাশের আগেই টুইটারে ব্যবহারকারী কর্তৃক সংবাদ প্রকাশ হবার ঘটনা বিরল নয়। সেই সংবাদ বা এ জাতীয় আপডেটগুলোকেই তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলের পাতায় দেখতে চায় গুগল ও মাইক্রোসফট, আর তাই তারা এই নিয়ে টুইটারের সঙ্গে আলোচনা করে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, টুইটারের জন্য এটি একটি বিরল ব্যবসায়িক সুযোগ যাকে কাজে লাগাতে পারলে বেশ লাভবানই হবে জনপ্রিয় এই সার্ভিসটি। এদিকে কিছুদিন আগে সিএনএন-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপযুক্ত ব্যবসায়িক মনোভাবের অভাব রয়েছে টুইটারের, যার কারণেই সম্ভবত এতোটা জনপ্রিয় হবার পরও তেমন কোনো আয় নেই টুইটার কর্তৃপক্ষের। গবেষকদের ধারণা, নতুন এই চুক্তি টুইটারের ভাগ্য খুলে দিতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে যে, শীগগিরিই টুইটার বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে বিজ্ঞাপণ গ্রহণ করতে যাচ্ছে যা মূল সাইটের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত হবে। এছাড়াও টুইটার তাদের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে টুইটার ব্যবহারকারীদের জন্য অর্থের বিনিময়ে কিছু প্রিমিয়াম সেবাও দিতে যাচ্ছে বলেই জানিয়েছে সূত্রটি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-447636393716024566?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/447636393716024566'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/447636393716024566'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_5592.html' title='টুইটারের সঙ্গে চুক্তিতে যাচ্ছে গুগল, মাইক্রোসফট'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-1953309999391927180</id><published>2009-10-14T01:57:00.000-07:00</published><updated>2009-10-14T02:00:01.671-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্যারিয়ার'/><title type='text'>মাইক্রোসফট ভ্যালুয়েবল প্রফেশনালের স্বীকৃতি পেলেন জিকরুল আহসান</title><content type='html'>&lt;p&gt;&lt;img title="Md. Zikrul Ahsan" src="http://tech.bdnews24.com/images/imgAll/MdZikrulAhsan.jpg" alt="MdZikrulAhsan" /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style="font-size:180%;"&gt;ওয়েব ডেভেলপিং প্রফেশনাল জিকরুল আহসান সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রদত্ত শীর্ষ স্বীকৃতি মাইক্রোসফট ভ্যালুয়েবল প্রফেশনাল অর্জন করেছেন। এই মুহূর্তে জিকরুল বাংলাদেশে এই সম্মান প্রাপ্ত ৭ম প্রযুক্তিকর্মী।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style="font-size:180%;"&gt;&lt;br /&gt;মাইক্রোসফট উইন্ডোজভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ও প্ল্যাটফর্মে কাজের দক্ষতা অনুসারে বেশ কিছু সনদ প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এমসিপি (মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড প্রফেশনাল), এমসিএসই (মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার) এমসিএসডি (মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড সফটওয়্যার ডেভেলপার)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উল্লিখিত সার্টিফিকেশনের জন্য যে কোনো প্রার্থীকেই পরীক্ষা দিয়ে এ সনদ অর্জন করতে হয়। অপরদিকে এ সনদ কেবল কারিগরি জ্ঞানের স্বীকৃতি নয়, পাশাপাশি একজন কর্মী যখন নিজ দক্ষতা প্রযুক্তিসমাজের উন্নয়নে ব্যবহার করেন, তখুনি কেবল মাইক্রোসফট প্ল্যাটফর্মের একজন প্রযুক্তিকর্মী এ স্বীকৃতির জন্য বিবেচিত হন। উল্লেখ্য, জিকরুল আহসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কম-এ ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে কর্মরত আছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-1953309999391927180?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1953309999391927180'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1953309999391927180'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_14.html' title='মাইক্রোসফট ভ্যালুয়েবল প্রফেশনালের স্বীকৃতি পেলেন জিকরুল আহসান'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-4744349947060469349</id><published>2009-10-13T21:38:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T21:41:50.321-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মোবাইল প্রযুক্তি'/><title type='text'>মোবাইল ফোনে কম খরচে যোগাযোগ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;&lt;img src="http://www.comjagat.com/archive/ifameimage/RPS_certificates_1253682593.jpg" /&gt;&lt;br /&gt;দিন দিন প্রযুক্তির কল্যাণে অনেক কাজ সহজ হয়ে গেছে। যেমন আজকাল ইন্টারনেটে ওয়েব সার্ফিং বা ই-মেইল চেক করে দেখার জন্য কমপিউটার অবশ্যই প্রয়োজন, তা বলা যাবে না। কেননা অনেক কিছুই এখন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করা যাচ্ছে। হয়তো অদূর ভবিষ্যতে কমপিউটারের সব কাজ মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই করা যাবে। ইন্টারনেটে আমাদের সবচেয়ে জরুরি কাজগুলোর মধ্যে আছে ওয়েব সার্ফিং, ডাউনলোড, ই-মেইল চেক ইত্যাদি। এগুলোর চেয়ে একটি বড় কাজ আমাদের দৈনন্দিন ইন্টারনেট ব্যবহারের চাহিদা বাড়িয়ে চলেছে। সেটি হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সবার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা। অনেকেই যোগাযোগের জন্য প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইদানীং ইন্টারনেটকে বেছে নিচ্ছেন কিছু যৌক্তিক কারণে। এমন একটি কারণ হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগের খরচ কমানো। মোবাইল সেকশনের এই সংখ্যায় আমরা দেখবো কী উপায়ে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে কম খরচে যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একসময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করার প্রধান উপায় ছিল ই-মেইল। এ ই-মেইলকে কেন্দ্র করে বর্তমানে যোগাযোগের আরো নতুন নতুন উপায় বের হয়েছে। তার মধ্যে মেসেঞ্জার, ফেসবুকের মতো সোশ্যাল কমিউনিকেশন ইউটিলিটি উল্লেখযোগ্য। তবে এতকিছুর পরও তৎক্ষণাৎ যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার খুব কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। যে কারণে অন্যান্য নানা ধরনের যোগাযোগের মাধ্যমকে একই মেসেঞ্জারের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সবাই এখন উঠেপড়ে লেগেছে। যার ফলে ফেসবুকের মতো সোশ্যাল ইউটিলিটিও এখন মেসেঞ্জারে সম্পৃক্ত হচ্ছে। আর এখনকার মেসেঞ্জারগুলো বেশ আধুনিক। শুধু মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ভয়েস কল, চ্যাট বা ভিডিও কনফারেন্সিং করা যাচ্ছে। মোবাইল প্রযুক্তি বিভাগে এ সংখ্যায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেঞ্জার চালানো এবং যোগাযোগ রক্ষা করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেসেঞ্জার হচ্ছে একটি জনপ্রিয় ইন্টারনেটভিত্তিক তাৎক্ষণিক বার্তা প্রেরক (instant messaging) সফটওয়্যার। মোবাইল ফোনেও এখন এর ব্যবহার বেশ লক্ষণীয়। মোবাইল ফোনে অনেক ধরনের মেসেঞ্জার জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তার মধ্যে ই-বাডি সবচেয়ে আলোচিত এক নাম। ই-বাডি মেসেঞ্জার চালানোর জন্য মোবাইল ফোনে জাভা সাপোর্ট থাকতে হবে। এই মেসেঞ্জার উইন্ডোজ লাইভ মেসেঞ্জার, ইয়াহু, এইম, গুগল টক, আইসিকিউ, ফেসবুক, মাইস্পেস ইত্যাদি সাপোর্ট করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ই-বাডি মেসেঞ্জার তার যাত্রা শুরু করে ২০০৩ সালে ওয়েব ব্রাউজারভিত্তিক ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সার্ভিস চালু করে। এটাই সর্বপ্রথম স্বাধীন ওয়েব মেসেঞ্জার হিসেবে নিজেদের যাত্রা শুরু করে। প্রথমদিকে এর নাম ছিল ই-মেসেঞ্জার। ২০০৬ সালে এরা নিজেদেরকে ই-বাডি মেসেঞ্জার হিসেবে নতুন নামে প্রতিষ্ঠিত করে। এর সুবিধাগুলো হচ্ছে- ইনস্টলেশনের কোনো ঝামেলা নেই, স্ক্রিনেই চ্যাটের লিস্ট, মাল্টিনেটওয়ার্ক, চ্যাট হিস্টোরি, অফলাইন মেসেজ পাবার সুবিধা, বিভিন্ন ভাষায় চ্যাটের সুবিধা, ভয়েস চ্যাটের পাশাপাশি ভিডিও চ্যাট, উন্নত ইউজার চ্যাট ইত্যাদি। তবে এর মোবাইল ভার্সনে কম বিদ্যুৎ খরচ করে, কম ডাটা নিয়েই কাজ করার সুবিধাসহ সাউন্ড ও ভাইব্রেশনের সুবিধাও আছে। এতে ভিডিও চ্যাটের সুবিধা এখনও যোগ করা হয়নি। তবে অচিরেই ই-বাডি মেসেঞ্জারের মোবাইল ভার্সনে এর ব্যবহার দেখতে পাওয়া যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img src="http://www.comjagat.com/archive/ifameimage/RPS_certificates_1253682596.jpg" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ই-বাডি মেসেঞ্জারের মোবাইল ভার্সন ব্যবহার করার জন্য www.ebuddy.com/mobilebeta/ সাইট থেকে মোবাইল ফোনের উপযুক্ত ভার্সন ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড করার পর তা মোবাইল ফোনে ইনস্টল করতে হবে। সাধারণত ইনস্টল করার পর তা অ্যাপ্লিকেশনের মধ্য থেকে চালু করতে হয়। এটা মোবাইল ফোনের ভিন্নতা অনুযায়ী আলাদা আলাদা হয়। এটাকে মোবাইল ফোনের মেমরিতে বা মেমরি কার্ডেও ইনস্টল করা যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ই-বাডি মেসেঞ্জারের মোবাইল ভার্সন অন্যান্য মেসেঞ্জারের থেকে একটু আলাদা। এখানে প্রথমে একটি আইডি খুলতে হয়। যেটি সরাসরি ই-বাডি মেসেঞ্জারের ওয়েবসাইটেও খোলা সম্ভব। একবার একটি আইডি খোলা হয়ে গেলে তা ই-বাডি মেসেঞ্জারের মোবাইল ভার্সন এবং ডেস্কটপ ভার্সনেও চালানো যায়। সুতরাং এখানে আইডি খোলাটাই মূল কথা। এই আইডি খোলার জন্য একটি ই-মেইল আইডির প্রয়োজন পড়বে। এই ই-মেইল আইডি লাগবে ই-বাডি মেসেঞ্জারের আইডিসংশ্লিষ্ট বৈধতার জন্য। এই বৈধতা শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের জন্যই কাজে লাগে। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে তা উদ্ধারের জন্য মূল ই-মেইল আইডি লাগবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটি আইডি দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার পর সেখানে অন্যান্য অনেক ই-মেইল আইডি যুক্ত করা যাবে। যার সাহায্যে মেসেঞ্জারে লগইন অবস্থায় থাকতে পারবেন। আর যে অ্যাকাউন্ট দিয়ে আইডি খোলা হয়েছে ই-বাডি মেসেঞ্জারে সেই অ্যাকাউন্টও লগইন করা যায়। আর মাল্টিপল অ্যাকাউন্ট ম্যানেজ করার সুবিধাও এতে রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুধু ই-মেইলের মেসেঞ্জারই নয়, অন্যান্য কমিউনিকেশন মেসেঞ্জারও যেমন- ফেসবুক, মাইস্পেস ইত্যাদিও যোগ করা যায় এবং একইসাথে লগইন বা লগআউট বা ম্যানেজ করা যায়। সেই সাথে অফলাইন মেসেজ দেখার বা দেবার মতো অনেক সুবিধা এতে থাকছে। আর ই-বাডি মেসেঞ্জারের একই সাথে মোবাইল ভার্সন এবং ডেস্কটপ ভার্সন থাকায় যখন মোবাইল ফোনে সুবিধা তখন মোবাইল ফোনে আর যখন ডেস্কটপে সুবিধা তখন ডেস্কটপে ব্যবহার করা যায়। অন্তত যোগাযোগের জন্য আর অন্য কোনো মেসেঞ্জার ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;যেসব সেট মোবাইল মেসেঞ্জার সাপোর্ট করে&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাধারণত জাভা সাপোর্টেড যেকোনো মোবাইল ফোনেই এই সফটওয়্যার চালানো যাবে। এমনকি চীনের তৈরি নন ব্র্যান্ড মোবাইল ফোনেও যদি জাভার সাপোর্ট থাকে তাহলে এই মেসেঞ্জার তাতে চালানো যাবে। তারপরও কোন কোন মোবাইল ফোনে ই-বাডি মোবাইল ফোনের মেসেঞ্জার অফিসিয়ালি সাপোর্ট করবে তা দেখে নেয়া যাক :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;u&gt;Nokia মডেলগুলো : &lt;/u&gt; 6300, 6021, 6230, 6230i, 5140, 3220, 3155, 3155i, 5140i, 6020, 6030, 6060, 6070, 6101, 6102, 6111, 6170, 6260, 7260, 7270, 7360, 6822, 6235, 8800, 8801&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;u&gt;Sony Ericsson মডেলগুলো : &lt;/u&gt; K600, K750i, K800i, W800, W810i, Z520&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;u&gt;Samsung মডেলগুলো : &lt;/u&gt; D500, D600, D900, E530 E720 E620&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;u&gt;Motorola মডেলগুলো : &lt;/u&gt;যেকোনো RAZR, যেকোনো KRAZR, যেকোনো SLVR, যেকোনো ROKR, যেকোনো RIZR&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;u&gt;LG মডেল : &lt;/u&gt;KG800&lt;/span&gt;                      &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;font-size:130%;" &gt;&lt;span&gt;সৌজন্যে : &lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কমপিউটার জগৎ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-4744349947060469349?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4744349947060469349'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4744349947060469349'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_8199.html' title='মোবাইল ফোনে কম খরচে যোগাযোগ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-5025516307146050287</id><published>2009-10-13T21:35:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T21:36:51.540-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্যারিয়ার'/><title type='text'>পেশা হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইনার</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;আমাদের দেশে অভিভাবকদের একটি বড় অংশই তাদের ছেলে-মেয়েদের পছন্দের পেশা নিয়ে ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার হওয়াকেই প্রত্যাশা করে থাকেন। সমাজে দীর্ঘদিন ধরে এমন ধারণা চলে আসলেও বর্তমানে এর কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে চাকরির বাজার অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে এবং আগের শুধু ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই নতুন নতুন পেশায় নিজেকে সম্পৃক্ত করছে। অনেক পেশা রয়েছে যেগুলো অনেক সম্ভাবনায় এবং বিশ্বের নিত্যনতুন নানা পেশা সম্পর্কে অনেকেই সচেতন নয়। অথচ একটু ভাল করে খোঁজ খবর নিলে আমরা দেখতে পাব সম্ভাবনাময় অনেক পেশা। যেসব পেশায় আপনি নিশ্চিন্তে গড়তে পারেন আপনার ক্যারিয়ার। বর্তমান সময়ে তেমনই সম্ভাবনাময় একটি পেশা হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইনার। এ পেশায় দৃঢ় মনোবল নিয়ে কাজ শুরু করতে পারলে আপনিও পৌঁছাতে পারেন উন্নতির চরম শিখরে। বর্তমানে চাকরির যেসব ত্রে বেশ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে তার মধ্যে গ্রাফিক্স ডিজাইন অন্যতম। অল্প সময়ে কিছু কোর্স করে অথবা নিজের একাগ্রতা নিয়ে কাজ করে আপনিও ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে। মিডিয়া বর্তমানে সম্প্রসারণশীল একটি শিল্প হিসেবে পরিগণিত। ইলেকট্রনিক-প্রিন্ট মিডিয়া ছাড়াও ‘প্রচারেই প্রসার’ এই মূলমন্ত্রকে নিয়ে বিশ্বব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে নানা বিজ্ঞাপনী সংস্থা এবং এসব বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রসারও ঘটছে খুব দ্রুত। সাথে সাথেই বাড়ছে গ্রাফিক ডিজাইনে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা। অন্যান্য ক্ষেত্রে কথা বাদ দিয়ে যদি শুধু বিজ্ঞাপনী সংস্থার কথায় বলি তাহলে বলতে হবে, অন্যান্য পেশার চাইতে অনেক ভাল ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব এই শিল্পে। গ্রাফিক্সে পারদর্শী এবং শিল্পমনা যে কেউ বিজ্ঞাপন শিল্পে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে। আর্ট ও গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে অভিজ্ঞতাই হচ্ছে এ বিভাগের কাজ করার অন্যতম প্রধান যোগ্যতা। একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের উপর অনেকটা নির্ভর করে কোন বিজ্ঞাপন কতটা সুন্দর ও বাস্তবমুখী হবে। যারা মনে মনে ভাবছেন ভবিষ্যতে নিজেকে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং যারা এ পেশার খুঁটিনাটি বিষয়ে বেশ আগ্রহী তাদের জন্য এই প্রতিবেদনে এ পেশায় সফল একজন ব্যক্তির মতামত তুলে ধরা হলো। যার পরামর্শ ও মতামত আপনাকে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে কিছুটা হলেও সাহায্য করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আনিসুজ্জামান সোহেল&lt;br /&gt;প্রুফ ক্রিয়েটিভ সুপারভাইজার, মিডিয়াকম লিমিটেড&lt;br /&gt;কাজের ত্রে হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইন বর্তমানে খুবই সম্ভাবনাময় একটি পেশা। কাজ জানা থাকলে পড়াশোনার পাশাপাশি যে কেউ পার্টটাইম হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করতে পারে। বিজ্ঞাপন শিল্পে এ কাজের ত্রে এবং চাহিদা অনেক বেশি। গ্রাফিক ডিজাইনার হতে চাইলে শিাগত যোগ্যতার পাশাপাশি আপনাকে গ্রাফিক্স যেমন- ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি খুব ভাল করে শেখতে হবে। শুধু শেখার জন্য শিখলেই হবে না অনেক চর্চার মাধ্যমে উক্ত কোর্সগুলোকে আত্মস্থ করতে হবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে দতা অনুযায়ী বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক ডিজাইনার, ভিজুয়ালাইজার, ট্রেইনি ভিজ্যুয়ালাইজার হিসেবে আপনি ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। শুরুতেই ১২-১৫ হাজার টাকা বেতনে আপনি ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন। তবে আপনার দতা এবং পারদর্শীতা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে এক লাফেই আপনার বেতন ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা হতে পারে। গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার একটি বড় সুবিধা হলো, চাকরিরত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আপনি অনেক ফ্রিল্যান্স কাজ করতে পারেন। বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন হাউস, প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রকাশনা সংস্থা, ফার্মাসিউটিক্যালস, টেলিকমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইনারের রয়েছে প্রচুর চাহিদা। বর্তমানে বিবিএ-এমবিএ করার চাইতে অল্প সময়ে গ্রাফিক এর কাজ শিখে অনেক ভাল ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। এক্ষেত্র আপনার দৃঢ় মনোবল ও শৈল্পিক মন-মানসিকতা অবশ্যই থাকা চাই। দৃঢ় মনোবল নিয়ে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে অল্প কয়েক বছরেই আপনি লাধিক টাকা বেতনের চাকরিও পেতে পারে, যা অন্যান্য পেশার চাইতে অনেক সহজ। সময় সুযোগ বুঝে যোগাযোগের মাধ্যমে আপনি বিজ্ঞাপনী সংস্থা বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে ইন্টার্নিও করতে পারেন। যা আপনার দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসিক ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-5025516307146050287?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5025516307146050287'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5025516307146050287'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_2082.html' title='পেশা হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইনার'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7775212701584824244</id><published>2009-10-13T18:56:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:57:00.331-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>ডেলের নতুন ল্যাপটপ বাজারে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড বাজারে নিয়ে এসেছে ডেলের নতুন একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার। ভস্ট্রো সিরিজের ১৩২০ মডেলের এ ল্যাপটপ কম্পিউটারে ২.২ গিগাহার্টজ গতির ইন্টেল কোর টু ডুয়ো প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এর মনিটর ১৩.৩ ইঞ্চির।এতে ২ গিগাবাইট র্যাম ও ২৫০ গিগাবাইটের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ আছে। এতে ওয়েবক্যাম, মাইক্রোফোন ও তারহীন নেটওয়ার্ক সুবিধা পাওয়া যাবে। ওজন এক কেজি ৮৬০ গ্রাম। দাম ৫২ হাজার টাকা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7775212701584824244?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7775212701584824244'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7775212701584824244'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_9380.html' title='ডেলের নতুন ল্যাপটপ বাজারে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-5014424713323732167</id><published>2009-10-13T18:55:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:56:03.177-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সফটওয়্যার'/><title type='text'>উইন্ডোজ মোবাইলের নতুন সংস্করণ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;শীর্ষ সফটওয়্যার নির্মাতা মাইক্রোসফট করপোরেশন মোবাইলফোন চালানোর জন্য অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ মোবাইলের নতুন ৬.৫ সংস্করণআনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে। এখন সারা বিশ্বের বাজারে এই অপারেটিং সিস্টেম পাওয়া যাচ্ছে। এই অপারেটিং সিস্টেমসংবলিত মোবাইল ফোন সেটও বাজারে চলে এসেছে।&lt;br /&gt;মাইক্রোসফট একই সঙ্গে উইন্ডোজ মার্কেটপ্লেস ফর মোবাইল নামে একটি প্রোগ্রাম বিক্রির অনলাইন দোকানও (অ্যাপ্লিকেশন স্টোর) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে।&lt;br /&gt;মাইক্রোসফটের কর্মকর্তা অ্যালেক্স রিভ বলেন, এই অ্যাপ্লিকেশন স্টোরে ৬০টি প্রোগ্রাম পাওয়া যাবে। নতুন উইন্ডোজ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম ও নতুন অ্যাপ্লিকেশন স্টোরের খবর গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম ঘোষণা করেছিল মাইক্রোসফট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নতুন অপারেটিং সিস্টেম তৈরির জন্য মাইক্রোসফট টি-মোবাইল, ওটু, ভোডাফোন ও অরেঞ্জের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করেছে। ২০০৮ সালের মার্চ মাসে এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরির কাজ শুরু হয়। অনেক পরিবর্তন ও পরিমার্জনের পর মঙ্গলবার অপারেটিং সিস্টেমটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে ছাড়া হয়। ২০১০ সালে এই অপারেটিং সিস্টেমের আরেকটি সংস্করণ উইন্ডোজ মোবাইল ৭ বাজারে ছাড়া হবে।  এ অপারেটিং সিস্টেম-চালিত ফোনগুলো মাইফোন সেবাও ব্যবহার করতে পারবে। ছবি অথবা ভিডিও ক্লিপ মাইফোন সাইট অথবা সরাসরি উইন্ডোজ ফোন থেকে প্রিন্ট দেওয়া যাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-5014424713323732167?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5014424713323732167'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5014424713323732167'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_7287.html' title='উইন্ডোজ মোবাইলের নতুন সংস্করণ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-4540289949571752573</id><published>2009-10-13T18:53:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:54:52.629-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার গেমস'/><title type='text'>﻿ফুটবলের অনলাইন বিশ্বকাপ ২০১০</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;৬ অক্টোবর বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা, কম্পিউটার গেমস নির্মাতা ইএ স্পোর্টস ও সনি করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে অনলাইন ফুটবল বিশ্বকাপ ‘ফিফা ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়ার্ল্ডকাপ ২০১০’ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। টানা ষষ্ঠবারের মতো আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে ২০১০ সালের ১ মে স্পেনের বার্সেলোনায়। ফাইনালে বিজয়ী খেলোয়ার পুরস্কার হিসেবে ২০ হাজার ডলার।পাশাপাশি বিশ্বখ্যাত ফুটবলারদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগও পাবেন।&lt;br /&gt;আগামী সাত মাস ধরে চলতে থাকা ফিফার এই অনলাইন ফুটবল মৌসুমকে দুই পর্বে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম পর্ব এ বছরের ২ অক্টোবর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় পর্ব আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা গেমাররা অনলাইনে অথবা প্রতিযোগিতায় সরাসরি অংশ নেওয়ার আয়োজনে অংশ নিতে পারবেন। সরাসরি প্রতিযোগিতাগুলো হবে অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ডেনমার্ক, পোল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাজ্যে। অনলাইন শীর্ষ বাছাই ২১ জন এবং সরাসরি প্রতিযোগিতার শীর্ষ বাছাই ১০ জন ফাইনালের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হবেন। গত বছরের অনলাইন বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি গেমার ব্রুস গ্রানেক এবার সরাসরি ফাইনালে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। প্রতিযোগিতায় গেম হিসেবে থাকছে ইএ স্পোর্টসের ‘ফিফা ১০’।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফিফার ভাষায়, ফুটবলের যে বিশ্বজনীন আবেদন রয়েছে তাকে আরও বর্ণময় করতেই এ ধরনের আয়োজন। ফুটবল যেমন জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার জন্য উন্মুক্ত তেমনি এই অনলাইন ফুটবল বিশ্বকাপও সবার জন্য উন্মুক্ত।  উল্লেখ্য, অনলাইন ফুটবল বিশ্বকাপ ২০০৯ আসরে প্রায় পাঁচ লাখ গেমার অংশ নিয়েছিল। বিস্তারিত জানা যাবে www.fifa.com/fiwc ঠিকানার ওয়েবসাইটে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-4540289949571752573?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4540289949571752573'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4540289949571752573'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_16.html' title='﻿ফুটবলের অনলাইন বিশ্বকাপ ২০১০'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-8594050205347280469</id><published>2009-10-13T18:52:00.001-07:00</published><updated>2009-10-13T18:52:37.716-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>তোশিবার নতুন ল্যাপটপ বাজারে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;আইওএম বাজারে নিয়ে এসেছে তোশিবার নতুন একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার। পোর্টিজি এম৮০০-এস৩৩৪ মডেলের এই ল্যাপটপে ২.০ গিগাহার্টজ গতির ইন্টেল কোর টু ডুয়ো প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ১৩.৩ ইঞ্চি মনিটর, দুই গিগাবাইট র্যাম, ২৫০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে। এর সঙ্গে একটি অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।ল্যাপটপ কম্পিউটারটির দাম ৭৮ হাজার টাকা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-8594050205347280469?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8594050205347280469'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8594050205347280469'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_5455.html' title='তোশিবার নতুন ল্যাপটপ বাজারে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-3892116520006335151</id><published>2009-10-13T18:50:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:51:29.265-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ওয়েব গাইড'/><title type='text'>ইন্টারনেটে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রযুক্তি সংবাদ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;তথ্যপ্রযুক্তির খবর নিয়ে টেকজুম ২৪ নামে নতুন একটি ওয়েবসাইট ১ অক্টোবর থেকে চালু হয়েছে। এতে বিশ্বের প্রধান প্রধান সংবাদমাধ্যমের তথ্যপ্রযুক্তি সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রযুক্তিবিষয়ক প্রবন্ধ ও ফিচার, বিশেষজ্ঞ মতামত, প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইটের সংযুক্তি, বাংলাদেশে আসা নতুন প্রযুক্তি, খবর, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট-সংক্রান্ত টিপস, তথ্যপ্রযুক্তির নানা প্রশ্নের উত্তর ইত্যাদি তথ্য পাওয়া যাবে। এর ঠিকানা: www.techzoom24.com&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-3892116520006335151?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3892116520006335151'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3892116520006335151'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_4986.html' title='ইন্টারনেটে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রযুক্তি সংবাদ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-2470553288592396240</id><published>2009-10-13T18:48:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:49:47.301-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তির খবর'/><title type='text'>নিজেদের তথ্য নিজেরাই হালনাগাদ করতে পারবেন হজযাত্রীরা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ নভেম্বর হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ বছর প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজ পালন করতে যাবেন। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে হজযাত্রীদের সহায়ক ওয়েবসাইটের (www.hajj.gov.bd) তথ্য হালানাাদ করছে বিজনেস অটোমেশন লিমিটেড। এই সাইটে হজযাত্রীরা যাতে নিজেদের তথ্য নিজেরাই হালনাগাদ করতে পারেন, সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হজযাত্রীদের জন্য বেশ কিছু তথ্য জানা প্রয়োজন। এ তথ্যগুলোর মধ্যে সরকারের হজনীতি, সংশ্লিষ্ট বছরের হজ প্যাকেজ, হজের জন্য আবেদন করার নিয়ম, হজের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন, হজের জন্য কোথায় কোথায় যেতে হবে, হজ ফ্লাইট—এসব তথ্য জানার জন্য বিভিন্নজনের কাছে যেতে হয়। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হজ-সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।  বিজনেস অটোমেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল হাসান জানান, হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় তথ্য ওয়েবসাইটে সংরক্ষণ করা হয়েছে। চাইলে তাঁরা এই তথ্য পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধন করতে হবে। হজযাত্রীর পাসপোর্ট নম্বর, বৈধতার মেয়াদ ও এজেন্সির নাম লিখে নিজেই নিবন্ধন করতে পারেন। নিবন্ধন করার পর কারও সাহায্য ছাড়াই হজযাত্রীর প্রয়োজনীয় তথ্য নিজেই পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতে পারবেন ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ছাড়া হজের সময় হজ ওয়েবসাইট হাজির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে থাকে। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন।  হজযাত্রীর তথ্য ও অবস্থান সম্পর্কে জানার জন্য ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম, থানা, জেলা, পাসপোর্ট নম্বর বা নামের অংশবিশেষ নিয়ে সার্চ দিলে তাঁর সম্পর্কে ছবিসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে।  হজের সময় হাজির আত্মীয়স্বজন উত্কণ্ঠায় থাকেন, তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। তাঁরা এই ওয়েবসাইটে সব তথ্য পেয়ে থাকেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-2470553288592396240?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2470553288592396240'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2470553288592396240'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_5241.html' title='নিজেদের তথ্য নিজেরাই হালনাগাদ করতে পারবেন হজযাত্রীরা'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-4860967421148428237</id><published>2009-10-13T18:47:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:48:14.160-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মোবাইল প্রযুক্তি'/><title type='text'>﻿ফরাসি কিশোরদের অর্ধেকই ক্লাসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;ফরাসি শিশু-কিশোরদের প্রায় অর্ধেক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে। এদের অধিকাংশ বলেছে, ফোনকলের জবাব দেওয়ার জন্য তাদের ক্লাসে মোবাইল ফোনে কথা বলতে হয়। এ সময় তারা সাধারণত খুব জরুরি না হলে কাউকে ফোন করে না। এক জরিপের ফলাফলে এ কথা বলা হয়েছে। টিএনএস সফরেস নামে একটি সংস্থা পরিচালিত জরিপের ফল গতকাল মঙ্গলবার পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংস্থাটি ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ওপর এই জরিপ চালায়। জরিপে দেখা গেছে, ৭৩ শতাংশ শিশু-কিশোরের নিজস্ব মোবাইল ফোন আছে। তবে ১৬-১৭ বছর বয়সী কিশোরদের ৯৫ শতাংশ মোবাইল ফোনের মালিক।  জরিপে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের এক-পঞ্চমাংশ বলেছে, ক্লাসে ফোনে কথা বলার অপরাধে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করেছে। ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী বলেছে, তারা গোপনে মোবাইল ফোনে তাদের শিক্ষকদের ছবি তুলেছে ও ভিডিও করেছে।  ফ্রান্সে স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ নয়। তার পরও এভাবে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন জব্দ করা কতখানি যুক্তিসংগত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ফ্রান্সের গণমাধ্যমগুলো। টিএনএস সফরেস গত ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সের ৫০০ স্কুলের শিক্ষার্থীদের ওপর এই জরিপ চালায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-4860967421148428237?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4860967421148428237'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4860967421148428237'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_76.html' title='﻿ফরাসি কিশোরদের অর্ধেকই ক্লাসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-213380785952909893</id><published>2009-10-13T18:45:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:46:19.043-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সফটওয়্যার'/><title type='text'>অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের নতুন সংস্করণ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;অ্যাডোবি সিস্টেমস ইনকরপোরেটেড গতকাল অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের সর্বশেষ সংস্করণ ১০.১ অবমুক্ত করেছে। সম্প্রতি বিশ্বের শীর্ষ ৫০টি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে মিলে চালু করে ওপেন স্ক্রিন প্রকল্প, যার আওতায় বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম একসঙ্গে পরিচালনা করা হবে। অ্যাডোবির নতুন এ সংস্করণটি ওই প্রকল্পের আওতায় প্রকাশিত প্রথম প্রকল্প। ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের এ সংস্করণে স্বচ্ছন্দে ওয়েব ব্যবহারের (ব্রাউজিং) করা, ফ্ল্যাশভিত্তিক গেমস, ওয়েবসাইট, উচ্চপ্রযুক্তির ভিডিও চালানো যাবে খুব সহজে। নতুন এ সংস্করণটি যেকোনো স্মার্টফোন, স্মার্টবুক, নেটবুকস, কম্পিউটার, যেকোনো ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইসে ব্যবহার করা যাবে। বর্তমানে একটি বেটা সংস্করণ উইন্ডোজ মুঠোফোনসহ আরও বেশ কিছু মুঠোফোন সংস্করণে চলবে। পাশাপাশি চলতি বছরের মধ্যে উইন্ডোজ, ম্যাকিনটোস, লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের চালিত কম্পিউটারের জন্য এ সংস্করণ পাওয়া যাবে। তবে গুগলের তৈরি মুঠোফোনের মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রোয়েড এবং জনপ্রিয় সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেমের মুঠোফোন ব্যবহারকারীরা এ সুবিধা পাবেন আগামী বছর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অ্যাডোবির প্লাটফর্ম ব্যবসায় ইউনিটের মহাব্যবস্থাপক ডেভিড ওয়াদওয়ানী বলেন, ‘নতুন এ সংস্করণ ব্যবহারের মাধ্যমে ফ্ল্যাশ প্রযুক্তিভিত্তিক মুঠোফোন এবং ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারী পাবেন নতুন এক অভিজ্ঞতা।’ তিনি আরও জানান, অচিরেই বিশ্বের সেরা ২০টি মুঠোফোনের জন্য সংস্করণটি অবমুক্ত করা হবে। আগামী বছরের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম মুঠোফোন তৈরি প্রতিষ্ঠান নকিয়াতেও নতুন এ সংস্করণটি যুক্ত হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-213380785952909893?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/213380785952909893'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/213380785952909893'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_5951.html' title='অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের নতুন সংস্করণ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-4018437127112113898</id><published>2009-10-13T18:44:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:45:08.709-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='তথ্যপ্রযুক্তি'/><title type='text'>জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আইসিটির ভূমিকা অপরিসীম</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির (আইসিটি) ভূমিকা অপরিসীম। তিনি বিশ্বের শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোকে সবুজ অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি ব্যবহারের আহ্বান জানান। গতকাল সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিভিন্ন শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় মেলাগুলোর অন্যতম আইটিউ টেলিকম ওয়ার্ল্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বান কি মুন এ আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বান কি মুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ যেকোনো সমস্যা মোকাবিলায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ হিসেবে তিনি মোবাইল ফোন সেবাদাতা এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আফ্রিকার কৃষকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানিয়ে দেয় এসএমএসের মাধ্যমে। এতে আফ্রিকার কৃষকেরা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বান কি মুন এ ধরনের নতুন নতুন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘সমস্যা মোকাবিলায় কীভাবে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি কাজে লাগানো যায়, তা সবাইকে ভেবে বের করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বে সবুজ অর্থনীতির সূচনা হবে। আশা করছি, আপনাদের ভাবনা বাস্তবে রূপ নিলে তা সত্যিই সমস্যা মোকাবিলা করবে।’ তিনি এ ব্যাপারে বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।  জাতিসংঘের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) হিসাব অনুযায়ী, পাঁচ দিনের এ মেলায় ৪০ হাজার শিল্প-প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।&lt;/span&gt; &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-4018437127112113898?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4018437127112113898'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4018437127112113898'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_644.html' title='জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আইসিটির ভূমিকা অপরিসীম'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-1965602100442331331</id><published>2009-10-13T18:42:00.001-07:00</published><updated>2009-10-13T18:42:26.790-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>মাইক্রোনেটের নতুন ইথারনেট সুইচ বাজারে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড বাজারে নিয়ে এসেছে মাইক্রোনেট ব্র্যান্ডের নতুন একটি ইথারনেট সুইচ। এতে চারটি পাওয়ার ওভার ইথারনেট পোর্টসহ আটটি ১০/১০০এম আরজে-৪৫ পোর্ট রয়েছে।  এটি আইট্রিপলই ৮০২.৩এএফ সমর্থিত যন্ত্রাংশগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে। সুইচটি তারহীন ল্যান এ্যাকসেস পয়েন্ট, ভিওআইপি ফোন, আইপি ক্যামেরা প্রভৃতির সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে। এর দাম নয় হাজার ৫০০ টাকা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-1965602100442331331?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1965602100442331331'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1965602100442331331'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_9655.html' title='মাইক্রোনেটের নতুন ইথারনেট সুইচ বাজারে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-1944783234714428437</id><published>2009-10-13T18:40:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:41:26.386-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সিকিউরিটি/হ্যাকিং'/><title type='text'>সাইবার নিরাপত্তা আগে বাসায়, তারপর অফিসে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;বর্তমানে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি। কম্পিউটারের নিরাপত্তা দেওয়াই বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের সমস্যা। কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্যতম হুমকিও এখন সাইবার অপরাধ। সাইবার অপরাধীরা তাদের কার্যক্রম শুরু করে বাসার কম্পিউটার থেকে; তারপর হামলা চালায় অফিসে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ব্যাপারটি শুধু উন্নত দেশগুলোতেই নয়, বরং কমবেশি সব দেশেই হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে প্রতিনিয়ত সাইবার অপরাধীরা কাজ করে যাচ্ছে কারও বিরুদ্ধে কিংবা কোনো দেশের সরকারের বিরুদ্ধে। উন্নত দেশগুলোর সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও কমছে না সাইবার অপরাধীদের দৌরাত্ম্য; বরং তা বেড়ে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। তথ্য চুরি ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নষ্ট করাও বর্তমানে সাইবার অপরাধীদের কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।  সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জেমস লুইস বলেন, ‘বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগনের কম্পিউটার সিস্টেম প্রতিদিন প্রায় ৩৬০ মিলিয়ন বার পরীক্ষা করা হয়। তারপরও সাইবার অপরাধীদের বড় লক্ষ্য হচ্ছে এ কম্পিউটার ব্যবস্থায় হামলা চালানো।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাইবার নিরাপত্তার ব্যাপারে তিনি বেশ কিছু টিপস দিয়েছেন। যার মধ্যে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার, স্প্যাম ফিল্টার ব্যবহার, ফায়ারওয়াল ব্যবহার, নিয়মিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা এবং ইন্টারনেটে তথ্যাদি পাঠানোর আগে সতর্কতার সঙ্গে পাঠানো অন্যতম।  ইন্টারনেটে নিরাপত্তার জন্য www.us-cert.gov/cas/tips সাইটে টিপস পাওয়া যাবে এবং www.spymuseum.org সাইটে পাওয়া যাবে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-1944783234714428437?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1944783234714428437'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1944783234714428437'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_3046.html' title='সাইবার নিরাপত্তা আগে বাসায়, তারপর অফিসে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7384733167707769904</id><published>2009-10-13T18:38:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:39:41.887-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='তথ্যপ্রযুক্তি'/><title type='text'>﻿সব মার্কিন নাগরিকের জন্য ব্রডব্যান্ড!</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;অর্ধশতক আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ারের শাসনামলে যেমন আন্তরাজ্য মহাসড়কব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল, তেমনি এখন সব মার্কিন নাগরিকের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের নাইট কমিশনের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। গত শুক্রবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতিবেদনে বলা হয়, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে প্রবেশ করা জরুরি। বর্তমানে মোট মার্কিন জনগণের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতে পারেন না। গ্রামাঞ্চলের অনেক নাগরিক এখনো ইন্টারনেটের জগতে প্রবেশই করতে পারেননি। নাইট কমিশনের সদস্যরা হলেন মিয়ামি হেরাল্ড পত্রিকার সাবেক প্রকাশক, ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের দুজন সাবেক চেয়ারম্যান, গুগলের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, এনএএসিপির প্রেসিডেন্ট ও সিএনএনের সাবেক প্রেসিডেন্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কমিশনের সদস্যরা তাঁদের প্রতিবেদনে বলেন, প্রতিটি মার্কিন নাগরিক যাতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ নিতে পারে, সে ব্যাপারে ওবামা প্রশাসনের জরুরি ভিত্তিতে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এ জন্য কত ব্যয় হবে, তা নিয়ে প্রশাসনের চিন্তা করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ এর কোনো বিকল্প নেই। বিশ্বের অনেক দেশ এ ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো ক্ষমতাধর দেশে এ পরিস্থিতি কাম্য নয়। তাঁরা বলেন, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে থাকার জন্য প্রতিটি মার্কিন নাগরিককে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে প্রবেশ করতে হবে। ব্রডব্যান্ড ও কেব্ল টেলিভিশন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রণোদনা প্রদানে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;font-size:130%;" &gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7384733167707769904?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7384733167707769904'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7384733167707769904'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_7793.html' title='﻿সব মার্কিন নাগরিকের জন্য ব্রডব্যান্ড!'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-5775876522327951468</id><published>2009-10-13T18:37:00.001-07:00</published><updated>2009-10-13T18:37:28.363-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>এলজির নতুন এলসিডি মনিটর</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রা. লি. বাজারে নিয়ে এসেছে এলজির নতুন একটি এলসিডি মনিটর। ডব্লিউ১৬৪৩সি মডেলের এই মনিটরটি ১৬ ইঞ্চি প্রশস্ত পর্দার। এতে ৩০০০০:১ অনুপাতের ডিজিটাল ফাইন কনট্রাস্ট রেশিও, ৮ মিলি সেকেন্ড রেসপন্স টাইম, সর্বোচ্চ ১৩৬৬ বাই ৭৬৮ পিক্সেলের রেজ্যুলেশন ইত্যাদি সুবিধা রয়েছে। নতুন এই মনিটরে ৯০ ডিগ্রি থেকে ৫০ ডিগ্রি কৌণিক দিক থেকেও ছবি দেখা যাবে। এর দাম সাত হাজার ৩০০ টাকা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-5775876522327951468?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5775876522327951468'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5775876522327951468'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_1917.html' title='এলজির নতুন এলসিডি মনিটর'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-6088302840468669754</id><published>2009-10-13T18:35:00.001-07:00</published><updated>2009-10-13T18:35:37.766-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>ডেলের নতুন ল্যাপটপ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড বাজারে নিয়ে এসেছে ডেল ব্র্যান্ডের নতুন একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার। ইন্সপাইরন ১৫৪৫ মডেলের এই ল্যাপটপে ২.০ গিগাহার্টজ গতির ইন্টেল কোরটুডুয়ো প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ১৫.৬ ইঞ্চি পর্দা, দুই গিগাবাইট ডিডিআর-২ র্যাম, ২৫০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে। এ ছাড়া এতে ডিভিডি রাইটার, ওয়েবক্যাম ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া যাবে। এর সঙ্গে বিনামূল্যে একটি পিসি টুলস স্পাইওয়্যার ডক্টর অ্যান্টিভাইরাস দিচ্ছে কম্পিউটার সোর্স। এর ওজন দুই কেজি ৬৪০ গ্রাম। দাম ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-6088302840468669754?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6088302840468669754'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6088302840468669754'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_4425.html' title='ডেলের নতুন ল্যাপটপ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-4987023611500209208</id><published>2009-10-13T18:33:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:34:33.670-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='উইন্ডোজ'/><title type='text'>নিবন্ধিত উইন্ডোজের জন্য অ্যান্টিভাইরাস দিচ্ছে মাইক্রোসফট</title><content type='html'>&lt;!--blocks --&gt;               &lt;!--page top adz --&gt;&lt;span style="font-size:180%;"&gt;মাইক্রোসফট করপোরেশন গত ২৯ সেপ্টেম্বর উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের জন্য নিজস্ব অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ‘মাইক্রোসফট সিকিউরিটি অ্যাসেনসিয়ালস (এমএসই)’ প্রকাশ করেছে। এটি ভাইরাস, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার, রুটকিট (এক ধরনের ম্যালওয়্যার, যা অবৈধভাবে পুরো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়) ইত্যাদির বিরুদ্ধে কাজ করবে। তবে এমএসই কেবল নিবন্ধিত (লাইসেন্সড) উইন্ডোজের বেলায়ই কাজ করবে বলে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর আগে গত ২৩ জুন এমএসইর পরীক্ষামূলক সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রায় ৭৫ হাজার কম্পিউটার ব্যবহারকারী এই সংস্করণের মূল্যায়নে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশই এর কার্যকারিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এমএসইর অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো, কাজ করার সময় অন্যান্য অ্যান্টিভাইরাসের তুলনায় এটি মেমোরির (র্যাম) খুব কম জায়গা দখল করে বলে কম্পিউটারের গতি ধীর হয় না। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়মিত হালনাগাদ হবে। তবে মাইক্রোসফট জানিয়েছে সর্বোচ্চ মাত্রার সুরক্ষা পেতে হলে এমএসইর পাশাপাশি ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার (ব্রাউজার) ও অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে এবং উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল সব সময় চালু রাখতে হবে। এমএসই কেবল উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা ও উইন্ডোজ ৭-এর বেলায় কাজ করবে। এমএসই নিয়ে অন্যান্য অ্যান্টিভাইরাস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। এটি অপারেটিং সিস্টেমের অংশ হিসেবে উইন্ডোজের সঙ্গে যুক্ত থাকবে না। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা তাঁদের ইচ্ছেমতো এটি মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে আলাদাভাবে নামিয়ে নিতে পারবেন। অতএব, কার্যকারিতার প্রশ্নে এমএসইকে ইন্টারনেটে বিনামূল্যে আরও যেসব অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার পাওয়া যায়, যেমন—এভিজি, অ্যাভাস্ট, অ্যাভিরা, কমোডো ইত্যাদির সঙ্গে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। উল্লেখ্য, এর আগে মাইক্রোসফটের মূল্য সংযোজিত অ্যান্টিভাইরাস পরিষেবা ‘উইন্ডোজ লাইভ ওয়ান কেয়ার’ গ্রাহক ধরে রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় গত ৩০ জুন এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমএসইর অনলাইন ঠিকানা: www.microsoft.com/ security_essentials।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-4987023611500209208?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4987023611500209208'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4987023611500209208'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_1024.html' title='নিবন্ধিত উইন্ডোজের জন্য অ্যান্টিভাইরাস দিচ্ছে মাইক্রোসফট'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-6595111174201482116</id><published>2009-10-13T18:31:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:32:31.517-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><title type='text'>ইন্টারনেট ডোমেইন নামে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ কমছে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;ইন্টারনেটের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন—টপ লেভেল ডোমেইন নাম (.com, .net ইত্যাদি), কান্ট্রি কোড টপ লেভেল ডোমেইন নাম (.uk, .it ইত্যাদি), ডিএনএস (ডোমেইন নেইম সার্ভার) রুট সার্ভার, আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) ঠিকানা ব্যবস্থপনা ইত্যাদি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার কঠোর নিয়ন্ত্রণ শিথিলে সম্মত হয়েছে। এই বিষয়গুলোর দেখভালের কাজে নিয়োজিত বেসরকারি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইন্ড নেইমস অ্যান্ড নাম্বারস (আইসিএএনএন)’কে তার কার্যক্রমের জন্য এখন থেকে এককভাবে আর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে হবে না। ১৯৯৮ সালে আইসিএএনএন প্রতিষ্ঠার আগে উল্লিখিত বিষয়গুলো যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ছিল। আইসিএএনএনের সঙ্গে মার্কিন সরকারের দায়বদ্ধতাবিষয়ক চুক্তির মেয়াদ আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হয়ে যাচ্ছে। নতুন করে চুক্তি সম্পাদিত হলেও এর শর্তাবলী অনেক শিথিল হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান অনেক আগে থেকেই আইসিএএনএনের ওপর কেবল মার্কিন তত্ত্বাবধানের পরিবর্তে বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত পরিষদের তত্ত্বাবধানের কথা বলে আসছিল। তাদের ভাষায়, আইসিএএনএনের জবাবদিহিতা মার্কিন সরকারের পরিবর্তে ইন্টারনেটের সব বৈশ্বিক ব্যবহারকারীদের কাছে হওয়া উচিত। তাদের মতে, আগামী দিনের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশই আসবে উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলো থেকে। সুতরাং আইসিএএনএনের বৈশ্বিক দায়বদ্ধতাই প্রাসঙ্গিক। উল্লেখ্য, আইসিএএনএন সাম্প্রতিক সময়ে আস্তে আস্তে তার রক্ষণশীল পরিকাঠামো কাটিয়ে উঠছে। বিদ্যমান বিভিন্ন টপ লেভেল ডোমেইন ও কান্ট্রি কোড ডোমেইনের পাশাপাশি সংস্থাটি নতুন নতুন আরও ডোমেইনের অনুমোদন দিচ্ছে। এ ছাড়া ইংরেজির পাশাপাশি ডোমেইন নাম যাতে এশীয় বিভিন্ন বর্ণমালা বিশেষত আরবি বর্ণমালায় লেখা যায়, তার চিন্তা-ভাবনাও করছে প্রতিষ্ঠানটি। ইতিমধ্যে দক্ষিণ ও পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চালু সিরিলিক বর্ণমালার মাধ্যমে ডোমেইন নাম লেখার বিষয়েও আইসিএএনএনের কাছে আসা একাধিক প্রস্তাব সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে ঐতিহ্যগতভাবেই আইসিএএনএন মার্কিন সরকারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়েই চলতে চায়। সম্ভাব্য নতুন চুক্তি অনুযায়ী এর বিভিন্ন কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যেসব পর্ষদ গঠিত হবে, সেগুলোয় অন্য রাষ্ট্র ও সংস্থার পাশাপাশি মার্কিন উপস্থিতিও থাকবে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান রড বেকস্ট্রমের ভাষায় ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদি আনুষ্ঠানিক সম্পর্কের ব্যাপারে আশাবাদী।’&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-6595111174201482116?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6595111174201482116'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6595111174201482116'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_4266.html' title='ইন্টারনেট ডোমেইন নামে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ কমছে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-6925642237744031214</id><published>2009-10-13T18:29:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:30:21.559-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তির খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ই-কমার্স'/><title type='text'>অ্যাপল অনলাইন দোকান থেকে বিশ কোটি প্রোগ্রাম নামানো হয়েছে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;জনপ্রিয় গান শোনার সুবিধা প্রদানকারী অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের আইটিউনস প্রোগ্রাম স্টোর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় বিশ কোটি প্রোগ্রাম নামানো (ডাউনলোড) হয়েছে । সম্প্রতি অ্যাপল কতৃপক্ষ এ তথ্য জানায়। অ্যাপলের এ অনলাইন দোকানে জনপ্রিয় আইফোন এবং আইপড টাচের জন্য প্রায় ৮৫ হাজার প্রোগ্রাম রয়েছে। বর্তমান সময়ে গান শোনার জন্য প্রয়োজনীয় অন্য কোন প্রোগ্রাম স্টোরে এতো বেশি প্রোগ্রাম নেই। তবে অ্যাপল প্রোগ্রাম স্টোরের সব প্রোগ্রামই বিনামূল্যে নয়। আইফোন এবং আইপড টাচের জন্য কিছু প্রোগ্রাম রয়েছে যা কিনে ব্যবহার করতে হয়। তবে অ্যাপলের প্রোগ্রাম স্টোর থেকে গত বছরে বাজারে আসা স্পর্শকাতর (টাচ স্ক্রিন) সুবিধা সম্বলিত আইফোনের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রোগ্রাম নামানো হয়েছে (ডাউনলোড)। অ্যাপলের তথ্যমতে এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বের ৭৭ টি দেশে প্রায় ৫ কোটি আইফোন এবং আইপড টাচ বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে এটিএন্ডটি ইনকর্পোরেশনের মাধ্যমে বিক্রিত আইফোনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল তাদের মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রোয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য একটি প্রোগ্রাম স্টোর করেছে। তবে প্রোগ্রাম সংখ্যার দিক দিয়ে অ্যাপল অনলাইন দোকান অনেক এগিয়ে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-6925642237744031214?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6925642237744031214'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6925642237744031214'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_1976.html' title='অ্যাপল অনলাইন দোকান থেকে বিশ কোটি প্রোগ্রাম নামানো হয়েছে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-70441195626466358</id><published>2009-10-13T18:28:00.001-07:00</published><updated>2009-10-13T18:28:37.288-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>তোশিবার ল্যাপটপে বিশেষ নিরাপত্তা প্রযুক্তি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;আইওএম বাজারে নিয়ে এসেছে তোশিবার নতুন একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার। পোর্টিজি এম৮০০-ই৩৩১৯ডব্লিউ মডেলের এই ল্যাপটপে নিরাপত্তার জন্য স্মার্টফেইস ও আঙুলের ছাপ শনাক্ত করার বিশেষ প্রযুক্তি ফিংগার প্রিন্ট রিডার রয়েছে। এতে ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ গতির ইন্টেল কোর টু ডুয়ো প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এর পর্দা ১৩ দশমিক ৩ ইঞ্চি, র্যাম ১ গিগাবাইট ও হার্ডডিস্ক ড্রাইভ ২৫০ গিগাবাইট। এতে অ্যান্টেনাসহ এফএম বেতার শোনার সুবিধা আছে। এর দাম ৮৭ হাজার টাকা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-70441195626466358?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/70441195626466358'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/70441195626466358'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_4999.html' title='তোশিবার ল্যাপটপে বিশেষ নিরাপত্তা প্রযুক্তি'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-2053163583455609027</id><published>2009-10-13T18:26:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:27:42.857-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তির খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='তথ্যপ্রযুক্তি'/><title type='text'>কলকাতার সায়েন্স সিটির পাশে তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;কলকাতা সায়েন্স সিটির পাশে দুই একর জমির ওপর এবার গড়ে উঠছে একটি তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ও কলকাতা পৌরসভা যৌথ উদ্যোগে এটি নির্মাণ করছে। এর জন্য খরচ ধরা হয়েছে ২০ কোটি রুপি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কলকাতার মেয়র বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছেন, এই তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক গড়ে ওঠার পর এখানে অন্তত পাঁচ হাজার তরুণের কর্মসংস্থান হবে। আগামী মাস থেকেই শুরু হবে এই তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক নির্মাণের কাজ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-2053163583455609027?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2053163583455609027'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2053163583455609027'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_7643.html' title='কলকাতার সায়েন্স সিটির পাশে তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-2132701222118540361</id><published>2009-10-13T18:24:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:25:25.569-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='তথ্যপ্রযুক্তি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সিকিউরিটি/হ্যাকিং'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='উইন্ডোজ'/><title type='text'>﻿মাইক্রোসফটের নিরাপত্তা কর্মসূচিতে যোগ দিল বিসিসি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;মাইক্রোসফট করপোরেশন বাংলাদেশ সরকারকে জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সচ্ছলতা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে আরও দক্ষ ও সফলভাবে কাজ করতে সহায়তা করবে। এ জন্য রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল মঙ্গলবার মাইক্রোসফট বাংলাদেশের সঙ্গে ‘নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচি (এসসিপি)’ নামে এক চুক্তিতে সই করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)।বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান এবং মাইক্রোসফট বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ফিরোজ মাহমুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মো. মাহফুজুর রহমান ‘ভিশন ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর কথা উল্লেখ করে বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে নিরাপত্তা সব ব্যবহারকারীর কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই ব্যক্তি ও জাতীয় নেটওয়ার্ক খাতে হ্যাকিং, ভাইরাসসহ সব ধরনের ভার্চুয়াল হুমকি মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব খুব গুরুত্বপূর্ণ। মাইক্রোসফটের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি ব্যবহার করার সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল বাংলাদেশ সরকারকে কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্কিং খাতে অধিকতর নিরাপত্তার সঙ্গে কাজ করতে সহায়তা করতে পারবে। এর ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজটা অনেক সহজ হবে। ফিরোজ মাহমুদ বলেন, ‘এসসিপি মাইক্রোসফটের বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোকে সহায়তা দেওয়ার প্রোগ্রাম। এর সাহায্যে সব সরকারকেই আইসিটি খাতে দক্ষ করে তুলতে মাইক্রোসফট চেষ্টা চালাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মাইক্রোসফট বিশ্বব্যাপী আইসিটি আন্দোলনের লক্ষ্যে এসসিপি শুরু করে। মাইক্রোসফট একে অলাভজনক কর্মসূচি হিসেবে পরিচালনা করে থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-2132701222118540361?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2132701222118540361'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2132701222118540361'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_8054.html' title='﻿মাইক্রোসফটের নিরাপত্তা কর্মসূচিতে যোগ দিল বিসিসি'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-279148343723384694</id><published>2009-10-13T18:16:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:18:23.889-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ওয়েব গাইড'/><title type='text'>﻿প্রোগ্রামারদের জন্য নকিয়ার উদ্যোগ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;মুঠোফোনের উপযোগী নানা বিষয় (কনটেন্ট) ও প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারেন—এমন বাংলাদেশি প্রোগ্রামারদের জন্য বিশেষউদ্যোগ নিয়েছে নকিয়া।বিশ্বের সবচেয়ে বেশিমোবাইলফোনসেট নির্মাতা এই প্রতিষ্ঠানটি এজন্য বাংলাদেশে উইজেটপ্রো সুবিধা চালু করেছে। এতে দেশি-বিদেশি মোবাইল কনটেন্ট তৈরির কাজ করতে পারবেন দেশীয় প্রযুক্তিবিদেরা। গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক কর্মশালায় এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়।&lt;br /&gt;কর্মশালা শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান নতুন এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে জীবনের পরিবর্তন করা সম্ভব এবং এ কাজ করার মাধ্যমে তরুণেরা ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যেতে পারবে।’ অনুষ্ঠানে নকিয়া এমার্জিং এশিয়ার মহাব্যবস্থাপক প্রেম চাঁদ বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্য অর্জনে নকিয়া সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে আগ্রহী।আর এরই ধারাবাহিকতায় আমরা এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চলতি মাসের শুরুতে নকিয়া স্থানীয় প্রোগ্রাম ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য উইজেটপ্রো প্রতিযোগিতা ২০০৯-এর আয়োজন করে। এতে দুই সদস্যের একটি করে দল অংশ নেয়। পুরো প্রতিযোগিতায় ৪০০ দল অংশ নেয়, এর মধ্যে ৩০টি দলকে নিয়ে বিশেষ এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় উইজেট প্রযুক্তি সফল উইজেট সমাধান সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি নকিয়ার ফোনে উইজেট তৈরি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় পর্বে কর্মশালায় অংশ নেওয়া ৩০টি দলকে নকিয়া ফোনসেটের প্রোগ্রাম বানাতে হবে।বিজয়ী তিনটি দলকে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠেয় নকিয়া ফোরাম উইজেট কর্মশালায় পাঠানো হবে। নকিয়া ফোরাম দলের নির্বাচিত সেরা একটি প্রোগ্রাম নকিয়ার অনলাইন দোকান অভি স্টোরে যুক্ত হবে। পাশাপাশি বিজয়ী দল পুরস্কার হিসেবে পাবে এক হাজার ডলার। বিস্তারিত জানার ওয়েব ঠিকানা:&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;www.forum.nokia.com&lt;/span&gt;।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-279148343723384694?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/279148343723384694'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/279148343723384694'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post_13.html' title='﻿প্রোগ্রামারদের জন্য নকিয়ার উদ্যোগ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-5014044207949442709</id><published>2009-10-13T18:13:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T18:15:46.060-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইলেকট্রনিক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টেকনোলজি'/><title type='text'>তার ছাড়াই চার্জ করা যাবে ল্যাপটপ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল নতুন ধরনের একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার তৈরি করেছে, যার ব্যাটারি কোনো তার ছাড়াই চার্জ করা যায়। ল্যাটিচিউড জেড নামে ডেল তার নতুন ল্যাপটপে এমন একটি ব্যাটারি লাগিয়েছে, যা চার্জ করতে কোনো তারের প্রয়োজন হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেল জানায়, তাদের তৈরি অন্য ল্যাপটপগুলোয়ও ধীরে ধীরে এই ব্যাটারি সংযোজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। ডেলের বাণিজ্য বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্টিভ বেল্ট বলেন, এই ল্যাপটপের ব্যাটারি চার্জ করার জন্য ল্যাটপটিকে একটি বিশেষ স্ট্যান্ডের ওপর দাঁড় করানো হয়। ওই বিশেষ স্ট্যান্ডের তড়িত্ চৌম্বকীয় ক্ষেত্র ল্যাপটপের ব্যাটারিতে চার্জ দেবে। তারের সাহায্যে চার্জ দিতে যে সময় লাগে এই পদ্ধতিতে চার্জ দিতে একই সময় লাগে। চার্জ দেওয়ার সুবিধার জন্য এই ল্যাপটপের নিচে স্থাপন করা হয়েছে একটি কয়েল। একই ধরনের কয়েল ওই বিশেষ স্ট্যান্ডে স্থাপন করা হয়েছে। ওই বিশেষ স্ট্যান্ডটি অবশ্যই আলাদাভাবে কিনতে হবে। ডেল এই প্রথমবারের মতো এমন ল্যাপটপ তৈরি করল, যার ব্যাটারি তারের সাহায্য ছাড়াই চার্জ করা যায়। পাওয়ার অ্যাডপ্টারের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর উদ্দেশ্যে ডেল এ রকম ল্যাপটপ তৈরি করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-5014044207949442709?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5014044207949442709'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5014044207949442709'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/10/blog-post.html' title='তার ছাড়াই চার্জ করা যাবে ল্যাপটপ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-651709962439055681</id><published>2009-05-19T18:56:00.000-07:00</published><updated>2009-05-19T19:00:11.827-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টিপস এন্ড ট্রিকস'/><title type='text'>কম্পিউটারে C: ড্রাইভে ফাঁকা জায়গা বাড়বে</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;প্রথমে&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;C:&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size:180%;"&gt; ড্রাইভে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;Properties&lt;/span&gt;-&lt;span style="font-size:180%;"&gt;এ যান। এখন&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;Disk Clean Up&lt;/span&gt;-&lt;span style="font-size:180%;"&gt;এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডোটি আসবে সেটির প্রত্যেকটি চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt; Ok&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:180%;"&gt;করুন।&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:180%;"&gt;এখন &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;My Computer&lt;/span&gt;-&lt;span style="font-size:180%;"&gt;এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;Properties&lt;/span&gt;-&lt;span style="font-size:180%;"&gt;এ যান। এখন&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;System Restore&lt;/span&gt;-&lt;span style="font-size:180%;"&gt;এ ক্লিক করে&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;Turn Off System Restore On All Drives&lt;/span&gt;-&lt;span style="font-size:180%;"&gt;এ টিক চিহ্ন দিয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;Ok&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:180%;"&gt;তে ক্লিক করুন। নতুন একটি উইন্ডো এলে সেটির&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:130%;"&gt;Yes&lt;/span&gt; &lt;span style="font-size:180%;"&gt;এ ক্লিক করুন। এখন দেখবেন আপনার কম্পিউটারে ফাঁকা অংশের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-651709962439055681?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/651709962439055681'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/651709962439055681'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/c.html' title='কম্পিউটারে C: ড্রাইভে ফাঁকা জায়গা বাড়বে'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-3062743040868888199</id><published>2009-05-09T21:11:00.001-07:00</published><updated>2009-05-09T21:11:56.233-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিউজ'/><title type='text'>উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ফিচার সংযুক্ত</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;বিশ্বের শীর্ষ সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট কর্পোরেশন বিশ্বজুড়ে অগণিত উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের কল্যাণে তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম ‘উইন্ডোজ ৭’-এ নতুন ফিচার সংযুক্তের ঘোষণা প্রদান করেছে। মাইক্রোসফটের নতুন ডেভেলপকৃত কন্ট্রোল প্যানেল উইন্ডোজ ৭-এ সংযুক্ত করার ফলে ব্যবহারকারীরা অতিসহজেই ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৮ সহ অন্যান্য বিল্ট ইন প্রোগ্রামসমূহ দ্রুত ব করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাইক্রোসফটের ডকুমেন্ট এন্ড প্রিন্টিং গ্রুপ এর ম্যানেজার জ্যাক মায়ো নতুন ডেভেলপকৃত এই কন্ট্রোল প্যানেল সম্বে বলেন, ‘ইউন্ডোজ-৭ ব্যবহারকারীদের নিকট কার্যক্ষেত্রে বর্তমানের তুলনায় অধিক নিয়ন্ত্রণ, ইচ্ছানুযায়ী কাজ সম্পাদন করার সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে এই প্রযুক্তি বিশেষভাবে সহায়তা করতে সক্ষম।’ উইন্ডোজ ভিসতা ব্যবহারকারীরা ইতোমধ্যে এই ধরনের সুবিধা ব্যবহার করতে সক্ষম হলেও মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ৭ ব্যবহারকারীদের কল্যাণেই এই সুবিধাদি চালু করার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। মূলত টার্নিং উইন্ডোজ ফিচার অন/অফ সুবিধা সম্বলিত ফিচারটি উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীদের অতি সহজেই প্রয়োজনানুযায়ী ইন্টারনেট এক্সপ্লেয়ার ৮, উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার সহ অন্যান্য মাইক্রোসফট প্রোগ্রামসহ দ্রুত চালু অথবা ব করার সুযোগ প্রদান করবে। নতুন সুবিধাদি সংযোজনের মাধ্যমে আশা করা যাচ্ছে মাইক্রোসফটের নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ৭ ব্যাপকভাবে ব্যবহারকারীদের নিকট গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হবে। ফলে শীর্ষ সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের বর্তমান অবস্খান ভবিষ্যতেও ধরে রাখতে সক্ষম হবে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-3062743040868888199?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3062743040868888199'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/3062743040868888199'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_8254.html' title='উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ফিচার সংযুক্ত'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-6621769178385674009</id><published>2009-05-09T21:10:00.000-07:00</published><updated>2009-10-13T10:17:38.101-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ওয়েব গাইড'/><title type='text'>লন্ডন থেকে ২৪ ঘন্টার সংবাদ নিয়ে শীঘ্রই আসছে ইউকে বিডি নিউজ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;একটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন সংবাদপত্র হিসেবে ইউকে বিডি নিউজ ডট কমের&lt;/span&gt; (&lt;span style=";font-family:Boishakhi;font-size:130%;"  &gt;&lt;span style=";font-family:Boishakhi;font-size:100%;"  &gt;&lt;span style="font-family:tahoma;"&gt;www.ukbdnews.com&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;) &lt;span style="font-size:180%;"&gt;যাত্রা শুরুর অল্প কয়েকমাসের মধ্যেই ইউকে বিডি নিউজ এর টীম ২৪ঘন্টার সংবাদ সম্প্রচারের ঘোষণা প্রদান করেছে। ইতিমধ্যেই বৃটেন থেকে প্রকাশিত অন্যান্য বাংলা ওয়েবসাইট এর তুলনায় শীর্ষে অবস্খান করছে ইউকে বিডি নিউজ। ইউকে বিডি নিউজ&lt;/span&gt; (&lt;span style=";font-family:Boishakhi;font-size:130%;"  &gt;&lt;span style=";font-family:Boishakhi;font-size:100%;"  &gt;&lt;span style="font-family:tahoma;"&gt;www.ukbdnews.com&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;)&lt;span style="font-size:180%;"&gt; এর বিভিন্ন বিভাগগুলো সাজানো হয়েছে পাঠকদের কথা চিন্তা করেই। প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো তাৎক্ষণিক আপডেট, বিস্তারিত থাকবে প্রথমেই। ইউকে বিডি নিউজ এর বিভাগগুলোতে থাকছে নানা সংবাদ-ফিচার ও সর্বোপরি বৈচিত্র্যের সমাহার। ইউকে বিডি নিউজ এর প্রধান সম্পাদক তাইছির মাহমুদ ও সম্পাদক সোয়েব উদ্দিন কবীর বলেন, বৃটেন প্রবাসী পাঠকদের সবসময় তরতাজা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-6621769178385674009?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6621769178385674009'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/6621769178385674009'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_8304.html' title='লন্ডন থেকে ২৪ ঘন্টার সংবাদ নিয়ে শীঘ্রই আসছে ইউকে বিডি নিউজ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-9182153581944268481</id><published>2009-05-09T21:09:00.001-07:00</published><updated>2009-05-09T21:09:27.532-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>বাজারে এলো কোডাক এম১০৩৩ মডেলের ক্যামেরা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;কম্পিউটার সোর্স বাজারে নিয়ে এসেছে ১০.০ মেগাপিক্সেল এর এম১০৩৩ মডেলের ক্যামেরা। এর রয়েছে ৩এক্স অপটিক্যাল জ্যুম যার সাহায্যে আপনি হাই ডেফিনেশন ছবি তুলতে পারবেন এবং ভিডিও করতে পারবেন। আরও আছে ফেস ডিটেকশন টেকনলজি। এর লিওন ব্যটারিকে সহজে রিচার্জ করার জন্য রয়েছে এসি এডাপ্টার। এই ক্যামেরার রয়েছে ৩ ইঞ্চি এলসিডি স্ক্রিন। ইন্টারনাল ৩২ মেগাবাইট স্টোরেজের পাশাপাশি রয়েছে এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা। ক্যামেরা থেকেই সরাসরি ছবি ইমেইল বা প্রিন্ট করা যাবে। আকর্ষনীয় কালো এবং সিলভার রং-এর এই ক্যামেরাটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। কম্পিউটার সোর্স এই পণ্যে দিচ্ছে ১ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা। মূল্য ১৬,৫০০ টাকা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-9182153581944268481?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/9182153581944268481'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/9182153581944268481'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_5945.html' title='বাজারে এলো কোডাক এম১০৩৩ মডেলের ক্যামেরা'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-8787230960171954512</id><published>2009-05-09T21:06:00.000-07:00</published><updated>2009-05-09T21:08:29.552-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিউজ'/><title type='text'>ইমেইল’র তুলনায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন নেটওয়ার্কিং</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশ্বজুড়ে বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে অনলাইন নেটওয়ার্কিং ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যকার পারস্পরিক যোগাযোগ। ইতোপূর্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ইমেইলের মাধ্যমে নিজদের মধ্যকার তথ্যাদি আদান-প্রদান করে থাকলেও বর্তমানে ইমেইলের তুলনায় অনলাইন ভিত্তিক সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যকার তথ্যাদি আদান-প্রদানে অধিকতর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করায় অনলাইন নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে সম্প্রতি প্রকাশিত জরিপে তথ্যপ্রদান করা হয়েছে। বিখ্যাত অনলাইন ভিত্তিক গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান নিলসন অনলাইন এই তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছে, ২০০৮ সালে পূর্বের বছরের তুলনায় অনলাইন নেটওয়ার্কিং সাইটসমূহে ব্যবহারকারীরা ৪৫ বিলিয়ন মিনিট সময় ব্যয় করেছে যা গত বছরের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেশি। এই অতিরিক্ত সময় অনলাইন নেটওয়ার্কিং সাইটসমূহ ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যকার তথ্য আদান-প্রদানে ব্যয় করেছে। মূলত অনলাইন নেটওয়ার্কিং সাইটসমূহ ব্যবহারের মাধ্যমে সাথে সাথে তথ্য প্রদান এবং গ্রহণের সুবিধা থাকায় বিশ্বজুড়ে ইমেইল-এর পরিবর্তে বর্তমানে অনলাইন নেটওয়ার্কিং অধিকতর জনপ্রিয়তা অর্জন করে চলেছে নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে। সেই সাথে ফেসবুক, মাইস্পেস সহ জনপ্রিয় অনলাইন ভিত্তিক সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটসমূহের ক্রমান্নতি ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদানে পূর্বের তুলনায় অধিকতর স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান করে চলেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-8787230960171954512?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8787230960171954512'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8787230960171954512'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_7630.html' title='ইমেইল’র তুলনায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন নেটওয়ার্কিং'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-5290982345829374063</id><published>2009-05-09T21:05:00.002-07:00</published><updated>2009-05-09T21:06:35.912-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিউজ'/><title type='text'>ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজারে নতুন নিরাপত্তা সুবিধা সংযুক্ত</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার ফায়ারফক্সকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিকট বর্তমানের তুলনায় অধিকতর নিরাপত্তা সম্বলিত ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নতুন নিরাপত্তা ফিচার সংযুক্ত করেছে মজিলা। ফায়ারফক্স ব্রাউজারের নিরাপত্তা বর্তমানের তুলনায় বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যেই পাঁচটি নিরাপত্তা সম্বলিত অপশন সংযুক্ত করা হয়েছে যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী বর্তমানের তুলনায় অনলাইনে ব্রাউজিং করার সময় নিজেকে অধিকতর নিরাপদ রাখতে সক্ষম বলে জানিয়েছে ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজারের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মজিলা। ফায়ারফক্স ৩.০.৭-এ ইউআরএল স্পুফিং ইনভিজিবল কন্ট্রোল ক্যারেক্টার, এক্সএমএল ডাটা থিফট, ক্রস ডোমেইল রিডাইরেক্ট সুবিধাদি সংযুক্ত করায় ধারনা করা হচ্ছে, একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী অনলাইনে তথ্য অনুসানের সময় নিজের তথ্যাদির নিরাপত্তা রক্ষায় অধিকতর সক্ষম হবেন। ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভান্ডার হতে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি অনুসানের সময় ব্যবহারকারীদের অজান্তেই অনেকক্ষেত্রে তাদের কাঙ্খিত তথ্যাদির ইউআরএল প্রকাশ হবার সম্ভাবনা থাকায় বিশ্বজুড়ে অগণিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কল্যাণে নিজেদের ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজার আপডেট করেছে মজিলা। অনলাইন ভিত্তিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানসমূহ সকলেই নিজেদের ওয়েব ব্রাউজারের নিরাপত্তা অধিকতর সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই মজিলা কর্তৃক ফায়ারফক্সের নতুন আপডেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই ফায়ারফক্স ভার্সনটি ব্যবহারের মাধ্যমে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সুবিধা লাভ করায় মজিলা কর্তৃপক্ষ আশা করছে তাদের ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় বৃদ্ধি পাবার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ওয়েব ব্রাউজার ব্যবসায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করা সম্ভবপর হবে। উল্লেখ্য, ফায়ারফক্স ৩.০.৭ ব্রাউজারটি মজিলার ওয়েবসাইট হতে ডাউনলোড করা যাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-5290982345829374063?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5290982345829374063'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5290982345829374063'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_1458.html' title='ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজারে নতুন নিরাপত্তা সুবিধা সংযুক্ত'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-5186374120749421792</id><published>2009-05-09T21:05:00.001-07:00</published><updated>2009-05-09T21:05:27.798-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিউজ'/><title type='text'>স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে তাজাকিস্তান সরকার</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;তাজাকিস্তান সরকার ছাত্রদের শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবিধার্থে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। টেলিকমিউনিকেশন শিল্পের ক্রমউন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ৩.২ মিলিয়ন জনঅধ্যুষিত তাজাকিস্তানে ৭ মিলিয়ন ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে। মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতা এবং সাশ্রয়ীমূল্যে কথা বলার সুযোগ থাকায় তাজাকিস্তানের স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে মোবাইল ব্যবহার করায় স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত হওয়ায় সেই দেশের সরকার নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-5186374120749421792?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5186374120749421792'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/5186374120749421792'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_9178.html' title='স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে তাজাকিস্তান সরকার'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7952116796919596861</id><published>2009-05-09T21:03:00.000-07:00</published><updated>2009-05-09T21:04:43.206-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিউজ'/><title type='text'>ইন্টারনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় চীনের নতুন উদ্যোগ</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানসমূহ যেন অনাকাঙ্খিত হিসেবে বিবেচিত তথ্য এবং ভিডিও চিত্র প্রদান করতে না পারে সে লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চীন সরকার। ইন্টারনেট ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্খায় তথ্যের অবাধ প্রবাহ সহজলভ্য হলেও অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিবিশেষের অসাধু কর্মতৎপরতার কারণে দেশের ভাবমূর্তী বিনষ্ট হবার আশংকা থাকায় ইন্টারনেটে প্রদেয় তথ্য, ছবি এবং ভিডিও কনটেন্ট সমূহের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে চীনে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের উপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা না করা হলেও দেশের জন্য অবাঞ্চিত তথ্য, ছবি এবং ভিডিও সমূহ ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রচার করা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সে দেশের সরকার। মূলত এই নিয়মের আওতায় ভিডিও শেয়ারিং সাইটগুলোতে অধিকতর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হবে যেন কোন ব্যক্তি অবাঞ্চিত কোন ভিডিও ফুটেজ, ভিডিও শেয়ারিং সাইটসমূহে আপলোড করতে সক্ষম না হয়। অর্থাৎ যে সাইট অথবা আইপি এড্রেস হতে ছবি অথবা ভিডিও সমূহ ভিডিও শেয়ারিং সাইট সমূহে আপলোড করা হবে তা ব করে দেওয়া সহ শাস্তির প্রদান করা হবে। সেই সাথে যে সকল সাইটসমূহ চীন দেশের মতাদর্শের বিরোধী তথ্য ছবি অথবা ভিডিও সমূহ প্রদর্শন করবে সে সকল ওয়েব সাইট এবং ভিডিও শেয়ারিং সাইটসমূহের প্রচার ব করে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যেই চীন দেশে সারাবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ‘ইউ-টিউব’ এর সম্প্রচার ব করে দেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7952116796919596861?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7952116796919596861'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7952116796919596861'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_207.html' title='ইন্টারনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় চীনের নতুন উদ্যোগ'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-652115434805154432</id><published>2009-05-09T21:02:00.000-07:00</published><updated>2009-05-09T21:03:26.295-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিউজ'/><title type='text'>১৩৪ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্খান শেষ দশে : বিশ্বের শীর্ষ আইসিটি কানেক্টেড দেশ ডেনমার্ক</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামে সদ্য উপস্খাপিত ‘নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেস্ক’র তথ্যানুযায়ী বিশ্বের সবচাইতে বেশি আইসিটি নির্ভর কানেক্টেড অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে ডেনমার্ক। ইতোপূর্বে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্খান করলেও এবার যুক্তরাষ্ট্রের অবস্খান তৃতীয়। দ্বিতীয় অবস্খানে রয়েছে সুইডেন। মূলত আইসিটি নির্ভর প্রযুক্তিসমূহ বিস্তারের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানউন্নয়নের লক্ষ্যে সহজলভ্য প্রযুক্তির বিকাশ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ‘নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেস্ক’-এ বিবেচিত হয়ে থাকে। বিশ্বের ১৩৪টি দেশের উপর পরিচালিত জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ডেনমার্ক বর্তমানে সবচাইতে বেশি আইসিটি নির্ভর প্রযুক্তি কানেক্টেড দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এশিয়ার সিঙ্গাপুর ‘নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেস্ক’-এ চতুর্থ এবং সুইজারল্যান্ড পঞ্চম অবস্খানে রয়েছে। শীর্ষ দশের অপর দেশগুলো হলো ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, নেদারল্যান্ড এবং কানাডা। ‘নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেস্ক’ অনুযায়ী শেষ দশে অবস্খান করেছে নিকারাগুয়ে, কম্বোডিয়া, নেপাল, বলিভিয়া, ইথুপিয়া, বাংলাদেশ, বুরুন্ডি, জিম্বাবুয়ে, তিমুর-লেসতে এবং চাদ। এশিয়ার ইমার্জিং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে চীনের অবস্খান ৪৬তম এবং ভারতের অবস্খা ৫৪তম। মূলত দেশের সর্বত্র আইসিটি নির্ভর প্রযুক্তিসমূহের বিস্তার এবং ইন্টারনেট, মোবাইল কমিউনিকেশন সেবার সহজলভ্যতা এক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে। সেই সাথে ‘নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেস্ক’ প্রণয়নে প্রযুক্তির বিকাশের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি মূল বিবেচ্য বিষয় হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-652115434805154432?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/652115434805154432'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/652115434805154432'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_7150.html' title='১৩৪ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্খান শেষ দশে : বিশ্বের শীর্ষ আইসিটি কানেক্টেড দেশ ডেনমার্ক'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-448477164186029831</id><published>2009-05-09T21:00:00.000-07:00</published><updated>2009-05-09T21:01:31.050-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হার্ডওয়্যার'/><title type='text'>বিশ্বের সর্বনিম্ন পূরুত্ব বিশিষ্ট নোটবুক তৈরি করেছে ডেল</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল মাত্র ০.৬৫ ইঞ্চি পূরুত্ব বিশিষ্ট নোটবুক তৈরি করেছে যাকে বিশ্বের সবচেয়ে চিকন ল্যাপটপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ১৩.৪ ইঞ্চি স্ক্রীন এবং ১২৮ গিগাবাইট সলিড স্টেট ড্রাইভ সম্পন্ন এই ‘ল্যাক্সারি’ অ্যাডামো ল্যাপটপটি বর্তমানে বাজারে প্রচলিত অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো’র তুলনায় চিকন গড়নের হওয়ায় এই ল্যাপটপটিকেই বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অ্যাপলের ম্যাকবুক এয়ার ল্যাপটপটির পুরুত্ব ০.৭৬ ইঞ্চি এবং ডেল ‘লাক্সারি’ অ্যাডামো ল্যাপটপটির পুরুত্ব ০.৬৫ ইঞ্চি। ফলে বর্তমানে ডেলের ‘লাক্সারি’ অ্যাডামো ল্যাপটপটি বিশ্বের সর্বনিম্ন পুরুত্ব বিশিষ্ট ল্যাপটপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দু’টি ভিন্ন কনফিগারেশন সমৃদ্ধ এই ল্যাপটপটির মূল্য ১৯৯৯ ইউএস ডলার এবং অপরটির মূল্য ২৬৯৯ ইউএস ডলার। বিশ্বজুড়ে পিসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানসমূহ গবেষণা অব্যাহত রেখেছে ল্যাপটপের ওজন এবং পুরুত্ব কমিয়ে আনার পাশাপাশি এর কার্যক্ষমতা ব্যবহারকারীদের কল্যাণে অধিকতর গ্রহণযোগ্যতা আনয়নের লক্ষ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় ডেল কর্তৃক বাজারে অবমুক্ত করা হলো মাত্র ১.৮ কেজি ওজন এবং ০.৬৫ ইঞ্চি পূরুত্ব বিশিষ্ট ‘লাক্সারি’ অ্যাডামো ল্যাপটপ। উল্লেখ্য, গত বছর অ্যাপল কর্তৃক ম্যাকবুক প্রো বাজারে ছাড়ার সাথে সাথে ব্যাপকভাবে ক্রেতা আকর্ষণে সম্ভব হয় এবং অ্যাপল ব্যবসা সফলতা অর্জন করে। ডেলের নতুন এই হালকা গড়নের ল্যাপটপটি ১.২ গিগাহার্জ ইন্টেল কোর টু ডুয়ো প্রসেসর সমৃদ্ধ হওয়ায় ব্যস্ত জীবনে সহজে বহনযোগ্য এবং কার্যকর ল্যাপটপ হিসেবে ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের নিকট ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছে ডেল কর্তৃপক্ষ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;font-size:130%;" &gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-448477164186029831?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/448477164186029831'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/448477164186029831'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_1767.html' title='বিশ্বের সর্বনিম্ন পূরুত্ব বিশিষ্ট নোটবুক তৈরি করেছে ডেল'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-4041839531591882200</id><published>2009-05-09T20:58:00.000-07:00</published><updated>2009-05-09T20:59:42.905-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><title type='text'>ওয়েব বিজ্ঞাপন ও গ্রাহকের অধিকার</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা নিয়মিত ওয়েবসাইট ঘাটাঘাটি করছেন তারা খুব ভাল করেই ওয়েবসাইট বিজ্ঞাপনগুলো দেখছেন। বিজ্ঞাপনের কথা বলা হলো তবে বিজ্ঞাপন নিয়েই যত সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বিশাল এই ইন্টারনেটে। লাগাম ছাড়া এই বিজ্ঞাপনের বাজারকে সঠিক নিয়ন্ত্রণ করাটা জরুরি। লাগামহীন এই সব বিজ্ঞাপনগুলো যে বিভিন্নভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ক্ষতি করছে, তা নিয়ে মাথা ঘেমেছে অনেকেরই। তবে ২০০২ সালে সর্ব প্রথম এই ভাবনা আসলেও বাস্তবায়িত হয়নি। তবে ২০০৯ এর ভাবনাটা একটু ভিন্নরূপে প্রকাশ করেছে আমেরিকার সংসদ সদস্য রিক বাউচার। শুধু রিক বাউচারই নয় তার সাথে আছে আরো দু’জন সংসদ সদস্য। তারা যথাক্রমে ক্লিফ স্টিয়ানর্স ও জু বারটন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লাগামহীন উন্মত্ত্ব বিজ্ঞাপনকে লাগাম পরানোর উদ্যোগকে সবাই ভাল চোখেই দেখছে। ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপনগুলো মানুষকে যেমন উপকৃত করছে সেই সাথে বিশাল ক্ষতিরও কারণ হচ্ছে। তাই ব্যবহারকারী সতর্ক থাকলেও বিজ্ঞাপনের অতিরিক্ততায় অতিষ্ট হয়ে দিনদিন ইন্টারনেট ব্যবহারে আগ্রহ হারাচ্ছে অনেকেই। ধরুন আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গুগল এ সার্চ দিলেন। সার্চ কি-ওয়ার্ড রিলেটেড প্রচুর পেজ ওপেন হলো কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে স্পন্সরড লিংক নামের বিজ্ঞাপনগুলোতে স্পন্সরড লিংকে ক্লিক করার পর দেখলেন একটি অবাঞ্চিত বিজ্ঞাপন। যারা জানেনা এই সব বিজ্ঞাপনগুলো সম্পর্কে। তারা হরহামেশাই প্রতারণার শিকার হচ্ছে। কোন কোন বিজ্ঞাপন আছে যেগুলো খুবই বিরক্তিকর একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর জন্য। তবে বিরক্তিকর আসলে তার কাছে যে বিষয়টি বুঝতে পারছে এটি একটি ভুয়া বিজ্ঞাপন। আর যারা বিষয়টি বুঝতে পারছেন না তারা বিনাবাক্য ব্যয়ে ক্ষয় করছে হাজার হাজার টাকা। বিজ্ঞাপনগুলোর ধরন এমন যে, আপনি ডাটা এন্ট্রির কাজ খুঁজছেন। গুগল এ সার্চ দিলেন ‘ডাটা এন্ট্রি ওয়ার্ক ফন্সম হোম’। গুগল আপনাকে হাজার হাজার পেজ ওপেন করে দিল। আর স্পন্সর লিংকড এ দেখলেন ýমার্ট ডাটা এন্ট্রি ডট কমের একটি ওয়েব সাইট। ওয়েবসাইট এড্রেসের সাথে দেয়া আছে লোভনীয় অফার ‘অনলাইন ডাটা এন্ট্রি। প্রতিদিন ১৪০০ ডলার। কোন অভিজ্ঞতার দরকার নেই। শুরু করুন।’ এমন লোভনীয় অফার দেখে তাতে ক্লিক করে ওপেন করলেন ওয়েব সাইটটি। ýমার্ট ডাটা এন্ট্রির হোম পেজ এ আছে আরো লোভনীয় সব কথা। এবার শর্ত হচ্ছে কাজ পেতে হলে আপনাকে ýমার্ট ডাটা এন্ট্রি ডট কমের সাথে সাইন আপ করতে হবে। আপনি আপনার ইমেল এড্রেস সহ নাম ঠিকানা দিয়ে সাইন আপ করার দ্বিতীয় ধাপে আসলো ৪৯.৫০ ডলার দিলে আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন। আর ইনকাম করতে পারবেন দিনে ১৪০০ ডলার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোভনীয় অফারতো বলা হলো চলুন এবার জানি কি ধরনের ক্ষতি হবে এমন সব ওয়েব সাইটে সাইন আপ করলে। আমি খুবই সাধারণ কয়েকটি সমস্যার কথা বলি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক. অনেকেই তাদেরকে ৪৯.৫০ ডলার দিচ্ছে এবং অফেরতযোগ্য এই টাকা দেয়ার বিনিময়ে প্রতারিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;দুই. ইমেল দিয়ে সাইন আপ করার পর তারা আপনার ইমেইল এড্রেসসহ নাম ঠিকানা ট্রেকিং করছে। আর ইমেইল এড্রেসগুলো বিক্রি করছে অন্য আরেক প্রতারক ব্যবসায়ীর কাছে। সেই প্রতারক ব্যবসায়ী আবার আপনাকে নিয়মিত মেইল পাঠাচ্ছে। আপনি ইয়াহু গ্রুপের ৭,৭৫,০০০ ডলার লটারি জিতেছেন। লটারির টাকা উঠাতে আপনাকে ৭০ ডলার দিতে হবে। ৭০ ডলার দেবার পর তারা আর কোন খোঁজও আপনার নিচ্ছে না।&lt;br /&gt;তিন. ýমার্ট ডাটা এন্ট্রি ডট কমের মত এমন অনেক ওয়েব সাইট আছে যারা ইমেল এড্রেস সহ আইপি এড্রেস ট্রেকিং করছে। আর বিক্রি করছে অন্য এক প্রতারকের কাছে।&lt;br /&gt;চার. আপনি স্পন্সরড লিংক দু’টি সাধারণ পথে থেকে ঐ প্রতারক ব্যবসায়ী ইনকাম করে নিচ্ছে। মনে হয়ত প্রশ্ন জাগছে কিভাবে? প্রথমে বিজ্ঞাপন দেখে ক্লিক করাতে এবং তার ওয়েবসাইট ওপেন করলেন তার জন্য। শুধু যে এই দুই পথ তা কিন্তু নয় এমন হাজারও পথ আছে প্রতারকদের প্রায় প্রতিদিনই তাদের প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে অনেক ব্যবহারকারী। তবে আশার বাণী এই যে, ইন্টারনেটের এইসব ভুয়া বিজ্ঞাপন ঠেকাতেই প্রণীত হচ্ছে নতুন আইন। শুধু আইন প্রণীত হলেই যে, পুরো ইন্টারনেটকে প্রতারক মুক্ত করা যাবে তা কিন্তু নয়। তার জন্য সতর্ক হতে হবে ব্যবহারকারীকেও। ব্যবহারকারীদের অনেক বিষয়ে সতর্ক হতে হবে, তারমধ্যে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেডারেল ট্রেড কমিশন কর্তৃক প্রণীত নতুন আইনে প্রচুর তথ্য সহকারে ব্যবহারকারীদের সতর্কবাণী দেয়া হবে। ফেডারেল ট্রেড কমিশনের কর্তা ব্যক্তিরা সিনেটকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলে ‘বিজ্ঞাপনের লোভনীয় অফার দেখে উন্মত্ত্ব হয়ে লাভ নেই। সেজন্য ব্যবহারকারীকেই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।’ সত্যিই তাই, চিত্তাকর্ষক অফার দেখে কি লাভ? বিজ্ঞাপনের স্বভাব দেখেই একজন ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইটটি ওপেন করতে পারে। দিনে ১৪০০ ডলারের কাজ যে দিতে পারবে। সে কেন ৫০ ডলার নিবে? কাজ করার পরেও তো ৫০ ডলার রেখে আমাকে টাকা দিতে পারে, তাই না?’ ফেডারেল ট্রেড কমিশনের এমন উদাহরণ শুনে গুগল ও ইয়াহু’র মত সাইটের কর্তা ব্যক্তিরাও ধন্যবাদ জানান তাদের।&lt;br /&gt;শুধু গুগল আর ইয়াহুই নয় সেন্ট্রাল ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসির তত্ত্বাবধায়ক জেফ চেষ্টারও ফেডারেল ট্রেড কমিশনের সাথে একমত পোষন করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেন্টার ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসির ওয়েবসাইটে গুগলের প্রতি কিছু ক্ষোপ প্রকাশ করে তারা বলে ‘গুগলের মত সার্চ ইঞ্জিনে কীভাবে এইসব ভুয়া বিজ্ঞাপন দিচ্ছে প্রতারকরা। তাদের এ বিষয়ে আরো সতর্ক হওয়া দরকার ছিল। গুগল যেখানে হাজার হাজার দক্ষ লোকের তত্ত্বাবধানে চলছে সেখানে এমন ভুলগুলো ধরাটা উচিত ছিল। জেফ চেস্টার পৃথিবীর সকল ব্যবহারকারী উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সচেতন হোন। আর গুগল কিংবা ইয়াহু এই সকল ভুয়া বিজ্ঞাপনকে বাতিল করতে থাকুক।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এফিলিয়েট মার্কেটিং&lt;br /&gt;বিশ্বের মধ্যে প্রচুর ব্যবসায়ী আছে যারা অনলাইনে ব্যবসা করছে। তবে মনে একটা প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। কিভাবে তারা এই বিশাল বিশ্ব বাজারকে হাত করলো? প্রশ্নের উত্তর একটাই এফিলিয়েট মার্কেটিং। যেসব ওয়েব সাইট বিশ্ব বাজারকে হাত করে নিয়েছে তাদের ব্যবসায়ের দৈনন্দিন ওয়েবসাইট ট্রফিক বাড়ার পিছনে একটা জিনিসই কাজ করেছে। আর তা হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?&lt;br /&gt;যেকোন একটি ওয়েবসাইট তার ওয়েব ভিজিটর বাড়ানোর জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের সহায়তা নেয়। উদাহরণ দিয়ে বললে ব্যাপারটা আরো পরিস্কার হবে। ধরুন ডাউনলোড ডটকম, যারা কম্পিউটারে বিভিন্ন সফটওয়্যার বিক্রি করে এবং তা অনলাইনে। এবার কথা হচ্ছে ডাউনলোড ডট কম যদি আমেরিকার একটি কোম্পানির ওয়েবসাইট হয় তবে তারা সারা বিশ্বের ব্যবহারকারীদের সফটওয়্যার কেনায় আগ্রহী করতে এফিলিয়েট মার্কেটিং অপশনটি তার ওয়েবসাইটে রাখবে। প্রথমে আপনি ওয়েবসাইটটি দেখলেন এবং সফটওয়্যার কিনলেন। এখন কথা হচ্ছে ডাউনলোড ডট কম আপনার জন্য একটি প্রোগ্রাম রেখেছে এমন যে আপনার বুকে ডাউনলোড ডট কমের সাথে পরিচয় করাবেন। তারপর যদি আপনার বু আপনার দেয়া লিংক দিয়ে ডাউনলোড ডট কম হতে কোন পণ্য কিনে তবে আপনি তার জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। মোট কথা হচ্ছে অনলাইন হতে অতিরিক্ত কিছু অর্থ উপার্জন করার জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং একটি চমৎকার প্রক্রিয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশাল বিশ্ব বাজার ও অর্থ উপার্জন&lt;br /&gt;আপনার জীবন পরিবর্তিত হবার মত একটি চমৎকার অর্থ উপার্জনের পথ হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। সমগ্র বিশ্বে মিলিয়ন মিলিয়ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছে। তার মধ্যে ক্ষুদ্রতম একটি অংশও যদি আপনার এফিলিয়েট প্রোগ্রামের সাথে অন্তর্ভূক্ত হয় তবে আপনিও মাস শেষে ২৫-৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন খুব সহজেই। তবে সেজন্য আপনার প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা ও চমৎকার ওয়েব জ্ঞান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাফল্যের জন্য করণীয়&lt;br /&gt;অর্থ উপার্জনের জন্য নানান ধরনের এফিলিয়েট মার্কেটিং আছে। তবে সব এফিলিয়েট প্রোগ্রামই যে আপনাকে সফল করবে তা নয়। তাই অর্থ উপার্জনের আদ্যোপান্ত জানা থাকা চাই। অর্থ উপাজন যেহেতু, সেহেতু একটু পরিশ্রম করেই অর্থ উপার্জন করতে হবে। পূর্বেই বলেছি অর্থ উপার্জনের জন্য থাকতে হবে বুদ্ধিমত্তা ও চমৎকার ইন্টারনেট জ্ঞান। সর্বোপরি কয়েকটি বিষয়তো থাকতেই হবে। তন্মধ্যে জেদ, আকাংখা। সেই সাথে আরো একবার বলছি বুদ্ধিমত্তার কথা। সফলতার জন্য আগ্রহ থাকলে অবশ্যই সফলতা পাওয়া সম্ভব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে যা যা করণীয়&lt;br /&gt;&gt; যদি না থাকে তবে একটি ওয়েব সাইট তৈরি করতে হবে&lt;br /&gt;&gt; আপনার ওয়েব সাইটের সাথে সম্পর্ক যুক্ত কিছু এফিলিয়েট প্রোগ্রামের সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে&lt;br /&gt;&gt; যেসব এফিলিয়েট প্রোগ্রামের সাথে সম্পৃক্ত হলেন তাদের ওয়েব সাইটের ব্যানার বিজ্ঞাপনগুলো আপনার ওয়েব সাইটে দিতে হবে।&lt;br /&gt;&gt; আপনার ওয়েব সাইট ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টায় থাকতে হবে।&lt;br /&gt;উপরের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করার পর আপনাকে কিছুই করতে হবে না। যা করার করবে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিটররা। তারা আপনার ওয়েব সাইটে এসে বিভিন্ন এফিলিয়েট প্রোগ্রামের বিজ্ঞাপন দেখবে এবং তাতে ক্লিক করে পণ্য ক্রয় করবেন বা সাইন আপ করবেন আর তার জন্য আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-4041839531591882200?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4041839531591882200'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/4041839531591882200'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_7176.html' title='ওয়েব বিজ্ঞাপন ও গ্রাহকের অধিকার'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7408063585811472307</id><published>2009-05-09T20:57:00.001-07:00</published><updated>2009-05-09T20:57:55.003-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সফটওয়্যার'/><title type='text'>ঠেকান ঠকবাজ ভাইরাস</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সকলেই ভাইরাস আক্রান্তের ভয়ে ভীত। ভাইরাস ঠেকাতে নিরন্তর চেষ্ঠা সকলের। তবে শেষ নেই ভাইরাস আক্রমণের, নিত্য নতুন ভাইরাসও আবিস্কৃত হচ্ছে প্রতিনিয়তই। অসহ্য একটা ব্যাপার। ভাইরাসে যন্্রণায় অতিষ্ট সকলেই। তারপরও এর পদচারণা সারা বিশ্ব জুড়েই। ভাইরাসের এই অসহ্য যন্ত্রণা বাড়াতো আরো একটি নতুন ভাইরাস বের হয়েছে। নাম তার কনফ্লিকার। নতুন এই ভাইরাসের স্বভাবটা অন্য ভাইরাসগুলো থেকে একটু ভিন্ন। কারণ ভাইরাসটি নাছোরবান্দা স্বভাবের। নাছোরবান্দা বলার কারণ হচ্ছে ভাইরাসটিকে যতই রিমুভ করেন সে যে ফিরে ফিরে আসবে। কম্পিউটারের ক্ষতিকারক নতুন এই কীট কম্পিউটারের সব কিছু নষ্ট করার ক্ষমতা রাখে। তবে একে একেবারে বিধ্বংসী বলা যাবে না। তার কারণ হচ্ছে যদি একজন ব্যবহারকারী ভাইরাসটিকে প্রশ্রয় দেয় তবে ভাইরাসটিও পূর্ণ আশ্রয় নিবে। আর যদি ব্যবহারকারী একটু সতর্ক থাকে তবে ভাইরাস খুব বেশি ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। ২০০৮ সালে সর্ব প্রথম কনফ্লিকার ভাইরাসটি কম্পিউটারে আঘাত হেনেছিল। এবার আরো নিত্যনতুন সব ফিচার নিয়ে আবারও ভাইরাসটি তার আক্রমণ শুরু করেছে। ভিয়েতনামের এন্টিভাইরাস ফর্ম বিকিসের মতে ১.৩ মিলিয়ন কম্পিউটার কনফ্লিকার ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তবে তাদের ভাষ্যমতে কনফ্লিকার এ ও কনফ্লিকার বি ভাইরাসেই ২.২ মিলিয়ন কম্পিউটার এই ভাইরাসের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্খ হয়। কনফ্লিকার আসলে যেভাবে ছড়ানোর কথা ছিল ছিক সেভাবে না ছড়িয়ে একটু ভিন্নরূপেই তার আক্রমণ শুরু করে। ভিয়েতনাম হতেই শুরু হয় কনফ্লিকার ভাইরাসের আক্রমণ। আর বেশির ভাগ ক্ষতিগ্রস্খ কম্পিউটারই ভিয়েতনামের। তবে অন্যান্য দেশেও কনফ্লিকার ভাইরাসের আক্রমণ কম যায়নি। তবে অন্যান্য দেশগুলোতে ভাইরাসটি তার কালো রূপটি প্রকাশ করতে পারেনি। কারণ ভিয়েতনাম ছাড়া প্রায় প্রত্যেকটি দেশের কম্পিউটার ব্যবহারকারীই প্রচুর সচেতন ছিল এই ভাইরাসের ব্যাপারে। তবে সচেতনতার রক্ষণবুথ পার হয়েও বিভিন্ন কম্পিউটারে আঘাত হানে কনফ্লিকার। ভাইরাসটির গতিবিধি ছিল খুবই দুর্দান্ত। আর ভাইরাসের কার্যক্রমও শেষ হয়নি এখনো। আর সেজন্যই আমাদেরকে আরো সচেতন হওয়া দরকার। মূলত ভাইরাসটি বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই বেশি প্রভাব বিচ্চার করছে। মূলত কনফ্লিকার এ কনফ্লিকার বি কনফ্লিকার সি ইন্টারনেটের মাধ্যমে একজনের কম্পিউটারের শেয়ারিং ফাইলে বা ফোল্ডারে প্রতম আঘাত হানছে। আর ধীরে ধীরে প্রবাব বিচ্চার করছে পুরো কম্পিউটারে। শুধুতাই নয় ভাইরাসটি মূলত একই নেটওয়ার্কে থাকা সকল কম্পিউটারেই চোখের নিমিষে আঘাত করছে। ফলে সারাবিশ্বে খুবই দ্রুততার সাথে ভাইরাসটির কালো রূপ ছড়িয়ে পড়ছে। আসলে একই নেটওয়ার্কে থাকা সকল কম্পিউটারকেই ভাইরাসটি আক্রমণ করতে পারছে না। যে নেটওয়ার্কে আসলে রক্ষণবুদ গুলো জোরালো না। ঠিক সেইসব নেটওয়ার্কেই আকত্রমণটা বেশি হচ্ছে। তবে ভাইরাসের যন্ত্রণা হতে সকলকে মুক্তি দিতেও অনেক প্রতিষ্ঠানই কাজ করছে। ভাইরাস প্রতিরোধে ও রিমুভ করতে বিভিন্ন নিরাপত্তা প্যাচ বের হয়েছে অনলাইনে। আর অনলাইন থেকে বিনামূল্যেই নিরাপত্তা প্যাচগুলো ডাউনলোড করা যাচ্ছে। লিখে নিন নিরাপত্তা প্যাচ ডাউনলোড এড্রেস আর এখনি করে নিন ডাউনলোড। তবে এই টুলসগুলোর কিছু কিছু আছে যা ইন্সটল করা একটু ঝামেলার। সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্যাচগুলো পেন ড্রাইভ এ নিয়ে আপনার পরিচিত কোন কম্পিউটারে ইন্সটল করার উদ্যোগ নিতে পারেন। নিরাপত্তা প্যাচগুলো আসলে দুধরণের কাজ করবে। এক আপনার কম্পিউটারের নিরাপত্তা বিধান আর যদি কনফ্লিকার আক্্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে তা রিমুভ করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;font-size:130%;" &gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-7408063585811472307?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7408063585811472307'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/7408063585811472307'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_6880.html' title='ঠেকান ঠকবাজ ভাইরাস'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-1331141380806278075</id><published>2009-05-09T20:55:00.000-07:00</published><updated>2009-05-09T20:56:40.371-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সফটওয়্যার'/><title type='text'>কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির ৫ পদ্ধতি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;প্রায়ই আমরা এক বা একাধিক পিসিকে সংযোগের প্রয়োজন বোধ করি। বিশেষ করে যখন আমরা অফিসের বাইরে থাকি ঠিক তখন প্রয়োজনটা একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দেয়। আসলে প্রয়োজনটা কেমন? কখনো এমন হয় যে বিদেশে একজন ক্লায়েন্টকে একটা মেইল দিতে হবে। অথবা আপনার এক বু চট্রগ্রাম থেকে ফোন করলো ‘দোস্ত তাড়াতাড়ি আমাকে তোর তৈরি করা সিভিটা দে’। এরকম হাজারো দরকারেই আমাদের এক বা একাধিক পিসিকে সংযোগের প্রয়োজন পড়ে। সেক্ষেত্রে আসলে আমরা পেন ড্রাইভ বা অন্য কোন উপায় ব্যবহার করতে পারি না। তবে একই অফিসে বা পাশাপাশি কোন প্রতিষ্ঠানে ফাইল ট্রান্সফারের জন্য পেন ড্রাইভ ব্যবহার করাটা অনেক সহজ। আবার সব সময় ফাইল ট্রান্সফারের জন্যও পেন ড্রাইভ ব্যবহার সম্ভব নয়। মনে করেন আপনি আপনার অফিসে সাত তলায় বসেন কিন্তু আপনাকে বারবারই বিভিন্ন ফাইল তিন তলায় পাঠাতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে পেন ড্রাইভ ব্যবহার করাটা সমীচিন বলে আমি মনে করি না। তবে দূরবর্তী স্খানে ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য ইন্টারনেটের বিকল্প নাই। সেক্ষেত্রে আপনার ইন্টারনেট কানেকশন থাকা জরুরি। আজকের লেখায় চারটি পদ্ধতি আছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার ফাইল বা ফোল্ডার শেয়ার করতে নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করতে পারবেন। আসলে এই ক্ষেত্রে অনেক বেশি কম্পিউটার জানার দরকার নেই। নূন্যতম কম্পিউটার পারদর্শীরাই এই কাজগুলো করতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইথারনেট অথবা ফায়ারওয়্যার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাধারণত সাময়িকভাবে এক বা একাধিক কম্পিউটারে সংযোগ দেবার জন্য ইথারনেট বা ফায়ারওয়্যার অত্যন্ত কার্যকরী পথ। ইথারনেট অথবা ফায়ারওয়্যার এ নেটওয়ার্ক করতে অবশ্যই আপনাকে আইইইই ১৩৯৪ মডেলের ক্যাবল প্রয়োজন। মূলত এই পদ্ধতিতে নেটওয়ার্ক তৈরি করে সরাসরি তার দিয়ে একটি কম্পিউটারকে আরেকটির সাথে সংযোগ দিতে হবে। মূলত এটাই দ্রুত পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে আসলে আপনি ব্যক্তিগতভাবেই নিজস্ব কিছু আইপি এড্রেস তৈরি করবেন। তারপর দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে সংযোগ দিবেন। সেক্ষেত্রে যদি আপনার ডিএইচসিপি সার্ভার নাও থাকে তাহলেও সমস্যা নেই। আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এই কানেকশন দিতে পারবেন। আগেই বলেনি আইইইই ১৩৯৪ মডেলের ক্যাবল ব্যবহার করবো ইথারনেট অথবা ফায়ারওয়্যার কানেকশন দিতে। তবে আমরা ব্লু-টুথ কিংবা ওয়াইফাই কানেকশনকেও এই নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে পারি। কেননা এই পদ্ধতি যোগ করলে আরো দ্রুততার সাথে ফাইল সরবরাহ করতে পারবো। ফায়ারওয়্যার মূলত উইন্ডোজ এক্সপিতেই ব্যবহৃত হয়। ভিসতা ফায়ারওয়্যার সেটআপ করা যায় না। এক্সপি ও ম্যাক কম্পিউটারগুলোতেই শুধুমাত্র ফায়ারওয়্যার কানেকশন দেয়া সম্ভব। ইথারনেট কানেকশন দিতে আপনাকে যা করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. স্টার্টে ক্লিক করে কন্ট্রোল প্যানেল&lt;br /&gt;২. নেটওয়ার্ক কানেকশন সিলেক্ট করে এন্টার&lt;br /&gt;৩. লোকাল এরিয়া কানেকশন এ গিয়ে রাইট বাটনে ক্লিক করে প্রোপারটিজ এ ক্লিক করতে হবে&lt;br /&gt;৪. ইন্টারনেট প্রোটোকল(টিসিপি/আইপি) সিলেক্ট করে প্রোপারটিজ এ ক্লিক করতে হবে&lt;br /&gt;৫. তারপর ইউজ দ্যা ফলোইং আইপি সিলেক্ট করে আইপি এড্রেস দিতে হবে। আইপি এড্রেস হতে পারে ১৯২.১৬৮.০.১ সাবনেট মাস্কে হতে পারে ২৫৫.২৫৫.২৫৫.০। ঘর দুটো পূরণ করার পর বাকিগুলো ফাকা রেখেই ওকে বাটনে ক্লিক করবো। এবার একই রকমভাবে দ্বিতীয় কম্পিউটারেও আইপি এড্রেস ও সাবনেট মাস্ক এড্রেস দিব। তবে এবার পার্থক্য হবে শুধু আইপি এড্রেস হবে ১৯২.১৬৮.০.২। আর এভাবে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে কানেকশন দিব ভিন্ন ভিন্ন আইপি ব্যবহার করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অফলাইন পিসিতে ইন্টারনেট কানেকশন&lt;br /&gt;আসলে এই পদ্ধতিতে একটি অফলাইন পিসিকে ইন্টারনেট কানেকশন দেয়া যাবে। মনে করুন আপনার অফিসে শুধুমাত্র একটি কম্পিউটার এ ইন্টারনেট কানেকশন আছে। আর বাকি সব কম্পিউটারই ল্যান নেটওয়ার্কের আওতাধীন। এবার আপনি চাচ্ছেন ইন্টারনেটও থাকুক প্রত্যেকটি কম্পিউটারে। সেক্ষেত্রে আপনি এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারেন।&lt;br /&gt;কথা হচ্ছে এক কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেকশন আছে আর অন্যটিতে নেই। আপনি চাচ্ছেন যে কম্পিউটারে নেই সেটাতেও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে। সেজন্য অবশ্যই আপনাকে ইথারনেটের মাধ্যমে দুটো পিসিকে সংযুক্ত করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে ওয়াইফাই সিগন্যাল কার্যকরী নয়। এই পদ্ধতিতে নেট ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই আপনাকে দুটি কম্পিউটারে তারযুক্ত নেটওয়ার্ক তৈরি করে নিতে হবে। এবার আপনাকে যা করতে হবে। তা হচ্ছে হোস্ট কম্পিউটারটিকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতাধীন করতে হবে। আসলে এই পদ্ধতিতে নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করা অত্যন্ত ঝামেলার। তাই সচরাচর এই পদ্ধতিতে নেটওয়ার্ক করতে তেমন কাউকে দেখা যায় না। মূলত রাউটারের আইপি অনুযায়ী এর সাবনেট মাস্ক নিরূপণ করতে হয়। উদাহরণ স্বরূপ, রাউটারে ১৯২.১৬৮.০.স থাকলে আপনাকে দিতে হবে ১৯২.১৬৮.০.স। সে যাই হোক এই নেটওয়ার্ক স্খাপন করতে আপনাকে নিমোক্ত স্টেপগুলো নিতে হবে। ইন্টারনেট সংযুক্ত কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেল এ যেতে হবে।&lt;br /&gt;১. নেটওয়ার্ক কানেকশন সিলেক্ট করে এন্টার&lt;br /&gt;২. লোকাল এরিয়া কানেকশন এ গিয়ে রাইট বাটনে ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ ক্লিক করতে হবে&lt;br /&gt;৩. এবার এ্যাডভান্স ট্যাব হতে ‘এলাও আদার নেটওয়ার্ক উইজারস’ এর চেক বক্সটাকে টিক দিতে হবে। তারপর ওকে ক্লিক করতে হবে।&lt;br /&gt;৪. তারপর যদি প্রয়োজন হয় তবে লোকাল এরিয়া কানেকশনের ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের ১৩৯৪ পোর্টটিকে চিনিয়ে দিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ্যাডহক ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে দুটি কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি&lt;br /&gt;সাময়িকভাবে ওয়াইফাই কানেকশনগুলো আসলে একটু ভিন্ন রকম। কারণ অনেকগুলো কম্পিউটারের একসাথে নেটওয়ার্ক করে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক। আসলে ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে হোস্ট কম্পিউটারকে তারযুক্তভাবে নেটওয়ার্কের আওতাধীন করা হয়। আসলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেই এই নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করতে হয়। তাহলে দাড়াচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ল্যান কানেকশন। অধিকাংশ ওয়াইফাই সংযুক্ত কম্পিউটারই ওয়াইফাই হার্ডওয়্যার বিক্রেতা হতে কিছু ইউটিলিটি সংগ্রহ করে। সে দিক বিবেচনায় এই পদ্ধতিতে দুটি কম্পিউটারকে সংযুক্ত করা বেশ ঝামেলার। তারপর উইন্ডোজ প্লাটফর্মে আমি এই ধরণের কানেকশন তৈরির ধাপগুলো বলছি।&lt;br /&gt;১. প্রথমে কন্ট্রোল প্যানেল খুলে নেটওয়ার্ক কানেকশন&lt;br /&gt;২. তারপর লোকাল এরিয়া কানেকশনের প্রোপার্টিজ এ ক্লিক করতে হবে&lt;br /&gt;৩. তারপর এ্যাডভান্স ট্যাব থেকে ‘এলাও আদার নেটওয়ার্ক উইজারস’। তারপর ওকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেইসাথে আপনার করণীয় আরো কিছু স্টেপ হচ্ছে।&lt;br /&gt;১. কন্ট্রোল প্যানেল খুলে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ডের মাধ্যমে নতুন একটি নাম দিয়ে ওয়্যালেস নেটওয়ার্ক তৈরি করা। তবে খেয়াল করে কম্পিউটার টু কম্পিউটার চেক বক্সটি টিক দিয়ে যেতে হবে।&lt;br /&gt;২. তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী সময়ে আপনাকে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কানেক্ট করে কাজ শুরু করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাময়িক ফাইল ট্রান্সফার&lt;br /&gt;আসলে ইথারনেট কানেকশন এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটার থেকে আরেকটি কম্পিউটারের ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য দারুণ একটি উপায় মাই নেটওয়ার্ক প্লেস পদ্ধতি। মুলত সাময়িকভাবে ফাইল স্খানান্তরের জন্য এই উপায় অত্যন্ত ভাল। আসলে এই উপায়টি কিভাবে একটিভেট করবো চলুন তা জেনে নেই। মনে করেন আপনি আপনার কম্পিউটারের একটি ড্রাইভকেই শুধুমাত্র নেটওয়ার্কের অন্যদের জন্য উন্মুক্ত করবেন। সেক্ষেত্রে আপনার জন্য এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। যে ফোল্ডারকে শেয়ারিংয়ের আওতায় রাখতে চান সেই ফোল্ডারটিতেই নিতে হবে নিন্মোক্ত পদক্ষেপ।&lt;br /&gt;১. ফোল্ডারটির প্রোপার্টিজ খুলতে হবে। তারপর শেয়ারিং এবং সিকিউরিটি সিলেক্ট করতে হবে।&lt;br /&gt;২. তারপর শেয়ার দিজ ফোল্ডার অন দ্যা নেটওয়ার্ক। তারপর এ্যাপ্লাই ক্লিক করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মূলত এই ধরণের কানেকশন দিতে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার নিয়েই যত কাজ। চলুন ক্লায়েন্ট কম্পিউটারে কি কি স্টেপ নিতে হবে জেনে নেই।&lt;br /&gt;১. মাই কম্পিউটার ওপেন করতে হবে&lt;br /&gt;২. মাই নেটওয়ার্ক প্লেস এ ক্লিক করতে হবে&lt;br /&gt;৩. এ্যাড এ নেটওয়ার্ক প্লেস সিলেক্ট করতে হবে। তারপর দুইবার নেক্সট ক্লিক করতে হবে&lt;br /&gt;৪. তারপর চুজ এনাদার নেটওয়ার্ক লোকেশন সিলেক্ট করতে হবে&lt;br /&gt;৫. ব্রাউজে ক্লিক করার পর এন্টায়ার নেটওয়ার্ক প্লেস, মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এবং ওয়ার্কগ্রুপ সিলেক্ট করতে হবে।&lt;br /&gt;৬. সেইসাথে হোস্ট কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। হোস্ট কম্পিউটারের সাথে কানেকশন পেয়ে গেলে ওকে ও ফিনিস এ ক্লিক করে কানেকশন নিশ্চিত করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্লু-টুথ&lt;br /&gt;কম্পিউটারে ব্লু-টুথকে আসলে ওয়াইফাইয়ের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। কারণ ব্লু-টুথ এর মাধ্যমে খুব সহজে আপনি ফাইল স্খানান্তর করতে পারবেন। আসলে ল্যাপটপ টু ল্যাপটপ ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্লু-টুথ ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকরী। অনেকেই মোবাইলে ব্লু-টুথ ব্যবহারের পারদর্শী। সাধারণত ল্যাপটপ টু ল্যাপটপে ২ মিনিটে ৫ মেগাবাইট ফাইল ট্রান্সফার করা যায়। চমৎকার আরো একটি ব্যাপার হচ্ছে ল্যাপটপ থেকে মোবাইলে ফাইল ট্রান্সফারের জন্যও এই ব্লু-টুথ পদ্ধতিকে সাধুবাদ দিতে হয়। তবে আপনারা যারা ল্যাপটপে ব্লু-টুথ সার্ভিস ব্যবহার করতে চান, তাদের অবশ্যই ব্লু-টুথ ল্যাপটপে আছে কিনা তা নিশ্চিত করে নিতে হবে। আর যাদের ব্লু-টুথ সার্ভিস আছে তারা এখনি নিম্নোক্ত পদক্ষেপ নিতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফাইল যে পাঠাচ্ছে তার করণীয়&lt;br /&gt;১. ব্লু-টুথ সফটওয়্যারটি ওপেন করতে হবে&lt;br /&gt;২. তারপর ফাইল ট্রান্সফার উইজার্ড হতে একসেসরিজ হতে কমিউনিকেশন ফোল্ডারটি খুলে তাতে যে ফাইল দিতে চান তা কপি করে পেস্ট করতে হবে।&lt;br /&gt;৩. তারপর সেন্ড এ ফাইল&lt;br /&gt;৪. তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যে কম্পিউটারে ফাইল ট্রান্সফার করা হচ্ছে তার ডিভাইস নম্বরটি দিতে হবে। ডিভাইস নম্বরকে পাসকি বলা হয়। আর পাসকি সেট করতে অবশ্যই ব্রাউজ ট্যাবটি ওপেন করে তারপর বসাতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফাইল যে চাচ্ছে তার করণীয়&lt;br /&gt;১. ব্লু-টুথ সফটওয়্যারটি ওপেন করতে হবে&lt;br /&gt;২. তারপর ফাইল ট্রান্সফার উইজার্ড ওপেন করতে হবে&lt;br /&gt;৩. একসেসরিজ হতে কমিউনিকেশন ফোল্ডারটি খুলতে হবে&lt;br /&gt;৪. তারপর ‘রিসিভ এ ফাইল নামের রেডিও বাটনটি সিলেক্ট করে নেক্সট দিতে হবে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-1331141380806278075?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1331141380806278075'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/1331141380806278075'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_4260.html' title='কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির ৫ পদ্ধতি'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-2332873196290249928</id><published>2009-05-09T20:46:00.000-07:00</published><updated>2009-05-09T20:48:25.356-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মাল্টিমিডিয়া'/><title type='text'>চেহারা সনাক্তকরণ - বুদ্ধিমত্তার পরিচালক নাকি স্রেফ ধোঁয়াশার খেলা</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;অ্যাপল আর গুগল বাজারে এনেছে কয়েকটি নতুন ফটো প্রোগ্রাম, যেগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে চেহারা সনাক্তকরণের জন্য রীতিমত বৈপ্লবিক কিছু প্রযুক্তি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধরুন, আপনার কম্পিউটারে হাজার পঁচিশেক ডিজিটাল ছবি স্টোর করা আছে। বেশির ভাগই মানুষের। এখন পর্যন্ত এসব ছবি থেকে কাঙিক্ষত ছবি খুঁজে বের করার একমাত্র উপায় হলো হাত এবং চোখ কাজে লাগানো। অর্থাৎ তারিখ, এক্সিফ ডাটা, ট্যাগ অথবা নিতান্তই নিজের ýমৃতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে খুঁজে বের করা। কিন্তু এখন থেকে এই খোঁজাখুঁজির কাজটা কম্পিউটারই করে ফেলতে পারবে। এজন্য অ্যাপল এবং গুগলকে ধন্যবাদ দিতেই হয়, কারণ তারা তাদের ফটো ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের নতুন ভার্সনে চেহারা সনাক্তকরণের নতুন প্রযুক্তিটি সংযুক্ত করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চেহারা সনাক্তকরণের এই প্রযুক্তিটির জন্ম মূলত ১১ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাপটে। সে সময় সন্ত্রাস প্রতিরোধে জন্ম নেয়া সুচতুর এবং কুশলী প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে এটি একটি, যার পেছনে কাজ করেছে সত্যিকারের মেধা। উদ্দেশ্যটা ছিল এমন যে, কোন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিরাপত্তা চৌকি পার হবার সময় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সণাক্ত করা যাবে। যদিও ব্যাপারটি ঠিক সেভাবে কাজ করেনি। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় টাম্পাতে করা একটি পরীক্ষার কথা; শতকরা ৫৩ ভাগ ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিমানবন্দনের কর্মচারীদের সনাক্ত করা যায়নি। এছাড়া নাগরিক স্বাধীকারের জন্য কাজ করে এমন কিছু গোষ্ঠী জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই নিরাপরাধ লোকজনকে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদেরকে হয়রানি এমনকি গ্রেপ্তার হতে হয়েছে শুধুমাত্র তাদের চেহারার ধরনের কারণে। আর এভাবেই এই প্রযুক্তিটি নিজেকে কার্যকর প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়ে জনগণের দৃষ্টির বাইরে চলে গেছে। আর এভাবেই অকার্যকর যেকোন কিছুকে ছুড়ে ফেলে দেয় হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশই তাদের পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় ছবির চাহিদা বদলে দিয়েছে যাতে একে সনাক্তকারী সফটওয়্যারের জন্য আরো সহায়ক করে তোলা যায়। ১৯৯৪ সাল থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস এ্যান্ড টেকনোলজি এই প্রযুক্তিটির পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালিয়ে আসছিল। ২০০২ এবং ২০০৬ সালে তারা ব্যাপকভাবে এই পরীক্ষা চালায়। বিশেষ করে একজন মানুষ যখন ভিন্ন ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে একাধিক ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে চায় তখন। প্রযুক্তিটি ক্রমশ উন্নতি দেখিয়েছে বেশ ভালভাবেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটি কার্যকর চেহারা সনাক্তকারী ব্যবস্খার জন্য প্রথম যেটি প্রয়োজন, সেটি হলো কম্পিউটার যেন একটি ছবি থেকে মানুষের চেহারাকে আলাদাভাবে সনাক্ত করতে পারে। কৌশলগত ভাবে একটি নির্দিষ্ট মানুষকে খুঁজে বের করার চাইতে এটা অনেক সহজ কাজ। ২০০১ সালের ১২ সেপ্টেম্বরের পর এই প্রযুক্তিটিকে প্রায় আদর্শ রূপে এনে দাঁড় করানো হয়েছিল, যার ফলস্বরূপ কয়েক বছরের মধ্যেই ডিজিটাল ক্যামেরা ও ক্যাম কর্ডার গুলোতে চেহারা সনাক্তকরণের প্রযুক্তি চালু হয়ে যায়। এটি মূলত চোখ, নাক এবং চেহারার অন্যান্য অঙ্গের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আকৃতি খুঁজে বের করার মাধ্যমে কাজ করে। তারা একটি নির্দিষ্ট বক্সের ভেতর চেহারাটি থাকার সম্ভাবনা নির্দিষ্ট করে স্বয়ংক্রিয় ফোকাস করার সিস্টেমটিকে বলে দেয় কোথায় ফোকাস করতে হবে। কাঙিক্ষত কোন মানুষের চেহারা ছবিতে ঝাপসা হয়ে থাক, এটা কেউ চায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর তাই, চেহারা সনাক্তকরণের কাজটা শুরু হয় চিহ্নিতকরণের মাধ্যমেই। এরপর চেহারার বক্সটিকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চোখ দু’টোকে সমান্তরালে আনা হয় এবং একই আকারে নিয়ে আসা হয়। এরপর তিনটি ভিন্ন প্রক্রিয়া কাজ করা শুরু করে। অবশ্য এই প্রত্যেকটি প্রক্রিয়ারই আলাদা আলাদা অনুপ্রক্রিয়া আছে। প্রত্যেকটিরই আছে নিজস্ব পেটেন্ট। একটি প্রক্রিয়ায় পুরো চেহারাটিকে গাণিতিক সংকেত পরিণত করে জমা রাখা হয় যার সাথে তুলনা করে পরে একই চেহারা খুঁজে বের করা যায়। অন্য একটি প্রক্রিয়ায় পুরো চোহারাটিকেই টেমপ্লেটে রূপান্তরিত করে জমা রাখা হয় এবং পরবর্তীতে পুরো চেহারাটিকেই সনাক্তকরণের সময় তুলনা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। আর তৃতীয় একটি পদ্ধতিতে চেহারাটির একটি ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরি করে পরবর্তীতে এক ধরনের জ্যামিতিক তুলনার মাধ্যমে সনাক্তকরণের কাজে ব্যবহার করা হয়। অভিজ্ঞতা বলছে, অ্যাপলের সফটওয়্যারটি যেখানে যুগান্তকারী প্রক্রিয়ায় কাজ করছে, সেখানে গুগলের সফটওয়্যারটি মূলত ইমেজ ম্যাচিং করছে। তবে এই ধারণা ভুলও হতে পারে। কারণ দু’টি কোম্পানির একটিও প্রকাশ করেনি, তারা আসলে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অ্যাপলের আই ফটো ০৯’কে পরীক্ষা করা হয়েছিল দু-দফায় ১৭০০০ এবং ১০০০০ ছবি দিয়ে। গুগলের পিকাসা শুধুমাত্র আগেই আপলোড করা ছবির ক্ষেত্রে কাজ করে। যদিও মাত্র ৫০০ ছবি ব্যবহার করেই এই ব্যাপারটা ধরা গেছে। তবে ফলাফল হিসেবে বলা যায়, দুটি সফটওয়্যারই দুর্দান্তভাবে কাজ করে। সেই সাথে এগুলো বেশ চতুরও বটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুটোর মধ্যে আইফটো ’০৯ অবশ্যই তুলনামূলকভাবে ব্যবহারকারী বাব। প্রথমবার আইফটো চালু করার পর এটি নিজে থেকেই কম্পিউটারে থাকা সমস্ত ছবিকে যাচাই করে নেয়। একটি ডুয়েল কোর আই ম্যাকের ক্ষেত্রে এই সময়টা চার ঘন্টা পর্যন্ত হতে পারে। এরপর যখনই পরিচিত কারো মুখের ছবিতে ক্লিক করা হবে। তখনই একটি ডায়লগ বক্স আসবে। সেখানে নামটা লিখে দিলেই হলো, এরপর সফটওয়্যারটি নিজে থেকেই একই ধরনের ছবিগুলো খুঁজে বের করবে। সম্ভবত বক্সের ভেতর অবস্খিত চেহারার দুই পাশ, ভ্রু, চোখ, চিবুক ইত্যাদির মাধ্যমেই সনাক্তকরণ হয়। সব মিলে নাম লেখার পর সেই চেহারার মানুষটির বাদ-বাকী ছবিগুলো খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে আইফটো বেশ ভাল কাজ দেয়। কিন্তু এটাও ঠিক যে এই কাজটা করতে গিয়ে অনেক সময় ভিন্ন মানুষের কিছু ছবিও চলে আসে। এ কারণেই পরবর্তীতে আই ফটোকে বলে দিতে হয় কোন ছবিটা ঠিক আর কোন ছবিটা ভুল। এর মাধ্যমে আই ফটো তার গাণিতিক মডেলটি সংশোধন করে নেয় এবং আবার সবগুলো ছবি যাচাই করে। আর বার বার এই প্রক্রিয়া চালাতে থাকলে ক্রমশই গাণিতিক মডেলটি উন্নত হতে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সব চাইতে বিýময়কর দক্ষতাটি আই ফটো প্রদর্শন করে শিশুদের ছবি সনাক্ত করার ক্ষেত্রে। এমনকি একই রকম দেখতে জমজ দুই শিশুর ছবিও এটি আলাদা করতে পেরেছে, (বলা বাহুল্য, একটি শিশুর মুখ সরু এবং অন্যটির একটু মোটা গড়নের ছিল)। কিন্তু দু:খজনকভাবে সমান সংখ্যক ছবির ভেতর থেকে এই দুই জমজের একজনকে অন্যজনের তুলনায় বেশি সনাক্ত করেছে আইফটো। এক্ষেত্রে একটি মজার ব্যাপার ধরা পড়ে যেটি আইফটো ধরতে পেরেছিল কিন্তু অন্যরা পারেনি। একটি শিশু সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকায় কিন্তু অন্যজন তাকায় একপাশ থেকে। আর দুই চোখ সমানভাবে দেখা না গেলে আইফটোর পক্ষে চেহারা সনাক্ত করাটা খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়াও এই শিশুদের মুখে রঙ লাগিয়ে অনেক গুলো ছবি তোলা হয়েছে এবং দেখা গেছে সেগুলো আই ফটো সনাক্ত করতে পারছে না। শুধুমাত্র যেসব ক্ষেত্রে কপালের মাঝামাঝি রঙটা সীমাবদ্ধ ছিল সে ক্ষেত্রে এটি সনাক্ত করতে পেরেছে কারণ কপালটা থাকে সনাক্তকারী বাক্সের বাইরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসলে আই ফটো সনাক্তকরণ পদ্ধতি সম্পর্কে এখনো অনেক কিছুই জানার আছে। বেথের ব্যাপারটাই ধরা যাক। যতবারই তার কম্পিউটারে বেথ এর ছবি খুঁজতে দেয়া হয়, ততবারই সাইমনের প্রাক্তন বাবীর ছবি চলে আসে। মনে হয় আই ফটো বুঝতে পারে সাইমন আসলে কাকে পছন্দ করে। ফাঁকিটা হলো, সাইমনের কম্পিউটারে তার প্রাক্তন বাবীর এত বেশি ছবি যে যে কেউ ইচ্ছেমতো কয়েকটা ছবি বেছে নেবে, তাতে ঐ মেয়ের একটা নয়ত একটা ছবি পড়বেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বেড়ালের ছবি সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে আই ফটো বিûময়কর সাফল্য দেখিয়েছে, বিশেষ করে হলুদ ও সাদা বেড়ালের ক্ষেত্রে। কিন্তু ট্যাবি জাতের ক্ষেত্রে কথাটা প্রযোজ্য নয়, কারণ এগুলো চেহারা বোঝাটা একটু মুশকিল কাজই বটে। এদের চোখের রঙটা মুরগীর বাচ্চার মতই আর আই ফটো তার সনাক্তকরণের কাজটা ছায়াযুক্ত বা অল্প কনট্রাস্ট এর অংশ থেকেই শুরু করে। এর কারণ হলো ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে চেহারাকে আলাদা করার জন্য এটি ভাল কাজ দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘরে আইফটো আসার পর অনেক সময় কম্পিউটারের পাশে পরিবার সদস্যদের আনাগোনা বেড়ে যায়। তারা সময় কাটায় কম্পিউটারকে নিজেদের চেহারাগুলো ভালভাবে চেনানোর কাজে। কম্পিউটারের হিসেব নিকেষটা বোঝার চেষ্টাটাও চলে। কম্পিউটার যখন ভুল ছবি বের করে তখন অনেক সময় হাসাহাসিও হয়। মাঝে মাঝে বেরিয়ে পড়ে ভুলে যাওয়া কোন ছবিও। এ হিসেবে অ্যাপলের তৈরি সবচাইতে আনন্দদায়ক সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে নি:সন্দেহে স্খান করে নেবে আই ফটো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিক থেকে গুগলের পিকাসা অনেক বেশি ধোঁয়াশাপূর্ণ। কার মুখটা খোঁজা হচ্ছে সেটা না জেনেই আপলোড করা সমস্ত ছবিকে যাচাই করে একই ধরনের মুখগুলোকে একই গ্রুপে ফেলে আলাদা আলাদা ক্লাস্টার তৈরি করে পিকাসা। অনেক ক্ষেত্রেই একই গ্রুপের সব ছবি একই মানুষেরই হয়। এরপর প্রত্যেক গ্রুপের মানুষটির পরিচয়, নাম, ই-মেইল অ্যাড্রেস এসব লেখার কাজটা ব্যবহারকারীকেই করতে হয়। তবে গুগলের এই ক্লাস্টারিং এর কাজটা আহামরি কিছু হয় না। হরহামেশাই বিভিন্ন ব্যক্তিকে একই ক্লাস্টারে এবং একই ব্যক্তিকে বিভিন্ন ক্লাস্টারে ফেলে দেয় পিকাসা। আই ফটোর মত ছদ্মবেশও ধরা পড়ে না এতে। বরং ছদ্মবেশধারী ব্যক্তিকে ভিন্ন ব্যক্তি বলেই ধরে নেয় এটি। তবে গুগলের ইউজার ইন্টারফেসটি চমৎকার। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ক্লাস্টারিং এর কাজটি হয়ে যায় এবং সহজেই পরিচিত সব লোকজনের ছবি তাদের আসল নাম আর ই-মেইল অ্যাড্রেস সহ পাওয়া যায়, এমনকি একই ছবিতে অবস্খানকারী ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রেও, যা পিকাসার অন্যতম আকর্ষণীয় দিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসল নাম জুড়ে দেয়াটাই গুগলের সফটওয়্যারটিকে রহস্যপূর্ণ করে তুলেছে। কারণ এই ছবিগুলো কারো কম্পিউটারে নয় বরং গুগলের সার্ভারে সংরক্ষিত। এই ছবি, নাম এবং ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করে গুগল চাইলেই একটি গ্লোবাল ডাটাবেজ তৈরি করতে পারবে এবং এজন্যে তার বিরুদ্ধে শর্তভঙ্গের অভিযোগও আনা যাবে না। কেননা সে এই কাজটি করছে তার সেবার মনোন্নয়নের খাতিরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গুগলের যে ব্যাপারটি একেবারেই সমাধানের বাইরে, সেটা হলো, এই সেবার মাধ্যমে তারা একটি ছবিতে অবস্খিত সবার পরিচয় জানতে চায়। এমনকি ছবির পেছনের হেটে যাওয়া পথচারীটিরও। গুগলের কর্পোরেট মিশনের উদ্দেশ্য হলো, ‘বিশ্বের সমস্ত তথ্যকে একীভূত করে সবার হাতে পৌছে দেয়া’। এই সেবার মাধ্যমে হয়ত গুগল তার মিশনটিকে সফল করতে চাইছে। কিন্তু সমস্যা হলো সব মানুষের সব তথ্য সবার কাছে থাকার ব্যাপারটা সবার কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অন্তত একটি ফটো শেয়ারিং ওয়েব সাইটের কাছে তো এটা কাম্য নয়ই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আই ফটোতে যখন কেউ নিজের একান্ত প্রিয়জনেদের ছবিগুলো নাড়াচাড়া করে, তখন সে যেমন আনন্দ পায় ঠিক তেমনি গুগলের পিকাসাতে অপরিচিত লোকজনের ছবিরও নাম জানতে চাওয়ায় নিজেকে মনে হয় যেন কোন সেচ্ছাচারী এক নায়কের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মচারী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসব ভোক্তা তাড়িত চেহারা সনাক্তকারী সফটওয়্যার নি:সন্দেহে বায়োমেট্রিক্স ও জনগণের ওপর ভিত্তিও নজরদারি সংক্রান্ত সকল জননীতি বিতর্কের মৌলিক পরিবর্তন ঘটাবে। ১১ সেপ্টেম্বরের পরবর্তী সময়টাতে কেউ জানতো না এই প্রযুক্তি কিভাবে কাজ করে, এর ভেতর কতটুকু ভুল এবং ঠিকইবা কতটুকু। কিন্তু এ বছরের শেষ নাগাদ লক্ষ লক্ষ আমেরিকানের নিজ হাতে সময়কালের সর্বাধিক দ্রুত চেহারা সনাক্তকারী সফটওয়্যার ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা থাকবে। শুধুমাত্র পরিবার সদস্যদের ছবি নিয়ে কাজ করার নতুনত্বটা ঝড়ে পড়লেই এর অন্যদিকগুলো সবার চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তখন জনগণের পক্ষ থেকেই দাবী উঠবে এর গতিবৃদ্ধি করার এবং ব্যবহারবিধিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-2332873196290249928?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2332873196290249928'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/2332873196290249928'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_4724.html' title='চেহারা সনাক্তকরণ - বুদ্ধিমত্তার পরিচালক নাকি স্রেফ ধোঁয়াশার খেলা'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-8271952850775564164</id><published>2009-05-09T20:43:00.001-07:00</published><updated>2009-05-09T20:45:31.777-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রোবট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টেকনোলজি'/><title type='text'>ক্যাটওয়াকেও ঝড় তুলেছে রোবট</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;জমকালো ফ্যাশন শো’র মূল আকর্ষণ ছিল মহিলা রোবট। মেয়েদের অবয়বের রোবটটি যে দর্শক মাতালো জাপানের টিসুকুবার এক ফ্যাশন শো’তে তাতে দ্বিধান্দ্বিত নয় কেউই। কারণ চমৎকার কোমর দুলানি আর সদা হাস্যোজ্জ্বল মহিলা রোবটটি দেখালো তার গতিময়তার এক উত্তাল রূপ। মহিলা রোবটটির প্রতি কদমেই বুঝা যাচ্ছিল কতটা জীবন্ত রূপ দিয়েছে এর বিজ্ঞানীরা। চমৎকার এই আবিষ্কার যে আরো একধাপ এগিয়ে নিল পুরো পৃথিবীকে সেটা বলাই যায়। পূর্বের আবিস্কৃত রোবটের চেয়ে এর গতিময়তায় শো’তে উপস্খিত সকল দর্শকই ছিল বিমুগ্ধ। অনেকেই হয়ত ভাবছেন এটা বোধহয় রোবটের ফ্যাশন শো ছিল। না তা কিন্তু নয় এটি মূলত মডেলদের দ্বারা পোশাক প্রদর্শনের ফ্যাশন শো ছিল। অনেক দর্শকই প্রথমে বুঝতেই পারেননি যে এটা একটি রোবট ছিল। চোখ ধাঁধানো অববয় আর পরিপাটি পোশাক পরিচ্ছদে দারুণ মানিয়েছিল রোবটটিকে। জাপানে যারা নিয়মিত ফ্যাশন শো’র দর্শক তারা প্রথমে ভেবেছিল এই নতুন মেয়ে কবে এলো ফ্যাশন শো জগতে। তবে তারাসহ সকল দর্শকই হতবিহ্বল হয়ে যায় যখন তারা শুনলো ঐ সুন্দর ও পরিপাটি পোশাকের মেয়েটি একটি রোবট। পুরো হলরুমই তখন ছোটছোট গুঞ্জন আর হাসি কান্নার রোল পড়ে যায়। যারা কান্না করছিল তাদের অভিমত ছিল এমন, ‘কিভাবে একটি রোবটকে এতো জীবন্ত করা সম্ভব।’ সেই সাথে তারা এই রোবট আবিষ্কারদের ধন্যবাদও দেন। রোবটির কৃতকর্মের কথা বলা হলো চলুন এবার আমরা এর আবিষ্কারের পিছনের কিছু কথা জানি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জাপান সরকারের অর্ধ পৃ‘পোষকতায় চালিত দ্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এডভান্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির বিজ্ঞানিরা তৈরি করে এই রোবটটি। তারা এই রোবটটি আবিষ্কারের কথা বলতে গিয়ে এক ডেভেলপার বলেন, ‘প্রথমে আমরা এর নাম ঠিক করি সাইবার নেটিক হিউম্যান। মূলত রুহ ছাড়া পূর্ণাঙ্গ একটি মানুষ তৈরি করাই ছিল আমাদের লক্ষ্য। তার প্রথম কাজটি করতে পেরেছি বলে আমরা খুশি। ৯৫ পাউন্ডের ৪৩ কেজি ওজনের রোবটটির তার যথাযথ কর্মটি করতে পেরেছে। আর সফল সমাপ্তির জন্য ধন্যবাদ বিধাতাকে।’ তবে এই রোবটটির অন্য আরেকজন তৈরিকারক হিরোহিসা হিরোকায়ার মত একটু ভিন্ন। সে মনে করছে প্রযুক্তির বিচারে এর আরো কিছু কাজ বাকী আছে। প্রযুক্তিগতভাবে সাইবারনেটিক হিউম্যান পর্যায়ে যেতে রোবটটির আরো কিছু উন্নতি দরকার। ফ্যাশন শো প্রদর্শনকারী প্রতিষ্ঠানের অবশ্য মত হচ্ছে এর প্রায় সব দিকই উন্নত ছিল তবে এর উচ্চতা আরো একটু বেশি হওয়া প্রয়োজন। সাইবারনেটিক হিউম্যানের পরবর্তী রোবটটি হচ্ছে ৫৮ কেজি (১২৪ পাউন্ড) ওজনের এইচআর পি-৪সি। রোবটটি হবে কালোকেশি আর উচ্চতা হবে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। সাইবারনেটিক হিউম্যান ডেভেলপাররা মনে করছে পরবর্তী রোবটটি পুরো মাত্রায় দর্শকের আনন্দ দিতে পারবে। রোবট ডেভেলপারদের মতে কৌতুক প্রদর্শন, ব্যায়াম শিক্ষক ও খেলার মাঠের নৃত্যরত মডেলের কাজে রোবটটি ব্যবহার করা যাবে। মূলত এইচআরপি-৪ সিকে জাপানের নারীদের গড় উচ্চতা বিবেচনায় তৈরি করা হয়। রোবটটি আগামীতে টোকিও ফ্যাশন শো’তে প্রদর্শন করা হবে। তবে এই শো’তে রোবটটিকে নগ্নভাবে ফ্যাশন শো’তে প্রদর্শিত হবে। বর্তমানে রোবটটি বিক্রির জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। রোবটটির মূল্য ২০ মিলিয়ন ইয়েন যা ডলারে ২ লক্ষ। এই রোবটটির আবিষ্কারক বলেছেন কোন প্রকার মুখের আকৃতি ছাড়াই ২ লক্ষ ডলার বা ২০ মিলিয়ন ইয়েন দরে রোবট বিক্রয় করা হবে। আর এই রোবটকে অদূর ভবিষ্যতে স্খানীয়ভাবে বাজারজাত করা হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জাপান বরাবরই রোবট তৈরিতে এগিয়ে। আর সেজন্য তারা পুরো পৃথিবীতেই গর্ব করে। নিত্যনতুন রোবট তৈরিতে তারা প্রচুর প্রেষণা দিচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে। জাপান রোবট তৈরি ক্ষেত্রে আরো সম্প্রসারণের জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করছে। আর উদ্ভাবিত হচ্ছে নতুন সব রোবট। খুবই সম্প্রতি জাপানের আরো একটি কোম্পানি নতুন একটি রোবট তৈরি করছে। অটোমেকার হোন্ডা মটর কোম্পানির আশিমো নামে আরো একটি রোবট তৈরি করেছে। যা সাইবারনেটিক হিউম্যানের মতো চলতে ফিরতে ও কথা বলতে পারে। তবে এই রোবটটি মানুষের মত দেখতে না। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরাও এমন একটি রোবট তৈরি করেছে। এছাড়া ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরাও সাইবারনেটিক হিউম্যানের মত করে নতুন দুটি রোবট তৈরি করেছে। প্রত্যেকটি রোবট দেখতে মানুষের মত এবং রোবটগুলো রিসিপসনিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারবে। বর্তমানে জাপানে আরো একটি রোবট আবিষ্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যা মূলত বৃদ্ধ ও অসুস্খ রোগীর সেবায় নিয়োজিত করা যাবে। জাপানের ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান উহিহিরো কাগা বললেন, ‘আমরা এই ক্ষেত্রকে শ্রমশিল্প খাত হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর তা সম্ভব হবে খুব শীঘ্রই।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাইবারনেটিক হিউম্যানের এইচআরপি-৪সি রোবটে মূলত ৩০টি মটর বসানো আছে। যার প্রত্যেকটির একের ধরনের কাজ। মটরগুলো মূলত হাত-পা নড়াচড়া করা আর হাসি, রাগ ও বিýময় প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এইচআরপি-৪সি’র মত করে নতুন আরেকটি রোবট তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চমৎকার মহিলা কণ্ঠ দ্বারা তৈরিকৃত রোবটটি যখন দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলবে ‘হ্যালো এভরিওয়ান’। তখন রোবটটির মুখ নড়াচড়া করবে। অন্যদিকে কথার তালে তালে চোখও মিটমিট করবে। আর হাটার ছলে ছোট বিটের কোমর দুলাতে দুলাতে দর্শকদের মন মাতাবে। বিজ্ঞানীরা এখন উঠে পড়ে লেগেছে তৈরি করা হবে উপস্খাপিকা রোবট। যে উপস্খাপন করতে পারবে পুরো একটি অনুষ্ঠান। উপস্খাপিকা রোবটটি হবে চমৎকার মুখের অধিকারিনী আর বাচনভঙ্গির তালে তালে চলবে ঠোঁট নাড়ানো আর মুখের অবয়বের নানাবিধ পরিবর্তন। চমৎকার হাসি, অভিমানী আর চমক এই তিলের মিশেল দিয়ে তৈরি হবে উপস্খাপিকা রোবট। আগামীর আবিষ্কার বাদ দিয়ে আবারো ফিরে যাই সাইবারনেটিক হিউম্যানের কথায়। সামনেই প্যারিসের একটি ফ্যাশন শো’তে অংশগ্রহণের জন্য যাবে এইচআরপি-৪সি। সেজন্য এইচআরপি-৪ সি’র কিছু পরিবর্তন আনা হবে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘বাকা ঠ্যাঙ সোজা করা।’ মানে এইচআরপি-৪ সি’র হাঁটুর বক্র অংশটিকে আরো উন্নত করা হবে। যাতে বাকা অংশটি বুঝা না যায়। আসলে মানুষ মডেলের সাথে তাল মেলাতেই এইচআরপি-৪সি’র হাঁটুর অংশটিকে প্রদর্শন করা হবে। হিউমা নয়িড রিসার্স গ্রুপের প্রধান সুজি কাজিটা বলেন, ‘এইচআরপি-৪সি এর হাঁটুর নিচের অংশটিকে আরো একটু প্রশস্ত করা দরকার। তবে যাই হোক ধন্যবাদ সাইবারনেটিক হিউম্যান ডেভেলপারদের সেই সাথে দোয়া করছি তাদের সাফল্যের জন্য।’ সুজি কাজিটার মত আমরাও বলছি এইচআরপি-৪সি’র মত এমন আরও অভিনব রোবট তৈরি হোক। আর এগিয়ে যাক আমাদের বিশ্ব আরো একধাপ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6199570576149973029-8271952850775564164?l=computerbd.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8271952850775564164'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6199570576149973029/posts/default/8271952850775564164'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://computerbd.blogspot.com/2009/05/blog-post_09.html' title='ক্যাটওয়াকেও ঝড় তুলেছে রোবট'/><author><name>Admin</name><uri>http://www.blogger.com/profile/03975331894075563285</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6199570576149973029.post-7236511514003523199</id><published>2009-05-09T20:35:00.000-07:00</published><updated>2009-05-09T20:42:00.844-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টেকনোলজি'/><title type='text'>২০০৯ সালের বিস্ময়কর ১০ প্রযুক্তি</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;"&gt;প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় পৃথিবী আজ এক নতুন উচ্চতায়। প্রযুক্তির নিত্যনতুন আবিস্কারের সাথে সাথে বিশ্ব এখন অনেক সহজ। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ এর বিস্ময়কর ১০ প্রযুক্তি নিয়ে আমাদের এবারের প্রতিবেদন- লিখেছেন খালেকুজ্জামান সম্রাট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতি বছরই সারা বিশ্বের সর্বাধুনিক সেরা ১০ প্রযুক্তি খুঁজে বের করা হয়। তেমনিভাবে ২০০৯ এর ১০ বিýময়কর প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বুদ্ধিমান সফটওয়্যার সহকারী, বায়োলজিক্যাল মেশিন ইত্যাদি। প্রত্যেকটি বুদ্ধিমত্তা সহকারী একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সাহায্য করবে। অন্যদিকে বায়োলজিক্যাল মেশিন উদ্ধার কাজে সহায়তা করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;১. সিরি (ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যার এসিসটেন্ট)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এক অভিনব সফটওয়্যার তৈরি করেছেন সিলিকন ভ্যালীর বিজ্ঞানী এডাম চিয়ার। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোঁজাখুজি করে। এডাম চিয়ারের এই নতুন আবিস্কার তাদের জন্য আর্শীবাদ হতে পারে। কেননা এডামের এই আবিস্কারটি সার্চ ইঞ্জিনের চেয়ে আরো একধাপ এগিয়ে। কারণ এর নিত্যনতুন সব ফিচার আর চমৎকার সব কার্যকলাপই একে কিছুটা হলেও এগিয়ে রাখবে। এডাম চিয়ার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যারটির নাম দিয়েছেন সিরি। সিরি মূলত ব্যক্তিগত সহকারী এই সফটওয়্যারটি একটি চমৎকার সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। সফটওয়্যারটি অত্যন্ত ব্যবহার উপযোগী ও সুবিধাজনক। সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ কার্যক্রমের সূত্র ধরেই মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। সেনাবাহিনীর একটি চৌকষ দল ক্যালো নামের একটি বিশেষ কার্যক্রম শুরু করে। এডামসহ স্রি ইন্টারন্যাশনালের কিছু বিশেষজ্ঞ তাদের এই কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। তারপর এডাম চিয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে এই সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নেয়। এডাম চিয়ার ও ক্যালোর প্রজেক্ট প্রধান মিলে সর্ব প্রথম এই সফটওয়্যার তৈরির কথা মাথায় আনেন। তারা প্রথমে চিন্তা করেন কিভাবে তাদের এই কার্যক্রমকে সফল করা যায়? কারণ তারা চাচ্ছিল সফলতার সহিত তাদের কার্যক্রম শেষ করতে। সেই অনুযায়ী তারা গ্রাহক সেবার কথা চিন্তা করে উপাত্ত সংগ্রহের কাজে নেমে যায়। তারা ধীরে ধীরে সংগ্রহ করতে থাকে গ্রাহকে চাহিদা মোতাবেক নানাবিধ তথ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এডাম চিয়ারের তৈরিকৃত সফটওয়্যারটির প্রথম নাম ছিল ভার্চুয়াল পারসোনাল এসিসটেন্ট। প্রথমে এই সফটওয়্যারটিকে স্রি ইন্টারন্যাশনাল থেকে সনদপত্র দেয়া হয়। কিন্তু এই সফটওয়্যারটি তার সঠিক কাজটি করতে পারেনি। ফলে থেমে যায় এর অগ্রগতি। তবে এডাম নিজ উদ্যোগে এই সফটওয়্যারটির উন্নতির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে। ফলশ্রুতিতে সফটওয়্যারটি ২০০৯ এর প্রথম দিকে আবার তার কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে এডামের তৈরিকৃত সফটওয়্যারটি বেশ কার্যকর ফলাফল প্রকাশে সমর্থ হয়েছে। পূর্বের ভার্চুয়াল পারসোনাল এসিসটেন্ট থেকে বর্তমানের ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যার এসিসটেন্টে প্রচুর পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমানের সফটওয়্যারটিতে নতুন কিছু ফিচারও সংযোগ করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারটি মূলত ফ্লাইটের টাইম শিডিউল, হোটেল টিকেট বুকিং ও পুরো সপ্তাহের পরিকল্পনা প্রণয়ণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়তা করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবার মনেই প্রশ্ন জাগছে কিভাবে হবে উপরে বর্ণিত কাজগুলো? প্রশ্নের উত্তরে বলা যায় ‘ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যার এসিসটেন্ট’ ব্যবহারকারী মৌখিক বা কিবোর্ডের মাধ্যমে এই সফটওয়্যারকে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য উপস্খাপন করবে। এরপর সফটওয়্যারটি আপনাআপনি কিছু উত্তর ব্যবহারকারীর জন্য স্ক্রীনে উপস্খাপন করবে। তবে প্রত্যেকটি ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যারই ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকতে হবে। নাহ! এবারও ব্যাপরটা পরিস্কার হয়নি, তাই না? চলুন একটি উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাপারটাকে আরো পরিস্কারভাবে বোঝার চেষ্টা করি। ধরুন আপনি আমেরিকাতে গিয়েছেন। কিন্তু আমেরিকার কোন হোটেল সবচেয়ে ভাল আপনি জানেন না অথবা আপনার একটি নির্দিষ্ট বাজেট আছে হোটেলে থাকার জন্য। তারজন্য কয়েকটি হোটেলের তথ্য আপনার দরকার। তথ্যগুলো হাতে পাবার পরই আপনি একটি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে পারবেন। আর সিদ্ধান্ত নিতে হলে নিশ্চয়ই আবাসিক হোটেগুলো ঘুরে ঘুরে দেখার সময়ও আপনার নেই। সেজন্য আপনি গুগল কিংবা ইয়াহুতে সার্চ দিয়ে দেখবেন। কয়েকটি হোটেলের তথ্য সংগ্রহ করবেন। তারপর আপনি বাছাই করবেন কোন হোটেলটি আপনার পছন্দসই। যা বেশ সময়ের ব্যাপার। তবে আপনার হাতের কাছে যদি ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যার এসিসটেন্ট থাকে তবে খুব সহজেই আপনি এই পছন্দ করার কাজটিকে করতে পারবেন। আর সেটা শুধুমাত্র একটি বাক্য বলা বা লেখার মাধ্যমে। অন্যদিকে ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যার এসিসটেন্ট সপ্তাহের পূর্ণ পরিকল্পনা প্রণয়ণে বেশ সহায়ক হতে পারে। যেমন ধরুন আপনি একজন ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহারকারী। আর সফটওয়্যারটিতে আপনার পূর্ব কাজের ধরণসহ নানারকম তথ্য এই সফটওয়্যারটিতে সংরক্ষণ করা আছে। যেমন- আপনার ভৌগোলিক অবস্খান, আপনার বাসস্খান এলাকার নাম ইত্যাদি। এবার আপনি চাচ্ছেন সামনের সপ্তাহের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ণ করতে। তার জন্য আপনি ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যারকে বিনোদন ও ভ্রমণ সংক্রান্ত প্রশ্ন করলেন। সম্ভাব্য সঠিক উত্তর দিয়ে ইন্টিলিজেন্ট সফটওয়্যারটি আপনাকে সহায়তা করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;২. বায়োন্যানোম্যাট্রিক্স (ডিএনএ সিকোয়েন্স পরিমাপক)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপরিভাগে রঙীন ফিতা আর অপরপ্রান্তের কোণার দিকে একটি ছোট ল্যাব এবং দরজা ব করা একটি অংশ। ভাবছেন এটা আবার কি? ভাবনার দরকার নেই এটি অতি ক্ষুদ্রাকায় একটি ডিএনএ চিপ। বায়োন্যানোম্যাট্রিক্স(জেনোম) আসলে এমন একটি পরিমাপক যেটি সুচারু রূপে একজন মানুষের ডিএনএ পরীক্ষা করবে। শুধু তাই নয় এটি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য কত টাকা খরচ হলো তারও একটি হিসেব দিবে। অভিনব এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের ডিএনএ পরীক্ষা করতে ৮ ঘন্টায় সর্বোচ্চ ১০০ ডলার খরচ পড়বে। প্রযুক্তিটি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে আর খুব কম খরচে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল দিবে। সেইসাথে এটি রোগীর জেনেটিক প্রোফাইল তৈরি করতে সহায়তা করবে। অনেক বিশেষজ্ঞরাই অবশ্য এর সমালোচনা করছে। সমালোচনার পিছনে মূল কারণ হচ্ছে এর ব্যয় খরচ। তবে বায়োন্যানোম্যাট্রিক্স বিজ্ঞানী হ্যান চাও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন ভবিষ্যতে এর খরচ কমে যাবে আর তখন এটি সকলের চাহিদার তালিকায় চলে আসবে। বায়োন্যানোম্যাট্রিক্স চিপটির মাধ্যমে একজন ডাক্তার খুব সহজেই রোগীর ক্যান্সার আছে কিনা তা উদঘাটন করতে পারবে। শুধু ক্যান্সার উদঘাটন নয় এই চিপটির দ্বারা দেহের প্রত্যেকটি ডিএনএ’র পারস্পারিক সম্পর্ক নির্ণয় করা যাবে। চিপ ব্যবহারকারী একজন ডাক্তার রোগীর রোগের পূর্বাভাস দেখেই রোগীর জন্য পথ্য দিতে পারবেন। এমন সব সুবিধা দেয়া এই চিপটির খরচ কিন্তু সত্যিই কম। কারণ এক্স করার চেয়ে কম খরচে এই চিপ দ্বারা চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব। ডাক্তার মূলত মানব দেহের বিভিন্ন প্রকার জেনেটিক পরিবর্তনগুলোকে পর্যবেক্ষণ করার মাধ্যমে রোগের পূর্বাভাস সম্পর্কে রোগীকে জানাতে পারবে। ডিএনএ পরীক্ষার সময় মানবদেহের ক্রোমোজমগুলোকে মিলিয়ন মিলিয়ন ছোট ছোট টুকরা করা হয়। ফলে বিশেষজ্ঞদের পক্ষে এই ক্রোমেজমগুলোকে সঠিকভাবে সাজানো সম্ভব হয়না। ফলে ক্রোমোজমগুলোকে দেখার ক্ষেত্রে একটু সমস্যার সৃষ্টি হবে। যার ফলশ্রুতিতে ব্যাপারটি হবে একটু সময় সাপেক্ষ। কারণ যখন একই রকম ক্রোমোজমগুলো পাশাপাশি থাকবে তখন ক্রোমোজমগুলোকে বারবার গণন করার প্রয়োজন পড়তে পারে। আর তা করতে না চাইলে একটি কাল্পনিক হিসাব দিতে হবে ডিএনএ পরীক্ষকদের। ফলে সঠিক রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও একপা পিছিয়ে থাকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। আর ডিএনএ পরীক্ষার এই সমস্যার কথা বিবেচনা করেই হ্যান চাও তার এই অবিনভ চিপটি আবিস্কার করে। তবে হ্যান চাওয়ের তৈরি করা চিপটি সচল ও পরিত্যক্ত ডিএনএগুলোর ক্রমাìðয় অবস্খানকে নির্দেশ করবে। আর প্রত্যেকটি সারিতে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে ১০০০ ক্রোমোজমের সমìðয়ে একটি লাইন তৈরি হবে। ফলে রোগ নির্ণয় করা হবে অনেক সহজ ও নির্ভুল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;৩. মেমরি চিপ (রেসট্র্যাক মেমরি)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আইবিএম ২০০২ সালে যখন তাদের হার্ড-ড্রাইভের ব্যবসা হিটাসির কাছে বিক্রয় করে তখন স্টুয়ার্ট পারকিন বিýিমত হয়েছিল। বিýময়ের কারণ হচ্ছে আইবিএম’র মত প্রতিষ্ঠান, কি করে সম্ভব? অতিক্ষুদ্রাকায় মেমরি চিপ তৈরি করে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে স্টুয়ার্ট পারকিন। স্টুয়ার্ট পারকিন আইবিএম’র একজন সহকারী কর্মকর্তা। কর্মজীবনে সে চুম্বকীয় মৌলিক ধাতু নিয়ে নানাবিধ পরীক্ষা নিরীক্ষা চালায়। তার আবিস্কারের ধারাবাহিকতায় তিনি প্রতি বারই অধিক ক্ষমতা ও অধিক জায়গা সম্বলিত হার্ডডিস্ক আবিস্কার করেন। সেই ধারায় তিনি আবিস্কার করেন অতি উচ্চ ধারণ ক্ষমতার ফ্ল্যাশ মেমরি চিপ। তারই দারাবাহিকতায় এবার আবিস্কার করলেন রেসট্রেক মেমরি চিপ। তার আবিস্কৃত ফ্ল্যাশ মেমরি চিপ সম্পর্কে সকলেই কমবেশি জানেন। ফ্ল্যাশ মেমরি চিপ মূলত চুম্বকীয় হার্ডডিস্ক ড্রাইভের চাইতে আরো একধাপ এগিয়ে। ফ্ল্যাশ মেমরির স্খায়িত্ব হার্ড ডিস্কের চেয়ে অনেক বেশি। ফ্ল্যাশ মেমরি ডিস্কের দুইদিক থেকেই কাজ করতে পারে। পারকিন তার এই নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে বলেন এটি উপাত্ত সংরক্ষণের নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পূর্বের ফ্ল্যাশ মেমরি ও চুম্বকীয় ডিস্ক ড্রাইভ উভয়ই দ্বি-মাত্রিক সুবিধা নিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ত্রি-মাত্রিক সুবিধা নিয়ে তৈরি হলো রেসট্রেক মেমরি। গত ৫০ বছর দ্বি-মাত্রিক স্টোরেজ যন্ত্রগুলো সারা বিশ্ব দাপিয়ে চললেও আগামীর বিশ্বে ত্রি-মাত্রিক সুবিধার রেসট্রেক মেমরি যে এক চেটিয়া ব্যবসা করবে তার পূর্বাভাস পাওয়াই যাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইংরেজি ইউ আকৃতির ক্ষুদ্র তারগুলো খাড়াভাবে রেসট্রেক মেমরি চিপে বসানো হবে। যা দেখতে অনেকটাই বনের এলোপাথারি গাছগুলোর মত দেখাবে। ক্ষুদ্র তারের প্রত্যেকটি অংশই এক একটি অঞ্চল বলে বিবেচিত হবে। চিপের অঞ্চলগুলোর সীমানা প্রকাশের জন্য ১(ওয়ান)এস ও ০(জিরো)এস ব্যবহার করা হবে। যখন চিপের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে তখন প্রত্যেকটি তারই স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠবে। সেইসাথে চিপের মধ্যে অবস্খিত প্রয়োজনীয় প্রত্যেকটি স্খানে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করবে। আসলে চিপের মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহের পুরো ব্যাপারটা দেখতে অনেকটাই প্রতিযোগিতায় অংশ করা কার ও রেসট্রেকের মত হবে। ২০০৩ সালে প্রথম যখন পারকিন রেসট্রেক মেমরির কথা সকলের সামনে উথাপন করেন তখন লোকজন চিন্তা করেছিল এই অসম কল্পনাই সাড় বাস্তবায়ণ সম্ভব নয়। কিন্তু গত বছরের এপ্রিলে সবাইকে চমকে দিয়ে পারকিন রেসট্রেক মেমরির সফল প্রদর্শন শেষ করে। পারকিন তার উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রকাশ করে যে, তার আবিস্কৃত রেসট্রেক মেমরিটি চুম্বকের আদর্শকে বজায় রেখে সঠিক বিদ্যুতের সরবরাহ করতে পারে। তবে পারকিন তার এই প্রযুক্তিটি শুধুমাত্র সায়েন্স পত্রিকার কয়েকজন পরিদর্শককে দেখিয়েছিল এবং সায়েন্স পত্রিকা তার এই প্রযুক্তিটি নিয়ে পুরো বিস্তর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। ২০০৯ এ এই প্রযুক্তিটি বাজারে আসে। সেই বিষয়ে পারকিন বলেছেন ‘রেসট্রেক মেমরির চাহিদা এতটাই বৃদ্ধি পাবে যে, পূর্বের সকল হার্ডডিস্ক ও ফ্ল্যাশ মেমরি চিপের প্রতি মা
