বাংলাদেশে গতকাল বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চগতির তারহীন ইন্টারনেট ওয়াইম্যাক্সের যাত্রা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকমিশনের কাছ থেকে ২০০৮ সালে ওয়াইম্যাক্স সেবা পরিচালনার জন্য লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অজের প্রথম ওয়াইম্যাক্স সেবা চালু করল।অজের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লিমিটেড (এবিএল) কিউবি (www.qubee.com.bd) নামে ওয়াইম্যাক্স সেবা দেবে। গতকাল রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে এবিএলের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা রাসেল টি আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মিরপুর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও উত্তরার আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের জন্য কিউবি সুবিধা চালু করা হয়েছে। অচিরেই কিউবি সুবিধা সারা বাংলাদেশে পাওয়া যাবে।’ কেক কেটে কিউবি চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়।

সম্মেলনে নতুন প্রযুক্তির ওয়াইম্যাক্সের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। এ সুবিধা চালুর পাশাপাশি রাজধানীর গুলশান এলাকায় এবিএলের নিজস্ব দোকান কিউবি ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালুর ঘোষণাও দেওয়া হয়। আবাসিক ও ব্যবসায়িক সংযোগের জন্য শুরুতে দুটি প্যাকেজ চালু করা হয়েছে। প্রতি সেকেন্ডে ৫১২ কিলোবাইট (কেবিপিএস) গতির ইন্টারনেট সুবিধার জন্য প্রতি মাসে তিন হাজার ৪০০ টাকা এবং প্রতি সেকেন্ডে ১ মেগাবাইট (এমবিপিএস) গতির ইন্টারনেটের জন্য প্রতি মাসে ছয় হাজার ২০০ টাকা দিতে হবে। এই ইন্টারনেট সংযোগের জন্য গ্রাহককে সাত হাজার টাকায় একটি ওয়াইম্যাক্স মডেম কিনতে হবে।

কিউবির প্রচারণার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে বুথ বসানো হয়েছে। আগামী মাসের শুরুর দিকে রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও এই ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি অচিরেই আরও কিছু অফারের মাধ্যমে খরচ কমানো হবে বলেও সম্মেলনে জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে এবিএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেরি মবস বলেন, এই ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ সত্যিকারের ইন্টারনেট সুবিধা পাবে।

সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো

বনভূমি সংরক্ষণ ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে শুরু হতে যাওয়া একটি আন্তর্জাতিক প্রকল্পে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুগল। কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবি গুগল আর্থ সাইটের মাধ্যমে এই প্রকল্পে সরবরাহ করা হবে। ‘গ্রুপ অন আর্থ অবজারভেশন (জিইও)’-এর উদ্যোগে শুরু হতে যাওয়া এই প্রকল্পে গুগল ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, জাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা ও বিভিন্ন দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানি, ভারত, ইতালি ও ব্রাজিল) মহাকাশ গবেষণা সংস্থাও রয়েছে।

কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবির মাধ্যমে বনভূমির পরিমাণ ও গাছপালায় কী পরিমাণ কার্বন জমা আছে, তা বিশ্লেষণ করা হবে। উদ্ভিদদেহে প্রচুর পরিমাণে কার্বন থাকে এবং নিজের খাদ্য প্রস্তুতের জন্য পরিবেশ থেকে গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। গাছ কেটে পোড়ানো বা পানিতে ভিজিয়ে পচানো হলে এতে থাকা কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনো-অক্সাইড ইত্যাদি হিসেবে অবমুক্ত হয়। নির্বিচারে বৃক্ষনিধন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের হার এক-পঞ্চমাংশ বাড়িয়ে দেয় বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে সবুজের ঘনত্ব দেখে বনভূমির পরিমাণ নির্ণয়ের পাশাপাশি ‘রাডার ইমেজ’ (এক বিশেষ ধরনের ছবি, যাতে কোনো দৃশ্যের কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের দ্বিমাত্রিক ম্যাপিং পাওয়া যায়)-এর মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট এলাকার গাছপালায় বিদ্যমান মোট কার্বনের পরিমাণ সম্বন্ধেও ধারণা করা যায়। অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ক্যামেরুন, গায়ানা, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, তাঞ্জানিয়া—এই সাতটি দেশে খুব শিগগির পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। জিইওর নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট এলাকার বাত্সরিক মোট কার্বনের পরিমাণ নির্ণয় করে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সঙ্গে এর তুলনা করা হবে। এই ধরনের উদ্যোগ প্রথম শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রেরিত ‘ল্যান্ডসেট’ উপগ্রহের পাঠানো ছবি ব্যবহার করে।

বনভূমি যেকোনো দেশের ফুসফুসস্বরূপ। পরিবেশ ও বন সংরক্ষণে জিইও, গুগল ও অন্যান্য সংস্থার সম্মিলিত এই প্রচেষ্টা নিশ্চিতভাবেই মানবসভ্যতার জন্য মঙ্গলময় হবে। সবুজ ও দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে গুগলের এই এগিয়ে আসাকে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন স্বাগত জানিয়েছে।

সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো

বই বা অন্য কোনো উত্স থেকে স্ক্যান করা লেখার পাতা বা লেখার স্ক্রিনশট ফাইলকে সম্পাদনাযোগ্য লেখার (টেক্সট) ফাইলে রূপান্তর করা যায় ওসিআর (অপটিক্যাল ক্যারেকটার রিকগনিশন) সফটওয়্যার দিয়ে। এ কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু সফটওয়্যার ছাড়াও গুগল ডক্সের মাধ্যমে ইন্টারনেটে এ ধরনের ইমেজ ফাইলকে সম্পাদনার উপযোগী টেক্সট ফাইলে রূপান্তর করে গুগল ডক্সে ব্যবহার করা যায়। এ জন্য http://googlecodesamples.com/docs/php/ocr.php সাইটে গিয়ে সাইন ইন করে Grant access বাটনে ক্লিক করুন। এবার Browse বাটনে ক্লিক করে ফাইলটি নির্বাচন করে Start OCR import বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে এটি গুগল ডক্সে সম্পাদনের উপযোগী হয়ে আসবে। এখান থেকে অনলাইনে সেভ করা বা হার্ডডিক্সে সেভ করা যাবে বিভিন্ন ফরম্যাটে। ইমেজ ফাইল হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ মেগাবাইটের এবং ২৫ মেগাপিক্সেলের .jpg, .png, বা .gif ফরম্যাটের ফাইল ব্যবহার করা যাবে। তবে কম রেজুলেশনের ফাইল আপলোড করলে টেক্সটে রূপান্তর না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ইমেজ ফাইলটির রেজুলেশন বাড়িয়ে নেওয়া ভাল।

সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো

জীবনযাপনের সবকিছুতেই এখন প্রযুক্তির ছোঁয়া। মানুষের বিনোদনেও দেখা যাচ্ছে উচ্চপ্রযুক্তির ব্যবহার। আর এ কারণে বিনোদন আরও বেশি সহজ এখন। কাজের ফাঁকেও বিনোদন হাতের মুঠোয় প্রযুক্তির কল্যাণে। রাস্তাঘাটে বের হলে ছেলেমেয়ে অনেকের কানেই ইয়ারফোন গোঁজা দেখা যায়। কেউবা শুনছে এফএম বেতারের অনুষ্ঠান, কেউবা শুনছে এমপি থ্রি; মানে ডিজিটাল ফরম্যাটের গান। আবার কেউ কেউ যানজটে আটকে থেকে নিজের ল্যাপটপে পছন্দের ভিডিওটিও দেখে নিতে পারেন। চলার পথে বিনোদনের সঙ্গী এখনকার যন্ত্রগুলো অপেক্ষা করার সময়গুলোতে একটু হলেও প্রশান্তি ছড়াবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মিঞা মোহম্মদ বাচ্চু বললেন, বিকেলে পড়ানোর জন্য ছাত্রের বাসায় যেতে আমার সময় লাগে এক ঘণ্টা। সেই সময়টাতে বিবিসির সংবাদ শুনি এফএম রেডিওর মাধ্যমে। এতে তাঁর অলস সময়ে বিবিসি সংবাদ শোনার মাধ্যমে ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে কাজে লাগে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী তামিমা সুলতানা জানান, তিনি বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যাওয়ার সময় বাসে বসে আইপডে তাঁর প্রিয় গানগুলো শোনেন।

চলার পথে বিনোদনের সঙ্গী অনেক ধরনের যন্ত্রপাতি থেকে বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে আপনার।

আই-পড
চলার পথের বিনোদনের সঙ্গী হিসেবে আপনি অ্যাপলের আই-পড বেছে নিতে পারেন।দুনিয়াজুড়েই আছে এর জনপ্রিয়তা। এখনকার আই-পড টাচে তো গান শোনা, ভিডিও দেখা, গেম খেলার সুযোগ আছে। আই-পডে একবার চার্জ দিয়ে কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা গান শুনতে পারবেন। বাংলাদেশের বাজারে এক থেকে শুরু করে ২ গিগাবাইট, ৪ গিগাবাইট, ৮ গিগাবাইট, ১৬ গিগাবাইটের আই-পড বেশ চলে। আই-পডের বিক্রি প্রসঙ্গে ঢাকার মেলডি মিউজিক কর্নারের স্বত্বাধিকারী মো. আবু তালেব বলেন, বর্তমানে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা আই-পড বেশি কিনছে। অ্যাপলের দুই গিগাবাইটের একটি আই-পড কিনতে আপনার খরচ হবে আট হাজার টাকা। আর চার গিগাবাইটের দাম ১৪ হাজার এবং আট গিগাবাইটের দাম ২৬ হাজার টাকা। তবে বাজারে নকল আই-পডও আছে। তাই চাই সতর্কতা।

এমপিথ্রি প্লেয়ার
চলার পথে কানে হেডফোন লাগিয়ে আপনি যদি শুধু আপনার পছন্দের গান শুনতে চান তবে আপনি কিনতে পারেন একটি এমপিথ্রি প্লেয়ার। এই যন্ত্রটি এপিথ্রি ফরম্যাটের গান শোনাবে আপনাকে।কিছু কিছু এমপিথ্রি প্লেয়ারের সঙ্গে এফএম বেতারের অনুষ্ঠান শোনার সুযোগও আছে। এর ব্যাটারির চার্জ থাকে অনেকক্ষণ। তাই দূরের যাত্রায় এমপিথ্রি প্লেয়ার বেশ কাজের। বাজারে ব্র্যান্ড এবং নন-ব্র্যান্ড (মূলত চীনে তৈরি, কোনো ব্র্যান্ডের নাম উল্লেখ থাকে না) এমপিথ্রি প্লেয়ার পওয়া যায়।

ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ক্রিয়েটিভ, মাইক্রো ল্যাব, সিএসএম, টুইনমস, অ্যাপাসার, সনি, প্যানাসনিক ইত্যাদি ব্র্যান্ডের এমপিথ্রি প্লেয়ার পাওয়া যায়। এসবের দাম শুরু হয় এক হাজার টাকার বেশি থেকে।

নন-ব্র্যান্ডের এমপিথ্রি প্লেয়ারে কোনো ওয়ারেন্টি থাকে না।একটি নন-ব্র্যান্ডের এক গিগাবাইটের এমপিথ্রি প্লেয়ারের দাম ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। দুই গিগাবাইটের দাম ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা। আর চার গিগাবাইটের দাম ১৭০০ থেকে ২২০০ টাকা। ঢাকা কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র দেবাশীষ মজুমদার বলেন, ‘কলেজ থেকে বাসা অনেক দূরে হওয়ায় যাত্রাপথে এটি আমার বিনোদনের সঙ্গী। এটি মজার, ফলে নিজেকে কখনো একাকী মনে হয় না।’

এমপিফোর প্লেয়ার
গান শোনা ও দেখা যায় এমপিফোর প্লেয়ার দিয়ে। এমপিফোর প্লেয়ারে গান শোনা, ভিডিও দেখা, এফএম রেডিও শোনা যাবে আবার গেমও খেলা যাবে। সমস্যা একটাই, ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষণ থাকে না। কম দূরত্বে ভ্রমণের জন্য এমপিফোর প্লেয়ার বিনোদনের ভালো এক মাধ্যম হতে পারে। বাজারে ব্র্যান্ড এবং নন-ব্র্যান্ড উভয়ের এমপিফোর প্লেয়ার পাওয়া যায়। ক্রিয়েটিভ ব্র্যান্ডের একটি দুই গিগাবাইটের এমপিফোর প্লেয়ারের দাম সাড়ে সাত হাজার টাকা। আর চার গিগাবাইটের একটি এমপিফোর প্লেয়ারের দাম সাড়ে আট হাজার টাকা। এ ছাড়া আপনি আরও বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড ব্যবহার করে আপনার এমপিফোর প্লেয়ারের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন। বাজারে প্রচলিত এমপিফোর ব্র্যান্ডগুলো হলো-ক্রিয়েটিভ, মাইক্রোল্যাব, অ্যাপাসার, সনি, স্যামসাং, প্যানাসনিক ইত্যাদি। নন-ব্র্যান্ডের এক গিগাবাইটের এমপিফোর প্লেয়ারের দাম ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা। একটি দুই গিগাবাইটের এমপিফোর প্লেয়ারের দাম ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকা। আর একটি চার গিগাবাইটের এমপিফোর প্লেয়ারের দাম ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা। নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জুবায়ের হাসনাত বলেন, চলার পথে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে এমপিফোর প্লেয়ার অবশ্যই আকর্ষণীয়। তবে সেটি যেন হাঁটার সময় ব্যবহার না করা হয়।বসে ব্যবহার করা উচিত।

এমপিফাইভ প্লেয়ার
চলার পথে শুধু বিনোদন নয়, যদি কোনো কিছুর ছবি তুলেও রাখতে চান তবে কিনতে হবে এমপিফাইভ প্লেয়ার। এমপিফাইভ প্লেয়ারের মাধ্যমে গান শুনতে, গান দেখতে, ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে পারবেন। তবে অনেক এমপিফাইভ প্লেয়ারে ভিডিও করার সুযোগ নেই।ভিডিও করার সুযোগসহ যন্ত্রগুলোর নাম এমপিসিক্স প্লেয়ার। ঢাকার দিদার টেলিকমের স্বত্বাধিকারী মো. হাবিব উল্লাহ বলেন, এমপিফাইভ ও এমপিসিক্স প্লেয়ারের দাম বেশি হওয়াতে এগুলোর বিক্রি কম।

এফএম রেডিও
শুধু এফএম রেডিও শোনার জন্য আপনি কিনে নিতে পারেন একটি এফএম রেডিও। বাজারে একটি এফএম রেডিও ১০০ থেকে ৪০০ টাকায় পাওয়া যাবে।

মুঠোফোন তো আছেই
গান শোনা, ভিডিও দেখা, ছবি তোলা, এফএম রেডিও, ইন্টারনেটসহ সব সুবিধা এখনকার বেশিরভাগ মুঠোফোনেই আপনি পেতে পারেন। আর কথা বলার প্রয়োজন তো মিটবেই।

মেমোরি কার্ড
বিনোদনের যন্ত্রগুলোয় গান বা ছবির ধারণক্ষমতা বাড়াতে বাড়তি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে একটি ভালো মানের এক গিগাবাইটের মেমোরি কার্ডের দাম ৫০০ টাকা, দুই গিগাবাইট ৮০০ ও চার গিগাবাইটের দাম ১২০০ টাকা। আট গিগাবাইট মেমোরি কার্ডের দাম ২২০০ টাকা। তবে বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড আপনার যন্ত্রাংশে লাগবে কি না তা আগে জেনে নিন।

ওয়ারেন্টি: বাজারে নন-ব্র্যান্ডের কোনো জিনিসেরই ওয়ারেন্টি পাবেন না। ব্র্যান্ডের কোনো জিনিসের জন্য আপনি এক থেকে তিন বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন। তবে অবশ্যই বিক্রেতার কাছ থেকে ওয়ারেন্টি কার্ড ও কার্ডে তারিখ লিখে নিন।

নষ্ট হলে?
নষ্ট হলে আপনি আপনার পাশের ইলেকট্রনিকস দোকানে যোগাযোগ করুন। ঢাকার বিসিএস কম্পিউটার সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, মোতালিব প্লাজা, আইডিবি ভবনসহ বড় মার্কেটে এসব মেরামত করা হয়।

সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো

অনাকাঙ্ক্ষিত রেল দুর্ঘটনা এবং যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) তড়িত্ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের দুই শিক্ষার্থী রাজেশ মজুমদার ও জীবন চন্দ্র ভৌমিক তৈরি করেছেন কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) নির্ভর ‘ট্রেন মনিটরিং’ ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থার ফলে রেল দুর্ঘটনা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব বলেতাঁরা মনে করেন। শুধু তাই নয়, রেলগাড়ি কোথায় আছে তাও জানা যাবে সঠিকভাবে।

এ পদ্ধতি সম্পর্কে নির্মাতারা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দেশে টেলিফোনের মাধ্যমে রেলগাড়ির অবস্থান জেনে নেওয়া হয়। অনেক সময় যোগাযোগজনিত ত্রুটির কারণে বা অপারেটরের ভুল বোঝাবুঝিতে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ধরনের দুর্ঘটনার মধ্যে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষই হয় বেশি। এ পদ্ধতির মাধ্যমে সমগ্র দেশের রেলগাড়ির অবস্থান, গতি এবং স্টেশন থেকে কত দূরত্বে আছে তা মুহূর্তের মধ্যে জানা যাবে এবং মানচিত্র আকারে তা দেখাও যাবে।’

গবেষকেরা আরও জানান, সম্পূর্ণ পদ্ধতিটি নিয়ন্ত্রিত হবে একটি গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) এবং একটি ওয়েব সার্ভারের মাধ্যমে। এই জিপিএস ট্রেনের ভেতর বসানো হবে।সেটি কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে সংকেত আদান-প্রদান করে রেলগাড়িটির অবস্থান, গতি ও নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে কত দূরত্বে আছে তা হিসাব করে ডেটাবেইসে পাঠাবে।কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষে প্রতিটি ট্রেনের প্রতি মুহুর্তের অবস্থান, গতি ও দূরত্ব মানচিত্রে দেখা যাবে। যেহেতু পদ্ধতিটি ইন্টারনেট-ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে, তাই খরচ কম হবে। একটি জিপিএস একটি রেলগাড়িতে বসাতে ১০ হাজার টাকা লাগবে।

জীবন ও রাজেশের এই গবেষণার তত্ত্বাবধানে ছিলেন চুয়েটের তড়িত্ ও ইলেকট্রনিক বিভাগের প্রভাষক নিপু কুমার দাশ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম রেলওয়ের সঙ্গে আমাদের প্রাথমিক কথা হয়েছে। তারা এ বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছে।’ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভবিষ্যতে এ দুই প্রকৌশলী বাংলাদেশের রেল যোগাযোগব্যবস্থায় প্রযুক্তিটি ব্যবহার করতে চান বলে জানিয়েছেন।


সৌজন্যে : দৈনিক প্রথম আলো